ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

ইংলিসের ব্যাটে ইংল্যান্ডকে রেকর্ড গড়ে হারাল অস্ট্রেলিয়া

মাথার ওপর ছিল রেকর্ড রান তাড়ার চাপ। তার ওপর ১৩৬ রানে নেই হয়ে গিয়েছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে ৩৫২ রান তাড়া করতে হলে কেউ একজনকে অতিমানব হিসেবে আবির্ভূত হতে হতো। সেটা জশ ইংলিসই হলেন। তার অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ইংল্যান্ডের গড়া রানের এভারেস্ট ১৫ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই তাড়া করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ৫০ ওভারে ৩৫১ রান তোলে। ইংলিশ ব্যাটার বেন ডাকেট খেলেন অসাধারণ এক ইনিংস। ১৬৫ রান করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েন তিনি। তার আগে রেকর্ডটি ছিল ন্যাথান অ্যাস্টল ও গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের, যারা ১৪৫ রান করে যৌথভাবে এই শীর্ষস্থানে ছিলেন। শেষ দিকে জফরা আরচারের ১৫ রানের ঝড়ো ইনিংস ইংল্যান্ডকে ৩৫১ রানের এভারেস্টে পৌঁছে দেয়।

এভারেস্টই, কারণ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ৩৫০ রানের দলীয় ইনিংস আর একটাও ছিল না এ পর্যন্ত। আজ ইংল্যান্ডই সে চূড়ায় প্রথম পা রাখে। তাদের সে দম্ভ স্থায়ী হলো স্রেফ ঘণ্টা চারেক।

অজিদের রান তাড়ার শুরুটা অবশ্য তেমন কিছুর আভাস দিচ্ছিল না। এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। জফরা আরচারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ফিরে যান ওপেনার ট্র্যাভিস হেড। এরপর স্টিভেন স্মিথও বেশি সময় টিকতে পারেননি, বেন ডাকেটের দারুণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন তিনি। লাবুশেন ও ম্যাথিউ শর্ট চেষ্টা করলেও ইংলিশ স্পিনারদের চাপের মুখে উইকেট হারান লাবুশেন। শর্টও বিদায় নিলে ১৩৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদের মহাসমুদ্রেই পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে টেনে তোলেন অ্যালেক্স ক্যারি এবং জশ ইংলিস। পঞ্চম উইকেটে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের স্বপ্ন দেখান তারা। ক্যারি ৬৩ বলে ৬৯ রান করে ফিরলেও, তখনও ইনিংসের হাল ধরে রেখেছিলেন ইংলিস। তবে ফেরার আগে ক্যারি গুরুত্বপূর্ণ অবদানই রেখে গেছেন অজি ইনিংসে।

ক্যারিকে হারালেও ইংলিস মনোবল হারাননি। জফরা আরচারকে বিশাল ছক্কা মেরে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার এবং ৪টি ছক্কা। সেই একই স্টাইলিশ ছক্কা মেরেই দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিস।

ইংল্যান্ডের জন্য হতাশার বিষয় ছিল ফিল্ডিংয়ের সময় সহজ ক্যাচ ফেলে দেওয়া। বিশেষ করে জফরা আরচার ক্যারির সহজ ক্যাচ মিস করে বসেন, যখন ক্যারির ফিফটিও হয়নি! সেই মুহূর্তের পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। ৫ উইকেটের জয় নিয়ে তবেই মাঠ ছাড়ে।

এই ম্যাচের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ডও গড়ল অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের ৩৫১ রানের দলীয় রেকর্ড ভেঙে ৩৫৬ রান করে তারা নিজেদের নাম লেখাল ইতিহাসের পাতায় ।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

ইংলিসের ব্যাটে ইংল্যান্ডকে রেকর্ড গড়ে হারাল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ১১:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মাথার ওপর ছিল রেকর্ড রান তাড়ার চাপ। তার ওপর ১৩৬ রানে নেই হয়ে গিয়েছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে ৩৫২ রান তাড়া করতে হলে কেউ একজনকে অতিমানব হিসেবে আবির্ভূত হতে হতো। সেটা জশ ইংলিসই হলেন। তার অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ইংল্যান্ডের গড়া রানের এভারেস্ট ১৫ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই তাড়া করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ৫০ ওভারে ৩৫১ রান তোলে। ইংলিশ ব্যাটার বেন ডাকেট খেলেন অসাধারণ এক ইনিংস। ১৬৫ রান করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েন তিনি। তার আগে রেকর্ডটি ছিল ন্যাথান অ্যাস্টল ও গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের, যারা ১৪৫ রান করে যৌথভাবে এই শীর্ষস্থানে ছিলেন। শেষ দিকে জফরা আরচারের ১৫ রানের ঝড়ো ইনিংস ইংল্যান্ডকে ৩৫১ রানের এভারেস্টে পৌঁছে দেয়।

এভারেস্টই, কারণ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ৩৫০ রানের দলীয় ইনিংস আর একটাও ছিল না এ পর্যন্ত। আজ ইংল্যান্ডই সে চূড়ায় প্রথম পা রাখে। তাদের সে দম্ভ স্থায়ী হলো স্রেফ ঘণ্টা চারেক।

অজিদের রান তাড়ার শুরুটা অবশ্য তেমন কিছুর আভাস দিচ্ছিল না। এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। জফরা আরচারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ফিরে যান ওপেনার ট্র্যাভিস হেড। এরপর স্টিভেন স্মিথও বেশি সময় টিকতে পারেননি, বেন ডাকেটের দারুণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন তিনি। লাবুশেন ও ম্যাথিউ শর্ট চেষ্টা করলেও ইংলিশ স্পিনারদের চাপের মুখে উইকেট হারান লাবুশেন। শর্টও বিদায় নিলে ১৩৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদের মহাসমুদ্রেই পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে টেনে তোলেন অ্যালেক্স ক্যারি এবং জশ ইংলিস। পঞ্চম উইকেটে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের স্বপ্ন দেখান তারা। ক্যারি ৬৩ বলে ৬৯ রান করে ফিরলেও, তখনও ইনিংসের হাল ধরে রেখেছিলেন ইংলিস। তবে ফেরার আগে ক্যারি গুরুত্বপূর্ণ অবদানই রেখে গেছেন অজি ইনিংসে।

ক্যারিকে হারালেও ইংলিস মনোবল হারাননি। জফরা আরচারকে বিশাল ছক্কা মেরে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার এবং ৪টি ছক্কা। সেই একই স্টাইলিশ ছক্কা মেরেই দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিস।

ইংল্যান্ডের জন্য হতাশার বিষয় ছিল ফিল্ডিংয়ের সময় সহজ ক্যাচ ফেলে দেওয়া। বিশেষ করে জফরা আরচার ক্যারির সহজ ক্যাচ মিস করে বসেন, যখন ক্যারির ফিফটিও হয়নি! সেই মুহূর্তের পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। ৫ উইকেটের জয় নিয়ে তবেই মাঠ ছাড়ে।

এই ম্যাচের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ডও গড়ল অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের ৩৫১ রানের দলীয় রেকর্ড ভেঙে ৩৫৬ রান করে তারা নিজেদের নাম লেখাল ইতিহাসের পাতায় ।