ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে কালামের সাথে সাখাওয়াত-বাবুলের মনোনয়নপত্র জমা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির একাধিক নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবিরের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে মোট ছয়জন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তারা হলেন—মাসুদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসূফ খান টিপু এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল।

এ আসনে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদকে। তবে নিরাপত্তাসহ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি ১৬ ডিসেম্বর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে নেতা-কর্মীদের চাপের মুখে তিনি আবার নির্বাচনে ফিরে আসেন।

এদিকে, গত ১৯ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দাবি করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। সে সময় তিনি জানান, দলীয় কার্যালয়ে ডেকে তাকে আসনটিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ ডিসেম্বর দলীয় মনোনয়ন ফরমের কাগজ দেখিয়ে সাবেক তিন বারের সংসদ সদস্য আবুল কালাম দাবি করেন, এ আসনে তিনিই দলীয় মনোনীত প্রার্থী।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসূফ খান টিপুও এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয়ভাবে মাসুদুজ্জামানের নাম ঘোষণা হলে প্রথমদিকে তিনি বিরোধিতা করলেও পরে মাসুদুজ্জামানকে তারেক রহমানের প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে তার পক্ষে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। মাসুদুজ্জামান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলে তাকে নির্বাচনে ফেরাতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একযোগে কাজ করেন টিপু।

অন্যদিকে, বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল নিজে উপস্থিত না থেকে তার অনুসারীদের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যদিও এর আগে তিনি প্রকাশ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালামকে সমর্থন জানান।

যদিও আগামী ২১ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে একাধিক দাবিদার ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে দলটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। বিএনপির প্রার্থী—তা নিয়ে নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মধ্যে রয়েছে অনিশ্চয়তা। এখন দেখার বিষয় কিভাবে দলীয় বিরোধ ও গ্রুপিংকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।

আপলোডকারীর তথ্য

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে কালামের সাথে সাখাওয়াত-বাবুলের মনোনয়নপত্র জমা

আপডেট সময় ০৪:২০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির একাধিক নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবিরের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে মোট ছয়জন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তারা হলেন—মাসুদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসূফ খান টিপু এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল।

এ আসনে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদকে। তবে নিরাপত্তাসহ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি ১৬ ডিসেম্বর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে নেতা-কর্মীদের চাপের মুখে তিনি আবার নির্বাচনে ফিরে আসেন।

এদিকে, গত ১৯ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দাবি করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। সে সময় তিনি জানান, দলীয় কার্যালয়ে ডেকে তাকে আসনটিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ ডিসেম্বর দলীয় মনোনয়ন ফরমের কাগজ দেখিয়ে সাবেক তিন বারের সংসদ সদস্য আবুল কালাম দাবি করেন, এ আসনে তিনিই দলীয় মনোনীত প্রার্থী।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসূফ খান টিপুও এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয়ভাবে মাসুদুজ্জামানের নাম ঘোষণা হলে প্রথমদিকে তিনি বিরোধিতা করলেও পরে মাসুদুজ্জামানকে তারেক রহমানের প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে তার পক্ষে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। মাসুদুজ্জামান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলে তাকে নির্বাচনে ফেরাতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একযোগে কাজ করেন টিপু।

অন্যদিকে, বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল নিজে উপস্থিত না থেকে তার অনুসারীদের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যদিও এর আগে তিনি প্রকাশ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালামকে সমর্থন জানান।

যদিও আগামী ২১ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে একাধিক দাবিদার ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে দলটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। বিএনপির প্রার্থী—তা নিয়ে নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মধ্যে রয়েছে অনিশ্চয়তা। এখন দেখার বিষয় কিভাবে দলীয় বিরোধ ও গ্রুপিংকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।