ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

সিদ্ধিরগঞ্জে ঘুষের টাকা ফেরত ঘিরে এএসআই অবরুদ্ধ, পরে উদ্ধার|

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ঘুষ নেওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে জহিরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাকে উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২টায় নাসিক ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীবাড়ী স্ট্যান্ড সংলগ্ন চৌধুরীবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

জহিরুল ইসলাম সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে বর্তমানে ফতুল্লা মডেল থানায় কর্মরত। এর আগে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইসহাক মিয়ার বাসায় গিয়ে তাকে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ তোলেন জহিরুল ইসলাম। এ সময় তাকে একাধিক মামলার ভয় দেখিয়ে নগদ ১ লাখ টাকা এবং পরে ৩২ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি তদন্তে যায়।

ভুক্তভোগী ইসহাক মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগ দায়েরের পর জহিরুল ইসলাম একাধিকবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং দুই দফায় ৯০ হাজার টাকা ফেরত দেন। সোমবার তিনি বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি মিথ্যা বলে উপস্থাপনের প্রস্তাব দেন। এতে তারা রাজি না হলে তিনি হুমকি দিতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি জেনে তাকে অবরুদ্ধ করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযুক্ত এএসআই জহিরুল ইসলাম ফোন রিসিভ করে সংক্ষিপ্তভাবে জানান, তিনি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে আছেন এবং কলটি কেটে দেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, ঘুষের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরোধের ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তিনি আরও জানান, জহিরুল ইসলাম সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকাকালে তিনি সেখানে দায়িত্বে ছিলেন না।

অন্যদিকে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম বলেন, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে এদিনের ঘটনাটি তার জানা নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে ঘুষের টাকা ফেরত ঘিরে এএসআই অবরুদ্ধ, পরে উদ্ধার|

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ঘুষ নেওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে জহিরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাকে উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২টায় নাসিক ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীবাড়ী স্ট্যান্ড সংলগ্ন চৌধুরীবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

জহিরুল ইসলাম সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে বর্তমানে ফতুল্লা মডেল থানায় কর্মরত। এর আগে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইসহাক মিয়ার বাসায় গিয়ে তাকে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ তোলেন জহিরুল ইসলাম। এ সময় তাকে একাধিক মামলার ভয় দেখিয়ে নগদ ১ লাখ টাকা এবং পরে ৩২ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি তদন্তে যায়।

ভুক্তভোগী ইসহাক মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগ দায়েরের পর জহিরুল ইসলাম একাধিকবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং দুই দফায় ৯০ হাজার টাকা ফেরত দেন। সোমবার তিনি বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি মিথ্যা বলে উপস্থাপনের প্রস্তাব দেন। এতে তারা রাজি না হলে তিনি হুমকি দিতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি জেনে তাকে অবরুদ্ধ করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযুক্ত এএসআই জহিরুল ইসলাম ফোন রিসিভ করে সংক্ষিপ্তভাবে জানান, তিনি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে আছেন এবং কলটি কেটে দেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, ঘুষের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরোধের ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তিনি আরও জানান, জহিরুল ইসলাম সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকাকালে তিনি সেখানে দায়িত্বে ছিলেন না।

অন্যদিকে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম বলেন, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে এদিনের ঘটনাটি তার জানা নেই।