নারায়ণগঞ্জ নগরীর চাষাঢ়া ও হাজীগঞ্জের এম সার্কেস এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ছয়জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। গত শুক্রবার (২২ মে) তাদের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ তারেক আল মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন: হাজীগঞ্জের এম সার্কেস এলাকার মোহাম্মদ তৈয়ব আলী সর্দারের ছেলে মনির হোসেন (৪৮), হাজীগঞ্জ এলাকার মৃত মনু বেপারীর ছেলে বজলু (৪৫), শরীয়তপুরের সখিপুর থানার ছামেদ গাজীর ছেলে আফজাল মিস্ত্রী (৪৫), চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার আদুরভিটি এলাকার সিরাজুল দর্জির ছেলে মেহেদী দর্জি (৩৪), চাঁদপুর মতলব থানার সিকিরচর এলাকার মৃত বাবুল প্রধানের ছেলে খোরশেদ আলম অপু (৩৬) ও একই এলাকার মৃত আহম্মেদ আলীর ছেলে সোহেল সরকার (৩৫)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে সবাইকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে চাষাঢ়ার ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্টে’ যুবলীগ-ছাত্রলীগের গোপন সভা পরিচালনার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন ছাত্রশিবির ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা। পরে সেখানে সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেন। ওই তিনজনকে পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানোর কথা জানালো পুলিশ। এছাড়াও, আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে চাষাঢ়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আজমেরী ওসমানের অনুসারী যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। তারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ আরও জানায়, মেহেদী দর্জির বিরুদ্ধে চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় দু’টি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি এবং খোরশেদ আলম অপুর বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি ও চাঁদপুরের উত্তর মতলব থানায় আরেকটি মামলা রয়েছে।










