ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ফুটবল প্রতীকের উপর আস্থা রাখতে চায় সদর ও বন্দরবাসী

চিপ রিপোর্টার, জি.কে. রাসেলঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসনের সকল সমীকরণেই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের আলহাজ্ব মোহাম্মদ মাকসুদ হোসেন। বিশ্বস্ত সূত্র জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার ও ফুটবল প্রতীক পাওয়ার পর থেকে মাকসুদ হোসেনের কর্মী সমর্থক ও শুভাকাঙ্খিদের মধ্যে উৎফুল্ল ভাব ও উচ্ছাস পরিলক্ষিত হয়েছে। পূর্বের চেয়ে তার অনুগামী সমর্থকরা বর্তমানে বেশ সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ রয়েছে, দিন যতো যাচ্ছে মাকসুদ চেয়ারম্যানের উপর সাধারণ ভোটারদের আস্থা ততই বাড়ছে, ভোটাররা মনে করেন, মাকসুদ হোসেন একজন দক্ষ, যোগ্য, দানশীল, জনপ্রিয়, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সম্পন্ন ও তৃণমূলের পছন্দের একজন প্রার্থী। তিনি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসবে। ভোটাররা তার প্রাপ্য মূল্যায়ণ পাবে বিশেষ করে যে কোন শ্রেণি পেশার মানুষ তার কাছে যেতে পারবে ও মন খুলে যে কোন বিষয়ে কথা বলতে পারবে। তিনি অত্যন্ত সাহসী প্রার্থী এবং যার প্রমান ইতিপূর্বে তিনি রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি কোন রক্তচক্ষুকে ভয় করেননি এবং সকল হুমকি ধমকিকে তোয়াক্কা না করে সাবেক এমপি শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান, লিয়াকত হোসেন খোকার হুমকিকে ডেমকেয়ার জানিয়ে ২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। জনগণ তার সাহসী ভূমিকাকে পজিটিভভাবে নিয়ে তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। আর তিনি পরাজিত করেন দুই হেভীওয়েট প্রার্থী এম এ রশিদ ও আতাউর রহমান মুকুলকে। তার পাশাপাশি ওসমান পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দেয়ালে বড় ধরনের ধাক্কা দেন মাকসুদ হোসেন। রিফাত নামে একজন ভোটার বলেন, ‘মাকসুদ হোসেনের সাহস, মেধা ও নেতৃত্ব সকলের জন্য অনুকরনীয়। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে মাঠে থাকতে হয়। তখনো তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি মাঠে আছেন। ঘোষণা অনুযায়ী মাঠে ছিলেন এবং জয়ী হয়ে ঘরে ফিরেছেন। তদ্রুপ এবারো এমপি প্রার্থী হয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। আমরা এমন সাহসী প্রার্থীর পাশে আছি এবং আবারো ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবো।

আরো জানা যায় যে, মাকসুদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বন্দর ও সদর অঞ্চলে একজন জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০২৪ সালের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়ণে বন্দরের নবীগঞ্জ স্ট্যান্ড থেকে মিনারবাড়ি সড়ক, ধামগড় ইউনিয়নের ইস্পাহানী বাজার থেকে চাঁন মার্কেট পর্যন্ত সড়ক এবং মিনারবাড়ি থেকে লাঙ্গলবন্দ সড়ক এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে রাস্তা, ছোট ব্রিজ, সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান, ঈদগাহ ও মন্দিরে অনুদান প্রদান, অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং খেলাধুলা ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা এসব মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের মনে গভীর স্থান করে নিয়েছেন।

এমপি প্রার্থী মাকসুদ হোসেন বলেন, “ষড়যন্ত্র করে আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিলো। তারা খালি মাঠে গোল দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহ সহায়। সকলের ভালোবাসা, দোয়া ও অকুন্ঠ সমর্থন ছিলো আমার প্রতি। প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানাচ্ছি এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একটি মহল আমার কর্মী সমর্থকদেরকে নানান ভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে, এজন্য প্রশাসন ও সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সদর ও বন্দরের সাধারণ জনগণ দলমত নির্বিশেষে সকলে আমাকে মূল্যবান ভোট দিয়ে সবার কল্যাণে কাজ করার সুযোগ দিবেন বলে আমার প্রত্যাশা।

জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করায় স্থানীয় সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম সকলে তার উপর আস্থা রাখতে চাচ্ছে এবং তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করার আশা ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ফুটবল প্রতীকের উপর আস্থা রাখতে চায় সদর ও বন্দরবাসী

