ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

নারায়ণগঞ্জে ১৫ জনকে ক্রসফায়ারের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি

গত ১৬ বছরে সারাদেশে ২ হাজার ২৭৬ জনকে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগ এনেছে বিএনপি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ১৫ জনকে ক্রসফায়ারের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে অভিযোগটি দায়ের করেন দলটির মামলা, গুম,খুন তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা মো. সালাহউদ্দিন খান পিপিএম। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী নুরুল ইসলাম জাহিদ।

এছাড়া ১৫৩ জনকে গুমের অভিযোগের আরেকটি অভিযোগও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে দাখিল করেছে বিএনপি।

এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

দাখিল করা অভিযোগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অবৈধ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ও কিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের অপহরণপূর্বক নির্যাতন করে, গুম করে দিনের পর দিন রেখে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করে।

২০০৭ সালে তৎকালীন সাময়িক প্রধান মঈন ইউ আহমেদ, গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায়, কিছু পুলিশ বাহিনীর সদস্য, আনসার ও বিজিবির সহায়তায় ২০০৮ সালে শেখ হাসিনাকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আনে।

পুনরায় ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান ও আর সন্ত্রাসী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচন করে।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের প্রচার চলাকালে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধীদলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর মিথ্যা গায়েবি বানোয়াট মামলা,গ্রেপ্তার, প্রচারে বাধাদান, অপহরণ, গুরুতর আঘাত, অপহরণপূর্বক গুম, খুন এবং কেন্দ্রের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এমনকি ভোটের আগের দিন রাতেই আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাচন সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার দ্বারা ভোট কেটে ব্যালট বক্স ভরে রাখে।

একই পদ্ধতিতে গত বছরের ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন করে এবং নির্বাচন চলাকালীন সময় জুলুম, নির্যাতন, হত্যা, গুম, অপহরণ ও মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়ে হাজার হাজার নেতা কর্মীদের জেল হাজতে পাঠায়। বিএনপিকে ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করার জন্য এবং দল থেকে লোকজন বিচ্ছিন্ন করার জন্যই ক্রসফায়ারের নামে জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায়।

ক্রসফায়ারের নামে এই হত্যাকাণ্ডে মোট ২ হাজার ২৭৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই জঘন্য কর্মকাণ্ডে ও মিথ্যা বানোয়াট পরিকল্পনা সৃষ্টি করে ক্রসফায়ারের নামে ২২৭৬ জনদের হত্যার ন্যায়বিচার করা লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে জোর দাবি করছি।

 

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জে ১৫ জনকে ক্রসফায়ারের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি

আপডেট সময় ০৮:৪৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

গত ১৬ বছরে সারাদেশে ২ হাজার ২৭৬ জনকে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগ এনেছে বিএনপি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ১৫ জনকে ক্রসফায়ারের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে অভিযোগটি দায়ের করেন দলটির মামলা, গুম,খুন তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা মো. সালাহউদ্দিন খান পিপিএম। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী নুরুল ইসলাম জাহিদ।

এছাড়া ১৫৩ জনকে গুমের অভিযোগের আরেকটি অভিযোগও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে দাখিল করেছে বিএনপি।

এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

দাখিল করা অভিযোগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অবৈধ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ও কিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের অপহরণপূর্বক নির্যাতন করে, গুম করে দিনের পর দিন রেখে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করে।

২০০৭ সালে তৎকালীন সাময়িক প্রধান মঈন ইউ আহমেদ, গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায়, কিছু পুলিশ বাহিনীর সদস্য, আনসার ও বিজিবির সহায়তায় ২০০৮ সালে শেখ হাসিনাকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আনে।

পুনরায় ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান ও আর সন্ত্রাসী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচন করে।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের প্রচার চলাকালে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধীদলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর মিথ্যা গায়েবি বানোয়াট মামলা,গ্রেপ্তার, প্রচারে বাধাদান, অপহরণ, গুরুতর আঘাত, অপহরণপূর্বক গুম, খুন এবং কেন্দ্রের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এমনকি ভোটের আগের দিন রাতেই আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাচন সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার দ্বারা ভোট কেটে ব্যালট বক্স ভরে রাখে।

একই পদ্ধতিতে গত বছরের ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন করে এবং নির্বাচন চলাকালীন সময় জুলুম, নির্যাতন, হত্যা, গুম, অপহরণ ও মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়ে হাজার হাজার নেতা কর্মীদের জেল হাজতে পাঠায়। বিএনপিকে ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করার জন্য এবং দল থেকে লোকজন বিচ্ছিন্ন করার জন্যই ক্রসফায়ারের নামে জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায়।

ক্রসফায়ারের নামে এই হত্যাকাণ্ডে মোট ২ হাজার ২৭৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই জঘন্য কর্মকাণ্ডে ও মিথ্যা বানোয়াট পরিকল্পনা সৃষ্টি করে ক্রসফায়ারের নামে ২২৭৬ জনদের হত্যার ন্যায়বিচার করা লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে জোর দাবি করছি।