ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন্দরে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে ডালিমকে হাবিবের ছুরিকাঘাত: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢামেকে মৃত্যু- ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মতিউর রহমান জনির বিরুদ্ধে অপপ্রচার Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা

৫২ ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ফুলেল শুভেচ্ছা

যথাযথ ভাব গম্ভীর্যে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের প্রথম প্রহরে স্মরণ করে বন্দর থানার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান’র নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম’র নেতৃত্বে বন্দর থানা প্রশাসন, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শিক্ষিকাগন, অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রথম প্রহরে ও ভোরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়েও সর্বস্তরের মানুষ স্কুল-কলেজের শহিদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিবস মানবজাতির জন্য বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার। বাংলা ভাষার জন্য বাঙালি জাতির সর্বোচ্চ আত্মদানে ৭৩ বছর আগে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যখন ভাষার দাবিতে আন্দোলন করে ঐ মিছিলের ওপর
কুখ্যাত নূরুল আমিনের পুলিশ বাহিনী ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালাচ্ছিল এবং সেই ঝাঁক ঝাঁক গুলির মুখে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার এবং নাম না জানা অনেক শহিদ ভাইয়েরা ফুলের মতো ঝরে পড়ছিল। তখন কেউ কল্পনাও করেনি যে, সেই মহান শহিদদের রক্তমাখা পথ ধরে বাঙালি জাতি একদিন হিমালয়সম বিশ্বগৌরব অর্জন করবে। ভাষা আন্দোলনের শহিদের সেই মহত্তম উৎসর্গের রক্তস্নাত পদচিহ্ন ধরে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহিদের দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে গর্বের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমাদের বাংলাদেশ। বিশ্বমানবজাতির ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে বাঙালি জাতির এটা এক অনন্য অবদান।

ইউনেসকোরও ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার করেন। তাই পুণ্যময় ২১ ফেব্রুয়ারি, মানবজাতির পুণ্যময় শুভদিন। যেদিনের পুণ্যে মানবজাতি ধন্য, সারাবিশ্বে ভাষার জন্য একমাত্র বাঙ্গালী জাতীই লড়াই করেছিল। অন্য কোন জাতি ভাষার জন্য লড়াই করেনি।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে ডালিমকে হাবিবের ছুরিকাঘাত: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢামেকে মৃত্যু- ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মতিউর রহমান জনির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

৫২ ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ফুলেল শুভেচ্ছা

আপডেট সময় ১১:১৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

যথাযথ ভাব গম্ভীর্যে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের প্রথম প্রহরে স্মরণ করে বন্দর থানার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান’র নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম’র নেতৃত্বে বন্দর থানা প্রশাসন, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শিক্ষিকাগন, অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রথম প্রহরে ও ভোরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়েও সর্বস্তরের মানুষ স্কুল-কলেজের শহিদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিবস মানবজাতির জন্য বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার। বাংলা ভাষার জন্য বাঙালি জাতির সর্বোচ্চ আত্মদানে ৭৩ বছর আগে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যখন ভাষার দাবিতে আন্দোলন করে ঐ মিছিলের ওপর
কুখ্যাত নূরুল আমিনের পুলিশ বাহিনী ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালাচ্ছিল এবং সেই ঝাঁক ঝাঁক গুলির মুখে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার এবং নাম না জানা অনেক শহিদ ভাইয়েরা ফুলের মতো ঝরে পড়ছিল। তখন কেউ কল্পনাও করেনি যে, সেই মহান শহিদদের রক্তমাখা পথ ধরে বাঙালি জাতি একদিন হিমালয়সম বিশ্বগৌরব অর্জন করবে। ভাষা আন্দোলনের শহিদের সেই মহত্তম উৎসর্গের রক্তস্নাত পদচিহ্ন ধরে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহিদের দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে গর্বের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমাদের বাংলাদেশ। বিশ্বমানবজাতির ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে বাঙালি জাতির এটা এক অনন্য অবদান।

ইউনেসকোরও ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার করেন। তাই পুণ্যময় ২১ ফেব্রুয়ারি, মানবজাতির পুণ্যময় শুভদিন। যেদিনের পুণ্যে মানবজাতি ধন্য, সারাবিশ্বে ভাষার জন্য একমাত্র বাঙ্গালী জাতীই লড়াই করেছিল। অন্য কোন জাতি ভাষার জন্য লড়াই করেনি।