ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

বিকল ট্রেনের যাত্রীদের খাবার খাইয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পাবনাবাসী

বিকল ট্রেনের ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত যাত্রীদের খাবার খাইয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পাবনাবাসী। এ নিয়ে ফেইসবুক পোস্টে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা। পোস্টে পাবনার মানুষের মানবিকতার প্রশংসা করেছেন খোদ রেল কর্মকর্তা ও যাত্রীরা।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ট্রেনটির টিটিই আব্দুল আলিম মিঠু ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন। ছড়িয়ে পড়া সেই পোস্টে এই প্রশংসা উঠে এসেছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘রোববার পাবনার লোকজন দেখিয়ে দিলেন তারা কতটা উদার মনের মানুষ। এদিন সকালে ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন পাবনার সাঁথিয়ার রাজাপুর স্টেশন পার হওয়ার পর হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। বিকল্প ইঞ্জিন আনতে আনতে বেলা পেরিয়ে দুপুর হয়ে যায়। এর মাঝে যাত্রীসহ আমরা যারা ট্রেনের স্টাফ ছিলাম তারা অনেকেই ছিলেন ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত। রেললাইন থেকে কিছু দূরের বাসিন্দারা ওই সময় ঢালারচর ট্রেনের সবার জন্য যা করলেন তা এক কথায় অবিস্মরণীয়! যার যা সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন। কারো হাতে ছিল ভাত-ডাল, কারো হাতে খিচুড়ি, কারো হাতে রুটি-সবজি, কারো হাতে পানি। কেউবা তখন কিছু রান্না করে নিয়ে আসার জন্য উদগ্রীব। এতদিন শুধু শুনে এসেছি পাবনার মানুষ বিরাট মনের মানুষ হয়, আজ স্বচক্ষে পাবনার মানুষের আতিথেয়তা দেখে মুগ্ধ হলাম।’

টিটিই আব্দুল আলিম মিঠু বলেন, ট্রেনের স্টাফ ও যাত্রীসহ আমরা যারা ছিলাম তারা সবাই কমবেশি ক্ষুধার্ত। কিন্তু তারা এসে শিশু ও বয়স্কদের দিকে আগে নজর দিলেন। যারা এসব খাবার নিয়ে এসেছিলেন, আমি নিশ্চিত তারা সবাই দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। দুর্মূল্যের বাজারে তাদের সংসার চালানো দায়, কিন্তু এসব কিছুই ভাবেননি তারা। ঘরের খাবারতো এনেছেনই, কেউ কেউ আবার বলেছেন রান্নার ব্যবস্থা করার কথা। পুরো দৃশ্যে আমি অসম্ভব রকমের অবাক হয়েছি। বিশাল মন না থাকলে এগুলো করা সম্ভব নয়। তাদের এ কাজে মুগ্ধ হওয়া ও প্রশংসা করা ছাড়া কিছু বলার নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিকল ট্রেনের যাত্রীদের খাবার খাইয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পাবনাবাসী

আপডেট সময় ১১:০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিকল ট্রেনের ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত যাত্রীদের খাবার খাইয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পাবনাবাসী। এ নিয়ে ফেইসবুক পোস্টে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা। পোস্টে পাবনার মানুষের মানবিকতার প্রশংসা করেছেন খোদ রেল কর্মকর্তা ও যাত্রীরা।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ট্রেনটির টিটিই আব্দুল আলিম মিঠু ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন। ছড়িয়ে পড়া সেই পোস্টে এই প্রশংসা উঠে এসেছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘রোববার পাবনার লোকজন দেখিয়ে দিলেন তারা কতটা উদার মনের মানুষ। এদিন সকালে ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন পাবনার সাঁথিয়ার রাজাপুর স্টেশন পার হওয়ার পর হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। বিকল্প ইঞ্জিন আনতে আনতে বেলা পেরিয়ে দুপুর হয়ে যায়। এর মাঝে যাত্রীসহ আমরা যারা ট্রেনের স্টাফ ছিলাম তারা অনেকেই ছিলেন ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত। রেললাইন থেকে কিছু দূরের বাসিন্দারা ওই সময় ঢালারচর ট্রেনের সবার জন্য যা করলেন তা এক কথায় অবিস্মরণীয়! যার যা সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন। কারো হাতে ছিল ভাত-ডাল, কারো হাতে খিচুড়ি, কারো হাতে রুটি-সবজি, কারো হাতে পানি। কেউবা তখন কিছু রান্না করে নিয়ে আসার জন্য উদগ্রীব। এতদিন শুধু শুনে এসেছি পাবনার মানুষ বিরাট মনের মানুষ হয়, আজ স্বচক্ষে পাবনার মানুষের আতিথেয়তা দেখে মুগ্ধ হলাম।’

টিটিই আব্দুল আলিম মিঠু বলেন, ট্রেনের স্টাফ ও যাত্রীসহ আমরা যারা ছিলাম তারা সবাই কমবেশি ক্ষুধার্ত। কিন্তু তারা এসে শিশু ও বয়স্কদের দিকে আগে নজর দিলেন। যারা এসব খাবার নিয়ে এসেছিলেন, আমি নিশ্চিত তারা সবাই দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। দুর্মূল্যের বাজারে তাদের সংসার চালানো দায়, কিন্তু এসব কিছুই ভাবেননি তারা। ঘরের খাবারতো এনেছেনই, কেউ কেউ আবার বলেছেন রান্নার ব্যবস্থা করার কথা। পুরো দৃশ্যে আমি অসম্ভব রকমের অবাক হয়েছি। বিশাল মন না থাকলে এগুলো করা সম্ভব নয়। তাদের এ কাজে মুগ্ধ হওয়া ও প্রশংসা করা ছাড়া কিছু বলার নেই।