ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

সাপের উপদ্রব বাড়ে কেন?

????? ?????? ???? ????

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সাপের উপর ব্যাপক গবেষণা হয়নি। তবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোঃ আবু সাইদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান গবেষণায় দেখেছেন, দেশে ১১৭ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে বিষধর সাপ ৩৪ প্রজাতির, বাকি ৮৩ প্রজাতি অবিষধর।

বাংলাদেশে মূলত কোবরা, গোখরা এবং কেউটে প্রজাতির সাপের দংশনে মানুষের মৃত্যু বেশি হয়। গোখরো সাপ দু প্রকার। পদ্ম গোখরা এবং খইয়া গোখরা। বাংলাদেশে ৫টি প্রজাতি ক্রেইট বা কেউটে সাপ পাওয়া যায়। এই ক্রেইট জাতের সাপকে স্থানীয়ভাবে কেউটেও বলা হয়। আমাদের দেশে ক্রেইট সাপ পাচ প্রজাতির যেগুলো দেওয়া যায় তা হলো, কমন ক্রেইট, ওয়ালস ক্রেইট, গেটার ব্লাক ক্রেইট, ব্যানডেট ক্রেইট বা শঙ্খিনী, লেসার ব্লাক ক্রেইট। এগুলোর মধ্যে মানুষ সাধারণত ব্যানডেট ক্রেইট বা শঙ্খিনী প্র্রজাতির সাপ বেশি চিনে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

সাপের উপদ্রব বাড়ে কেন?

আপডেট সময় ১১:১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সাপের উপর ব্যাপক গবেষণা হয়নি। তবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোঃ আবু সাইদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান গবেষণায় দেখেছেন, দেশে ১১৭ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে বিষধর সাপ ৩৪ প্রজাতির, বাকি ৮৩ প্রজাতি অবিষধর।

বাংলাদেশে মূলত কোবরা, গোখরা এবং কেউটে প্রজাতির সাপের দংশনে মানুষের মৃত্যু বেশি হয়। গোখরো সাপ দু প্রকার। পদ্ম গোখরা এবং খইয়া গোখরা। বাংলাদেশে ৫টি প্রজাতি ক্রেইট বা কেউটে সাপ পাওয়া যায়। এই ক্রেইট জাতের সাপকে স্থানীয়ভাবে কেউটেও বলা হয়। আমাদের দেশে ক্রেইট সাপ পাচ প্রজাতির যেগুলো দেওয়া যায় তা হলো, কমন ক্রেইট, ওয়ালস ক্রেইট, গেটার ব্লাক ক্রেইট, ব্যানডেট ক্রেইট বা শঙ্খিনী, লেসার ব্লাক ক্রেইট। এগুলোর মধ্যে মানুষ সাধারণত ব্যানডেট ক্রেইট বা শঙ্খিনী প্র্রজাতির সাপ বেশি চিনে।