ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

ইরান পরমাণু চুক্তি না করলে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলোচনায় না এলে আরও ভয়াবহ সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করেন ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তিতে পৌঁছাবে, যেখানে পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রসঙ্গে ট্রাম্প স্মরণ করিয়ে দেন। গত জুনে সামরিক হামলা হয়েছিল তা মনে করিয়ে দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পরবর্তী হামলা হলে তা আরও ভয়াবহ হবে এবং এমন পরিস্থিতি আবার সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি আরও জানিয়েছেন, একটি মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা আলি শামখানি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইরান যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনও আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিক ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান সবসময়ই একটি ন্যায্য, সমতাভিত্তিক ও পারস্পরিক লাভজনক পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী। এ ধরনের চুক্তিতে কোনও হুমকি বা চাপ থাকবে না, শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তিতে ইরানের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না।

আরাঘচি আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি এবং আলোচনার জন্য কোনও অনুরোধও জানাননি।

উল্লেখ্য, একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এখনও সামরিক হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে ইরানের দুর্বল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে চুক্তির জন্য চাপ দেওয়াকেই যুক্তরাষ্ট্র সুবিধাজনক মনে করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

ইরান পরমাণু চুক্তি না করলে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলোচনায় না এলে আরও ভয়াবহ সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করেন ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তিতে পৌঁছাবে, যেখানে পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রসঙ্গে ট্রাম্প স্মরণ করিয়ে দেন। গত জুনে সামরিক হামলা হয়েছিল তা মনে করিয়ে দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পরবর্তী হামলা হলে তা আরও ভয়াবহ হবে এবং এমন পরিস্থিতি আবার সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি আরও জানিয়েছেন, একটি মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা আলি শামখানি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইরান যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনও আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিক ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান সবসময়ই একটি ন্যায্য, সমতাভিত্তিক ও পারস্পরিক লাভজনক পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী। এ ধরনের চুক্তিতে কোনও হুমকি বা চাপ থাকবে না, শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তিতে ইরানের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না।

আরাঘচি আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি এবং আলোচনার জন্য কোনও অনুরোধও জানাননি।

উল্লেখ্য, একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এখনও সামরিক হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে ইরানের দুর্বল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে চুক্তির জন্য চাপ দেওয়াকেই যুক্তরাষ্ট্র সুবিধাজনক মনে করছে।