ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

শরীয়তপুরে ২০০ বছরের পুরোনো মাছের মেলা

প্রতিবারের ন্যায় এবারও শরীয়তপুরে ঐতিহ্যবাহী ২০০ বছরের পুরোনো মাছের মেলা বসেছে। মেলা উপলক্ষে জেলার মধ্যপাড়া, চটাং, চরসোনামুখী, রুদ্রকর, শুবচনীসহ কয়েকটি এলাকার অন্তত হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।

স্থানীয়ভাবে মেলার নাম ‘জোড় মাছের মেলা’। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সদর উপজেলার মনোহর বাজারের কালিমন্দির মাঠে এ মেলা হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্তত ২০০ বছর আগে থেকে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পৌষ সংক্রান্তির শেষ ও পহেলা মাঘ উপলক্ষে এই মেলা বসে। এসময় ক্রেতারা মেলা থেকে ইলিশ মাছ আর বেগুন নিয়ে বাড়ি ফেরেন। ইলিশের পাশাপাশি বিক্রি হয় নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এছাড়া মাঠে বসে অস্থায়ী খাবারের দোকান। বছরজুড়ে এ দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকেন এখানকার স্থানীয় হিন্দু ধর্মের মানুষের পাশাপাশি মুসলিমরাও। মেলাকে ঘিরে ছোটদের আগ্রহ থাকে বেশি। বড়দের সঙ্গে মেলায় গিয়ে মিষ্টি খাওয়ার পাশাপাশি বেলুন আর খেলনা হাতে বাঁশিতে ফুঁ দিতে দিতে খুশি মনে বাড়ি ফেরে তারা। মেলাটিকে ঘিরে হিন্দু-মুসলিমের এক মেলবন্ধন ঘটে।

মেলায় আসা স্থানীয় মাছ বিক্রেতা মধ্যপাড়া এলাকার গোপাল দাস বলেন, মেলাটি তার বাপ-দাদারাও দেখেছেন। আমরা একে জোড় মাছের মেলা বলি। এই মেলায় হিন্দু-মুসলিম সবাই আসে, আর ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শুভঙ্কর সাহা বলেন, মেলাটি আমাদের সবার। হিন্দু-মুসলিম সবাই আমরা মেলা উপলক্ষে একত্রিত হই। সবাই ইলিশ মাছ কিনে বাড়ি ফেরে। এক কথায় এটি আমাদের একটি উৎসবের মতো হয়।

মেলার আয়োজক কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান মোল্লা বলেন, হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির বন্ধনের মেলাটি যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে করার চিন্তা রয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে মেলা আয়োজন করে থাকবো।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

শরীয়তপুরে ২০০ বছরের পুরোনো মাছের মেলা

আপডেট সময় ১১:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

প্রতিবারের ন্যায় এবারও শরীয়তপুরে ঐতিহ্যবাহী ২০০ বছরের পুরোনো মাছের মেলা বসেছে। মেলা উপলক্ষে জেলার মধ্যপাড়া, চটাং, চরসোনামুখী, রুদ্রকর, শুবচনীসহ কয়েকটি এলাকার অন্তত হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।

স্থানীয়ভাবে মেলার নাম ‘জোড় মাছের মেলা’। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সদর উপজেলার মনোহর বাজারের কালিমন্দির মাঠে এ মেলা হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্তত ২০০ বছর আগে থেকে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পৌষ সংক্রান্তির শেষ ও পহেলা মাঘ উপলক্ষে এই মেলা বসে। এসময় ক্রেতারা মেলা থেকে ইলিশ মাছ আর বেগুন নিয়ে বাড়ি ফেরেন। ইলিশের পাশাপাশি বিক্রি হয় নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এছাড়া মাঠে বসে অস্থায়ী খাবারের দোকান। বছরজুড়ে এ দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকেন এখানকার স্থানীয় হিন্দু ধর্মের মানুষের পাশাপাশি মুসলিমরাও। মেলাকে ঘিরে ছোটদের আগ্রহ থাকে বেশি। বড়দের সঙ্গে মেলায় গিয়ে মিষ্টি খাওয়ার পাশাপাশি বেলুন আর খেলনা হাতে বাঁশিতে ফুঁ দিতে দিতে খুশি মনে বাড়ি ফেরে তারা। মেলাটিকে ঘিরে হিন্দু-মুসলিমের এক মেলবন্ধন ঘটে।

মেলায় আসা স্থানীয় মাছ বিক্রেতা মধ্যপাড়া এলাকার গোপাল দাস বলেন, মেলাটি তার বাপ-দাদারাও দেখেছেন। আমরা একে জোড় মাছের মেলা বলি। এই মেলায় হিন্দু-মুসলিম সবাই আসে, আর ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শুভঙ্কর সাহা বলেন, মেলাটি আমাদের সবার। হিন্দু-মুসলিম সবাই আমরা মেলা উপলক্ষে একত্রিত হই। সবাই ইলিশ মাছ কিনে বাড়ি ফেরে। এক কথায় এটি আমাদের একটি উৎসবের মতো হয়।

মেলার আয়োজক কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান মোল্লা বলেন, হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির বন্ধনের মেলাটি যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে করার চিন্তা রয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে মেলা আয়োজন করে থাকবো।