আপডেট সময় ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

চিপ রিপোর্টার, জি.কে. রাসেলঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসনের সকল সমীকরণেই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের আলহাজ্ব মোহাম্মদ মাকসুদ হোসেন। বিশ্বস্ত সূত্র জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার ও ফুটবল প্রতীক পাওয়ার পর থেকে মাকসুদ হোসেনের কর্মী সমর্থক ও শুভাকাঙ্খিদের মধ্যে উৎফুল্ল ভাব ও উচ্ছাস পরিলক্ষিত হয়েছে। পূর্বের চেয়ে তার অনুগামী সমর্থকরা বর্তমানে বেশ সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ রয়েছে, দিন যতো যাচ্ছে মাকসুদ চেয়ারম্যানের উপর সাধারণ ভোটারদের আস্থা ততই বাড়ছে, ভোটাররা মনে করেন, মাকসুদ হোসেন একজন দক্ষ, যোগ্য, দানশীল, জনপ্রিয়, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সম্পন্ন ও তৃণমূলের পছন্দের একজন প্রার্থী। তিনি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসবে। ভোটাররা তার প্রাপ্য মূল্যায়ণ পাবে বিশেষ করে যে কোন শ্রেণি পেশার মানুষ তার কাছে যেতে পারবে ও মন খুলে যে কোন বিষয়ে কথা বলতে পারবে। তিনি অত্যন্ত সাহসী প্রার্থী এবং যার প্রমান ইতিপূর্বে তিনি রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি কোন রক্তচক্ষুকে ভয় করেননি এবং সকল হুমকি ধমকিকে তোয়াক্কা না করে সাবেক এমপি শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান, লিয়াকত হোসেন খোকার হুমকিকে ডেমকেয়ার জানিয়ে ২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। জনগণ তার সাহসী ভূমিকাকে পজিটিভভাবে নিয়ে তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। আর তিনি পরাজিত করেন দুই হেভীওয়েট প্রার্থী এম এ রশিদ ও আতাউর রহমান মুকুলকে। তার পাশাপাশি ওসমান পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দেয়ালে বড় ধরনের ধাক্কা দেন মাকসুদ হোসেন। রিফাত নামে একজন ভোটার বলেন, ‘মাকসুদ হোসেনের সাহস, মেধা ও নেতৃত্ব সকলের জন্য অনুকরনীয়। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে মাঠে থাকতে হয়। তখনো তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি মাঠে আছেন। ঘোষণা অনুযায়ী মাঠে ছিলেন এবং জয়ী হয়ে ঘরে ফিরেছেন। তদ্রুপ এবারো এমপি প্রার্থী হয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। আমরা এমন সাহসী প্রার্থীর পাশে আছি এবং আবারো ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবো।

আরো জানা যায় যে, মাকসুদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বন্দর ও সদর অঞ্চলে একজন জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০২৪ সালের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়ণে বন্দরের নবীগঞ্জ স্ট্যান্ড থেকে মিনারবাড়ি সড়ক, ধামগড় ইউনিয়নের ইস্পাহানী বাজার থেকে চাঁন মার্কেট পর্যন্ত সড়ক এবং মিনারবাড়ি থেকে লাঙ্গলবন্দ সড়ক এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে রাস্তা, ছোট ব্রিজ, সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান, ঈদগাহ ও মন্দিরে অনুদান প্রদান, অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং খেলাধুলা ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা এসব মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের মনে গভীর স্থান করে নিয়েছেন।

এমপি প্রার্থী মাকসুদ হোসেন বলেন, “ষড়যন্ত্র করে আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিলো। তারা খালি মাঠে গোল দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহ সহায়। সকলের ভালোবাসা, দোয়া ও অকুন্ঠ সমর্থন ছিলো আমার প্রতি। প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানাচ্ছি এবং সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একটি মহল আমার কর্মী সমর্থকদেরকে নানান ভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে, এজন্য প্রশাসন ও সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সদর ও বন্দরের সাধারণ জনগণ দলমত নির্বিশেষে সকলে আমাকে মূল্যবান ভোট দিয়ে সবার কল্যাণে কাজ করার সুযোগ দিবেন বলে আমার প্রত্যাশা।

জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করায় স্থানীয় সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম সকলে তার উপর আস্থা রাখতে চাচ্ছে এবং তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করার আশা ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।