ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

বিজিবিতে যোগ দিলেন ফেলানীর ভাই

বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন নবীন সৈনিক হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) যোগ দিয়েছেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ব্যাচেই আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন আরফান হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, তার জীবনের একমাত্র প্রত্যাশা আর কোনো পরিবার যেন তার বোনের মতো সন্তান হারানোর বেদনা না পায়।

কুচকাওয়াজ শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। আরফান বলেন, যেভাবে তার বোনকে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল এবং লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, সেই স্মৃতি আজও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সেই সীমান্তেরই একজন রক্ষী হয়ে তিনি শপথ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি চাই না, আমার বোনের মতো আর কোনো বোনকে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা হোক। কোনো বাবা-মা যেন এভাবে তাদের সন্তান হারান এটাই আমার অঙ্গীকার।’

তিনি আরও জানান, ফেলানী হত্যার পর থেকেই তার এবং তার মা-বাবার একটাই স্বপ্ন ছিল তিনি বিজিবিতে যোগ দেবেন। চার মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আজ তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার রামখানা–অনন্তপুর সীমান্তে কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

এ হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে সীমান্তে বেসামরিক নাগরিক হত্যার একটি প্রতীকী ঘটনায় পরিণত হয়। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে কূটনৈতিক এলাকার প্রধান সড়কের একটি অংশের নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেলানী এভিনিউ’, যা ওই ঘটনার স্মৃতিকে রাষ্ট্রীয় পরিসরে স্মরণ করার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিজিবিতে যোগ দিলেন ফেলানীর ভাই

আপডেট সময় ০৩:১৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন নবীন সৈনিক হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) যোগ দিয়েছেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ব্যাচেই আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন আরফান হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, তার জীবনের একমাত্র প্রত্যাশা আর কোনো পরিবার যেন তার বোনের মতো সন্তান হারানোর বেদনা না পায়।

কুচকাওয়াজ শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। আরফান বলেন, যেভাবে তার বোনকে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল এবং লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, সেই স্মৃতি আজও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সেই সীমান্তেরই একজন রক্ষী হয়ে তিনি শপথ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি চাই না, আমার বোনের মতো আর কোনো বোনকে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা হোক। কোনো বাবা-মা যেন এভাবে তাদের সন্তান হারান এটাই আমার অঙ্গীকার।’

তিনি আরও জানান, ফেলানী হত্যার পর থেকেই তার এবং তার মা-বাবার একটাই স্বপ্ন ছিল তিনি বিজিবিতে যোগ দেবেন। চার মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আজ তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার রামখানা–অনন্তপুর সীমান্তে কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

এ হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে সীমান্তে বেসামরিক নাগরিক হত্যার একটি প্রতীকী ঘটনায় পরিণত হয়। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে কূটনৈতিক এলাকার প্রধান সড়কের একটি অংশের নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেলানী এভিনিউ’, যা ওই ঘটনার স্মৃতিকে রাষ্ট্রীয় পরিসরে স্মরণ করার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।