ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

ট্যাংকলরী মালিক সমিতিতে ‘আ.লীগ ঘেঁষা’ রাশেদকে বয়কটের ডাক, বিএনপির ত্যাগীদের মূল্যায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক সভাপতি রাশেদ আহমেদকে পুনরায় এই পদে কোনোভাবেই মেনে নিতে চান না স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন করতে হবে।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের সাথে বিশেষ সখ্যতা ও তাদের সরাসরি সমর্থনে রাশেদ আহমেদ বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদটি বাগিয়ে নেন। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে তিনি এই পদে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও রাজত্ব করেছেন। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও তিনি পুনরায় সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, রাশেদ আহমেদ স্বৈরাচারী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অতীতে পুলিশ হত্যা মামলাও রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার ভাই সজীব ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন’ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা যেখানে বিএনপির দুঃসময়ে নির্যাতিত হয়েছি, সেখানে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী লীগ ঘেঁষা এবং মামলার আসামিদের হাতে ট্যাংক লরি মালিক সমিতির মতো একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নেতৃত্ব কোনোভাবেই তুলে দেওয়া ঠিক হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত বিএনপি নেতাদের অবমূল্যায়ন করে স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।”
ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে স্বৈরাচারের প্রভাবমুক্ত করতে এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে বিএনপির মধ্য থেকে যোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার জন্য দলের নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

ট্যাংকলরী মালিক সমিতিতে ‘আ.লীগ ঘেঁষা’ রাশেদকে বয়কটের ডাক, বিএনপির ত্যাগীদের মূল্যায়নের দাবি

আপডেট সময় ১২:৪৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক সভাপতি রাশেদ আহমেদকে পুনরায় এই পদে কোনোভাবেই মেনে নিতে চান না স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন করতে হবে।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের সাথে বিশেষ সখ্যতা ও তাদের সরাসরি সমর্থনে রাশেদ আহমেদ বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদটি বাগিয়ে নেন। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে তিনি এই পদে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও রাজত্ব করেছেন। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও তিনি পুনরায় সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, রাশেদ আহমেদ স্বৈরাচারী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অতীতে পুলিশ হত্যা মামলাও রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার ভাই সজীব ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন’ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা যেখানে বিএনপির দুঃসময়ে নির্যাতিত হয়েছি, সেখানে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী লীগ ঘেঁষা এবং মামলার আসামিদের হাতে ট্যাংক লরি মালিক সমিতির মতো একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নেতৃত্ব কোনোভাবেই তুলে দেওয়া ঠিক হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত বিএনপি নেতাদের অবমূল্যায়ন করে স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।”
ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে স্বৈরাচারের প্রভাবমুক্ত করতে এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে বিএনপির মধ্য থেকে যোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার জন্য দলের নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।