ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ফটো সাংবাদিক ওয়ারদে রহমান’র পিতা মরহুম মজিবুর রহমান’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কে এই দুলাল মাদককারবারী গড -ফাদার সাধারণ জনগণ জানতে চায় Logo দক্ষ জনবলের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ডেন্টাল চিকিৎসা ‘একজন ডেন্টাল সার্জনই সব’, বাড়ছে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

সোনারগাঁয়ে ‘পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি’র নামে প্রতারণা: কথিত চেয়ারম্যান হুসাইনকে ঘিরে বিতর্কের ঝড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সোনারগাঁয়ে ‘পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি’ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ সোসাইটির কথিত সোনারগাঁ শাখার চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইনকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পোস্টে তাকে “ভন্ড চেয়ারম্যান ও নীরব চাঁদাবাজ” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। একটি পোস্টে সরাসরি লেখা হয়, সোনারগাঁয়ে এক ভন্ডার কাছে সকল নেতারা কট। হোসাইনও এক নীরব চাঁদাবাজ—গুলশানের রিয়াদ থেকে কোনো অংশে কম না।” এমন মন্তব্য ঘিরে স্থানীয় জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মোঃ হোসাইন নিজেকে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি-র সোনারগাঁ শাখার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ফ্যাক্টরি ও দপ্তরে গিয়ে চাঁদা দাবি করছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার ব্যবসায়ী ও কারখানা মালিকদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানী হিসেবেও পরিচিত। স্থানীয়রা বলছেন, “যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, হোসাইন তখনই সেই দলের ব্যানারে নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে তুলে ধরেন এবং শুরু করেন দালালি।

অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এই সংগঠনের আইনগত বৈধতা আসলে কী? আদৌ কি সোসাইটিটি সরকার অনুমোদিত, নাকি এটি কেবল একটি নামসর্বস্ব সংগঠন যার ব্যানারে প্রতারণা চালানো হচ্ছে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, একটি ব্যক্তি যদি মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে, আর প্রশাসন যদি নীরব থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে-এই নীরবতা কার স্বার্থ রক্ষায়।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিতর্কিত এই ব্যক্তির বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, একটি বিতর্কিত ব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়ে নেতারা কী বার্তা দিচ্ছেন? এর ফলে জনগণ কী শেখার বার্তা পাচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

দিঘীরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সোনারগাঁয়ে ‘পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি’র নামে প্রতারণা: কথিত চেয়ারম্যান হুসাইনকে ঘিরে বিতর্কের ঝড়

আপডেট সময় ০৭:৩৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সোনারগাঁয়ে ‘পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি’ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ সোসাইটির কথিত সোনারগাঁ শাখার চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইনকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পোস্টে তাকে “ভন্ড চেয়ারম্যান ও নীরব চাঁদাবাজ” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। একটি পোস্টে সরাসরি লেখা হয়, সোনারগাঁয়ে এক ভন্ডার কাছে সকল নেতারা কট। হোসাইনও এক নীরব চাঁদাবাজ—গুলশানের রিয়াদ থেকে কোনো অংশে কম না।” এমন মন্তব্য ঘিরে স্থানীয় জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মোঃ হোসাইন নিজেকে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি-র সোনারগাঁ শাখার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ফ্যাক্টরি ও দপ্তরে গিয়ে চাঁদা দাবি করছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার ব্যবসায়ী ও কারখানা মালিকদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানী হিসেবেও পরিচিত। স্থানীয়রা বলছেন, “যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, হোসাইন তখনই সেই দলের ব্যানারে নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে তুলে ধরেন এবং শুরু করেন দালালি।

অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এই সংগঠনের আইনগত বৈধতা আসলে কী? আদৌ কি সোসাইটিটি সরকার অনুমোদিত, নাকি এটি কেবল একটি নামসর্বস্ব সংগঠন যার ব্যানারে প্রতারণা চালানো হচ্ছে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, একটি ব্যক্তি যদি মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে, আর প্রশাসন যদি নীরব থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে-এই নীরবতা কার স্বার্থ রক্ষায়।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিতর্কিত এই ব্যক্তির বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, একটি বিতর্কিত ব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়ে নেতারা কী বার্তা দিচ্ছেন? এর ফলে জনগণ কী শেখার বার্তা পাচ্ছে।