ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ে তারকা অঙ্গনে শোক

মারা গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে। আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতারাও সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণকে একটি যুগের অবসান হিসেবে দেখছেন তারকারা। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস তার শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই চিরবিদায় মহাকালের সাক্ষী হয়ে রইলো। একজন মহীয়সী নারীর প্রস্থান এ দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিনম্র শ্রদ্ধা।

চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার বিদেহী আত্মা চিরশান্তিতে থাকুক। আমিন।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ ও চিত্রনায়িকা পূজা চেরি খালেদা জিয়ার ছবি প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

খালেদা জিয়ার একটি ছবি পোস্ট করে সংগীতশিল্পী নগরবাউল জেমস লিখেছেন, শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করেন— আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমাদের দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি; তার নেতৃত্ব ও জনসেবা বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ লিখেছেন, দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়, দীর্ঘ এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি। আল্লাহ তাকে উত্তম মর্যাদা দান করুন।

নির্মাতা আশফাক নিপুন লেখেন, আল্লাহ আপনাকে জান্নাত নসিব করুন। আপনি ছিলেন ধৈর্য, আভিজাত্য এবং হার না মানার এক অনন্য প্রতীক; এমনকি প্রতিপক্ষের অমানবিক আচরণের মুখেও আপনি দমে যাননি। এই জাতি আপনাকে সবসময় গর্বের সাথে মনে রাখবে।

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের শক্তি, ধৈর্য ও নেতৃত্বের প্রতীক। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন কিন্তু কখনো দেশ ছেড়ে যাননি, এ জন্যই তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার অবদান কখনও ভোলা সম্ভব নয়।

নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ লিখেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীকের বিদায়। বিদায় আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। নির্মাতা রেদওয়ান রনি তার শোকবার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তার আদর্শ ও নেতৃত্ব এ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে প্রভাবিত করেছে।

অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা এবং আশনা হাবিব ভাবনাও খালেদা জিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরবময় স্মৃতি স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। এছাড়া অভিনেতা আরশ খান, পিয়া জান্নাতুলসহ আরও অনেকেই শোক জানিয়েছেন।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা এই মহীয়সী নারী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন মেয়াদে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬০ সালে সেনাপ্রধান ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ফার্স্ট লেডি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রাজনীতির শীর্ষ নেতৃত্বে তার পদচারণা ছিল দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ে তারকা অঙ্গনে শোক

আপডেট সময় ০৪:২৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

মারা গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে। আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতারাও সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণকে একটি যুগের অবসান হিসেবে দেখছেন তারকারা। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস তার শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই চিরবিদায় মহাকালের সাক্ষী হয়ে রইলো। একজন মহীয়সী নারীর প্রস্থান এ দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিনম্র শ্রদ্ধা।

চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার বিদেহী আত্মা চিরশান্তিতে থাকুক। আমিন।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ ও চিত্রনায়িকা পূজা চেরি খালেদা জিয়ার ছবি প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

খালেদা জিয়ার একটি ছবি পোস্ট করে সংগীতশিল্পী নগরবাউল জেমস লিখেছেন, শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করেন— আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমাদের দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি; তার নেতৃত্ব ও জনসেবা বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ লিখেছেন, দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়, দীর্ঘ এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি। আল্লাহ তাকে উত্তম মর্যাদা দান করুন।

নির্মাতা আশফাক নিপুন লেখেন, আল্লাহ আপনাকে জান্নাত নসিব করুন। আপনি ছিলেন ধৈর্য, আভিজাত্য এবং হার না মানার এক অনন্য প্রতীক; এমনকি প্রতিপক্ষের অমানবিক আচরণের মুখেও আপনি দমে যাননি। এই জাতি আপনাকে সবসময় গর্বের সাথে মনে রাখবে।

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের শক্তি, ধৈর্য ও নেতৃত্বের প্রতীক। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন কিন্তু কখনো দেশ ছেড়ে যাননি, এ জন্যই তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার অবদান কখনও ভোলা সম্ভব নয়।

নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ লিখেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীকের বিদায়। বিদায় আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। নির্মাতা রেদওয়ান রনি তার শোকবার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তার আদর্শ ও নেতৃত্ব এ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে প্রভাবিত করেছে।

অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা এবং আশনা হাবিব ভাবনাও খালেদা জিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরবময় স্মৃতি স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। এছাড়া অভিনেতা আরশ খান, পিয়া জান্নাতুলসহ আরও অনেকেই শোক জানিয়েছেন।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা এই মহীয়সী নারী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন মেয়াদে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬০ সালে সেনাপ্রধান ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ফার্স্ট লেডি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রাজনীতির শীর্ষ নেতৃত্বে তার পদচারণা ছিল দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল।