ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

আড়াইহাজারে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে স্বামী ইমন মিয়ার বাড়িতে অনশনে বসেন সনিয়া নামে এক তরুনী। বুধবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলায় বালিয়াপাড়ার ভাটি গোবিন্দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুনীকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত হলে ইমন মিয়া পালিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন।

অভিযুক্ত স্বামী ইমন মিয়া উপজেলায় বালিয়াপাড়ার ভাটি গোবিন্দপুর এলাকার আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী সনিয়া সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের রাউতগাঁও এলাকার মৃত শরিফুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে।

সনিয়ার অভিযোগ ইমন মিয়া প্রতারণার মাধ্যমে তিন লাখ টাকা দেনমোহ ধার্য করে জোর পূর্বক তাকে বিয়ে করেছেন।

তিনি জানান, আমার সাথে ইমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো ৯ মাসের। একপর্যায়ে আমার মা ইমনকে বলে তুৃমি বাসায় থেকে লোক পাঠাও বিয়ের জন্য। তারপর ইমনের বাসা থেকে লোক পাঠায় ইমনের বাড়ির লোকজন আমাকে পছন্দ করে নাই। তার কিছুদিন পর ইমন আমার কাছে গিয়ে পা ধরে কান্নাকাটি করে আমাকে বিয়ে করতে চায়।

পরে গত ১১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে আমি আর ইমন ঢাকা কোর্ট এ নোটারী করার মাধ্যমে বিয়ে করি। চিটাগাংরোড বাসা ভাড়া করে ৫দিন আমরা সংসার করি। তারপর বাসা আসে ইমন ২য় বিয়ে করে। আমি আজ এখানে আসছি স্বামীর অধিকার আদায় করার জন্য। আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ওই তরুনীকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। সামাজিক ভাবে একটা ব্যবস্থা নেওয়া কথা বলা হয়ছে। থানায় এখনও কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আড়াইহাজারে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন

আপডেট সময় ১১:২২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে স্বামী ইমন মিয়ার বাড়িতে অনশনে বসেন সনিয়া নামে এক তরুনী। বুধবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলায় বালিয়াপাড়ার ভাটি গোবিন্দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুনীকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত হলে ইমন মিয়া পালিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন।

অভিযুক্ত স্বামী ইমন মিয়া উপজেলায় বালিয়াপাড়ার ভাটি গোবিন্দপুর এলাকার আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী সনিয়া সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের রাউতগাঁও এলাকার মৃত শরিফুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে।

সনিয়ার অভিযোগ ইমন মিয়া প্রতারণার মাধ্যমে তিন লাখ টাকা দেনমোহ ধার্য করে জোর পূর্বক তাকে বিয়ে করেছেন।

তিনি জানান, আমার সাথে ইমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো ৯ মাসের। একপর্যায়ে আমার মা ইমনকে বলে তুৃমি বাসায় থেকে লোক পাঠাও বিয়ের জন্য। তারপর ইমনের বাসা থেকে লোক পাঠায় ইমনের বাড়ির লোকজন আমাকে পছন্দ করে নাই। তার কিছুদিন পর ইমন আমার কাছে গিয়ে পা ধরে কান্নাকাটি করে আমাকে বিয়ে করতে চায়।

পরে গত ১১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে আমি আর ইমন ঢাকা কোর্ট এ নোটারী করার মাধ্যমে বিয়ে করি। চিটাগাংরোড বাসা ভাড়া করে ৫দিন আমরা সংসার করি। তারপর বাসা আসে ইমন ২য় বিয়ে করে। আমি আজ এখানে আসছি স্বামীর অধিকার আদায় করার জন্য। আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ওই তরুনীকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। সামাজিক ভাবে একটা ব্যবস্থা নেওয়া কথা বলা হয়ছে। থানায় এখনও কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।