ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

ট্যাংকলরী মালিক সমিতিতে ‘আ.লীগ ঘেঁষা’ রাশেদকে বয়কটের ডাক, বিএনপির ত্যাগীদের মূল্যায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক সভাপতি রাশেদ আহমেদকে পুনরায় এই পদে কোনোভাবেই মেনে নিতে চান না স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন করতে হবে।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের সাথে বিশেষ সখ্যতা ও তাদের সরাসরি সমর্থনে রাশেদ আহমেদ বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদটি বাগিয়ে নেন। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে তিনি এই পদে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও রাজত্ব করেছেন। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও তিনি পুনরায় সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, রাশেদ আহমেদ স্বৈরাচারী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অতীতে পুলিশ হত্যা মামলাও রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার ভাই সজীব ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন’ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা যেখানে বিএনপির দুঃসময়ে নির্যাতিত হয়েছি, সেখানে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী লীগ ঘেঁষা এবং মামলার আসামিদের হাতে ট্যাংক লরি মালিক সমিতির মতো একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নেতৃত্ব কোনোভাবেই তুলে দেওয়া ঠিক হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত বিএনপি নেতাদের অবমূল্যায়ন করে স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।”
ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে স্বৈরাচারের প্রভাবমুক্ত করতে এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে বিএনপির মধ্য থেকে যোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার জন্য দলের নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

ট্যাংকলরী মালিক সমিতিতে ‘আ.লীগ ঘেঁষা’ রাশেদকে বয়কটের ডাক, বিএনপির ত্যাগীদের মূল্যায়নের দাবি

আপডেট সময় ১২:৪৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক সভাপতি রাশেদ আহমেদকে পুনরায় এই পদে কোনোভাবেই মেনে নিতে চান না স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন করতে হবে।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের সাথে বিশেষ সখ্যতা ও তাদের সরাসরি সমর্থনে রাশেদ আহমেদ বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদটি বাগিয়ে নেন। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে তিনি এই পদে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও রাজত্ব করেছেন। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও তিনি পুনরায় সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, রাশেদ আহমেদ স্বৈরাচারী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অতীতে পুলিশ হত্যা মামলাও রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার ভাই সজীব ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন’ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা যেখানে বিএনপির দুঃসময়ে নির্যাতিত হয়েছি, সেখানে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী লীগ ঘেঁষা এবং মামলার আসামিদের হাতে ট্যাংক লরি মালিক সমিতির মতো একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নেতৃত্ব কোনোভাবেই তুলে দেওয়া ঠিক হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত বিএনপি নেতাদের অবমূল্যায়ন করে স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।”
ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে স্বৈরাচারের প্রভাবমুক্ত করতে এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে বিএনপির মধ্য থেকে যোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার জন্য দলের নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।