ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

মডেল মন্দির হবে ধর্মীয় সম্প্রীতির নজির: প্রশাসক সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, বিএনপি সরকার ধর্মীয় সম্প্রতি বজায় রাখার যে চেষ্টা করছে তারই নজির হিসেবে নগরীতে একটি মডেল মন্দির নির্মাণ করা হবে। এ মন্দিরটি ধর্মীয় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই ডিজাইন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে নগরভবনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মডেল মন্দিরটি শহরের দেওভোগ এলাকার আখড়ায় নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়ে সিটি প্রশাসক বলেন, “আমরা আখড়ায় যে মডেল মন্দিরটি করব, সেই মন্দিরের জন্য ওনারা আজকে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। নারায়ণগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের যারা নেতৃত্ব দেন তারা এসেছেন, মন্দির কমিটির লোকজনও আছে।”

তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নেওয়া সিদ্ধান্তের কথাও জানান সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “এটা ধর্মীয় বিষয়, সেহেতু এই মন্দির কমিটি যেভাবে পরিচালনা করবে, সেভাবেই হবে। আমরা শুধু বিল্ডিংটা করে দিব। এর মধ্যে কোনো তদারকি বা মালিকানা সিটি কর্পোরেশনের কোনো নামের বিষয় না। তাদের পূর্বে ওই মন্দিরের যে নাম আছে, সেই নামেই থাকবে এবং উনারা যে ডিজাইন দিবেন, সেই ডিজাইনেই আমরা করে দিবো; যাতে তারা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম চর্চা করতে পারেন।”

সকল ধর্মের মধ্যে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, “এই দেশ একটা ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। বর্তমানে তারেক রহমানের সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য যে চেষ্টা করছে, সেটার নজির হিসেবে আমরা এই মন্দিরটি তুলে ধরতে চাই। আমরা আশা করি, হিন্দু সম্প্রদায় যারা আছে, তারা নির্বিঘ্নে তাদের ধর্ম চর্চা করতে পারবেন।”

“এখানে হিন্দু সম্প্রদায়কে সরকারের পক্ষ থেকে, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে যে কাজটা করে দেওয়া হচ্ছে, এটা কিন্তু বাংলাদেশে একটা উদাহরণ হিসেবে থাকবে,” যোগ করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাধুনাগ মহাশয় মন্দির কমিটির সভাপতি ননী গোপাল সাহা, বলদেব জিউর আখড়া মন্দিরের উপদেষ্টা শংকর সাহা, সভাপতি জয় কে রায় চৌধুরী, গোপাল জিউর মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা, দেওভোগের গৌর নিতাই মন্দিরের সভাপতি সুমিত কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র পাল।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

মডেল মন্দির হবে ধর্মীয় সম্প্রীতির নজির: প্রশাসক সাখাওয়াত

আপডেট সময় ০২:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, বিএনপি সরকার ধর্মীয় সম্প্রতি বজায় রাখার যে চেষ্টা করছে তারই নজির হিসেবে নগরীতে একটি মডেল মন্দির নির্মাণ করা হবে। এ মন্দিরটি ধর্মীয় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই ডিজাইন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে নগরভবনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মডেল মন্দিরটি শহরের দেওভোগ এলাকার আখড়ায় নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়ে সিটি প্রশাসক বলেন, “আমরা আখড়ায় যে মডেল মন্দিরটি করব, সেই মন্দিরের জন্য ওনারা আজকে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। নারায়ণগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের যারা নেতৃত্ব দেন তারা এসেছেন, মন্দির কমিটির লোকজনও আছে।”

তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নেওয়া সিদ্ধান্তের কথাও জানান সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “এটা ধর্মীয় বিষয়, সেহেতু এই মন্দির কমিটি যেভাবে পরিচালনা করবে, সেভাবেই হবে। আমরা শুধু বিল্ডিংটা করে দিব। এর মধ্যে কোনো তদারকি বা মালিকানা সিটি কর্পোরেশনের কোনো নামের বিষয় না। তাদের পূর্বে ওই মন্দিরের যে নাম আছে, সেই নামেই থাকবে এবং উনারা যে ডিজাইন দিবেন, সেই ডিজাইনেই আমরা করে দিবো; যাতে তারা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম চর্চা করতে পারেন।”

সকল ধর্মের মধ্যে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, “এই দেশ একটা ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। বর্তমানে তারেক রহমানের সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য যে চেষ্টা করছে, সেটার নজির হিসেবে আমরা এই মন্দিরটি তুলে ধরতে চাই। আমরা আশা করি, হিন্দু সম্প্রদায় যারা আছে, তারা নির্বিঘ্নে তাদের ধর্ম চর্চা করতে পারবেন।”

“এখানে হিন্দু সম্প্রদায়কে সরকারের পক্ষ থেকে, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে যে কাজটা করে দেওয়া হচ্ছে, এটা কিন্তু বাংলাদেশে একটা উদাহরণ হিসেবে থাকবে,” যোগ করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাধুনাগ মহাশয় মন্দির কমিটির সভাপতি ননী গোপাল সাহা, বলদেব জিউর আখড়া মন্দিরের উপদেষ্টা শংকর সাহা, সভাপতি জয় কে রায় চৌধুরী, গোপাল জিউর মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা, দেওভোগের গৌর নিতাই মন্দিরের সভাপতি সুমিত কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র পাল।