ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত ইমন আলীর পাশে দাঁডালেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া মোহনপুর গ্রামের চা দোকানি আব্দুল আজিজের ছেলে ইমন আলী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ভর্তি ও প্রয়োজনীয় বইপত্র, আনুষঙ্গিক সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারছিল না। বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তা দৃষ্টিগোচর হয় পুঠিয়া–দুর্গাপুর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল-এর।
খবরটি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার ছেলে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার আবু বক্কর সিদ্দিক রাজন-এর সঙ্গে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে ইমন আলীর ভর্তি ও ভবিষ্যৎ পড়াশোনার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইমন আলীর বাবা চা ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি সারাদিন চা বিক্রি করে কোনো রকমে সংসার চালাই। আমার পক্ষে ছেলেকে মেডিকেল কলেজে পড়ানোর মতো সামর্থ্য নেই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের মতো একজন মানুষকে পাঠিয়েছেন। তিনি শুধু ধানের শীষের প্রার্থী নন, তিনি একজন মানুষ গড়ার কারিগর।”
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমরা দেখে আসছি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান। তার মানবিক কর্মকান্ডে উদাহরণ দিয়ে আব্দুল আজিজ জানান, গন্ডগোলী পূর্বপাড়া এলাকার মোকসেদ আলী নামের এক ব্যক্তির পরিবারও একসময় চরম সংকটে ছিল। তখন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল তাকে দুই-তিনটি পুকুরের দায়িত্ব দেন এবং প্রায় ৮–১০ বিঘা জমি চাষের সুযোগ করে দেন। যার ফলে আজ মোকসেদ আলীর পরিবার একটি সুসংগঠিত মধ্যবিত্ত পরিবারে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত ইমন আলীর পাশে দাঁডালেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল

আপডেট সময় ১১:২৬:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া মোহনপুর গ্রামের চা দোকানি আব্দুল আজিজের ছেলে ইমন আলী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ভর্তি ও প্রয়োজনীয় বইপত্র, আনুষঙ্গিক সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারছিল না। বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তা দৃষ্টিগোচর হয় পুঠিয়া–দুর্গাপুর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল-এর।
খবরটি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার ছেলে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার আবু বক্কর সিদ্দিক রাজন-এর সঙ্গে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে ইমন আলীর ভর্তি ও ভবিষ্যৎ পড়াশোনার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইমন আলীর বাবা চা ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি সারাদিন চা বিক্রি করে কোনো রকমে সংসার চালাই। আমার পক্ষে ছেলেকে মেডিকেল কলেজে পড়ানোর মতো সামর্থ্য নেই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের মতো একজন মানুষকে পাঠিয়েছেন। তিনি শুধু ধানের শীষের প্রার্থী নন, তিনি একজন মানুষ গড়ার কারিগর।”
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমরা দেখে আসছি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান। তার মানবিক কর্মকান্ডে উদাহরণ দিয়ে আব্দুল আজিজ জানান, গন্ডগোলী পূর্বপাড়া এলাকার মোকসেদ আলী নামের এক ব্যক্তির পরিবারও একসময় চরম সংকটে ছিল। তখন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল তাকে দুই-তিনটি পুকুরের দায়িত্ব দেন এবং প্রায় ৮–১০ বিঘা জমি চাষের সুযোগ করে দেন। যার ফলে আজ মোকসেদ আলীর পরিবার একটি সুসংগঠিত মধ্যবিত্ত পরিবারে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।