ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নওগাঁয় চার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ভাগ্নে আটক Logo নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছে: ডিসি রায়হান কবির Logo ফতুল্লায় মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু Logo অর্থ আত্মসাতের দায়ে অপসারিত চিকিৎসক মোস্তফা’কে পুনরায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে যোগদানের চেষ্টা; জনমনে ক্ষোভ Logo দেশপ্রেমের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর মোঃ মামুন হোসেন Logo সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই Logo নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন নন্দলালপুর, কুতুবপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিলের টাকা আত্মসাৎ Logo তিন মাসের ভিসার ফাঁদে সৌদি প্রবাস—দালাল চক্রের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো বাংলাদেশি। দালাল চক্র বছরের হাতিয়ে নিচ্ছে প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। Logo ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ Logo ইরানের সঙ্গে খুব বেশি ‘গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য’ নেই: ট্রাম্প

নওগাঁয় চার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ভাগ্নে আটক

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে পিটিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের ভাগনে সবুজ হোসেনকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সবুজ হোসেন নিহত হাবিবুর রহমানের ভাগনে এবং মান্দা উপজেলার পারনপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রি করার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল।

কেউ কেউ ধারণা করছেন, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে থাকতে পারে।

এ ছাড়া জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

নিহত পপির বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের ফাঁসি চাই। আমার তিন বছরের নাতনিকেও তারা ছাড়েনি।’

নিহত হাবিবুরের বাবা বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আমার মেয়ে, মেয়ে জামাই ও নাতিরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি প্রদান করে আসছিল।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সবুজ হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। নিহতদের মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় চার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ভাগ্নে আটক

নওগাঁয় চার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ভাগ্নে আটক

আপডেট সময় ০৩:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে পিটিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের ভাগনে সবুজ হোসেনকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সবুজ হোসেন নিহত হাবিবুর রহমানের ভাগনে এবং মান্দা উপজেলার পারনপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রি করার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল।

কেউ কেউ ধারণা করছেন, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে থাকতে পারে।

এ ছাড়া জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

নিহত পপির বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের ফাঁসি চাই। আমার তিন বছরের নাতনিকেও তারা ছাড়েনি।’

নিহত হাবিবুরের বাবা বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আমার মেয়ে, মেয়ে জামাই ও নাতিরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি প্রদান করে আসছিল।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সবুজ হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। নিহতদের মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।