ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নির্বাচন সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ টাইলস্ দোকান মালিক সমিতির Logo ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব দিবসে নাঃগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংলড়ী ও কভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের র‍্যালী Logo সিদ্ধিরগঞ্জে বিহারী পট্টি ৩নং বালুর মাঠে বাবলা ও হীরার রমরমা মাদক ব্যবসা; এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি Logo ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি Logo তানজিন তিশার সদস্যপদ স্থগিত করলো অভিনয়শিল্পী সংঘ Logo আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস Logo মাত্র দুই বছরে ১০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে কোটি টাকার মালিক! ‘দিশারি ট্রাস্ট’ ঘিরে নানা প্রশ্ন Logo আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য আ.লীগের দোসর মানিকের ভবন নির্মাণ Logo বন্দরে আদালত অবমাননা করে জমি মাপার নির্দেশ, ওসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন? Logo ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মিয়াপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ মেগা ফাইনাল

যৌতুক মামলার আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ, অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের

‎‎নিজস্ব প্রতিবেদক:  ‎যৌতুক নিরোধ আইনে দায়ের করা মামলার আসামি সজিব প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাকে গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ—এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবার।
‎
‎ভুক্তভোগী তানিয়া এবং পরিবারের দাবি, নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলা দায়েরের পর মহামান্য আদালত মামলার প্রধান আসামি সজিবের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। তথ্য সূত্রে জানা যায় আসামি সজিব নিউ হাজীগঞ্জ ফতুল্লা তার মায়ের বাসায় এবং আশ-পাশের এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। পাশাপাশি জানা যায় আসামী সজিবের মায়ের সঙ্গে তার সরাসরি এবং মোবাইল ফোনে ও যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু তার মা কৌশলে যোগাযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে।
‎
‎ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, আসামি সজিব এলাকায় অবস্থান করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিচ্ছে না। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং মামলার সুষ্ঠু বিচার নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
‎
‎ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবারের আরো দাবী করে বলেন আসামি সজিব বিয়ের প্রায় ৯ থেকে সাড়ে নয় বছরে একাধিক বার যৌতুকের জন‍্য আমার গায়ে গুরুত্বর ভাবে আঘাত করছে এবং তার চিহ্নি শরীরের রয়েছে। ভুক্তভোগী তানিয়া বলেন আসামি সজিব একজন অসল প্রকৃতির মানুষ এবং মাদকাসক্ত। এই নয় থেকে সাড়ে নয় বছরের সংসসারে সজিব বিভিন্ন জায়গা ঘর ভাড়া নিয়ে থাকলেও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে মিষ্টি কথার মাধ‍্যমে ঋন করে চলা ফেরা করেছে। আর আমার গার্মেন্টস এর কাজ করা বেতন দিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাতাম। এবং আসামি সজিব যেই টাকা ঋন করতো সেই ঋনের টাকার জন‍্য তার ভুক্তভোগী স্ত্রী তানিয়া ও তার পরিবারকে পাওনাদারের চাপ দিত এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছে। তানিয়া বলেন আমি গামেন্টের্স চাকুরী করে খাই অথচ অফিস থেকে পাওয়া আমার সন্তান জন্মের পূর্বে খরচের যে টাকা পেয়েছিলাম সেটা ও সজিব ও তার মা ফিরোজা বেগম জোর করে নিয়ে গেছিলো। পরে আমার ডেলিভারীর সময় সজিব ও তার মা হাসপাতালে সেই টাকা দেয় নি। আমার মা বাবা পুরো ডেলিভারির খরচ বহন করে। আমি একজন নির্যাতিত নারী। আমার স্বামী সজিব কে অনেক সুযোগ দিছি কিন্তু সে ভালো হয় নাই। উল্টো সর্বশেষ সজিব যৌতুকের টাকার জন‍্য আমাকে মেরে না জানিয়ে একমাএ সন্তান তানজিদ ও ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে সজিব প্রায়ই আমাকে ফোনে হুমকি দিচ্ছি তাকে যৌতুকের টাকা দিলে সে আমার সঙ্গে সংসার করবে। এ দিকে আমার সন্তান তানজিদ কে আজ অনেক মাস হয় কাছে পাচ্ছি না। আমি মনে করি সজিব স্বামী নামের কলংক্ক। দীর্ঘ ৯ থেকে সাড়ে নয় বছর আমাকে সজিব কি পরিমাণ অত‍্যাচার করেছে সেইটা আপনাগো কইয়া বা বলে বুঝানো সম্ভব না।

‎এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও অভিযোগ করেছেন যে, আসামি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং প্রায় তার মায়ের বাসায় আসামি সজীব কে দেখা যায়। তথ্য সূত্রে জানা যায় তার মা ফিরোজা বেগম এই সত্য অস্বীকার করে তার ছেলে কে অপরাধ করার জন‍্য এবং যৌতুকের টাকা ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে আসার জন‍্য মা ফিরোজ বেগম এবং ছেলে আসামি সজিব এক সাথে কাজ করছেন।
‎
‎
‎তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা বলছেন, মামলা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
‎
‎ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সাংবাদিক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নির্বাচন সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ টাইলস্ দোকান মালিক সমিতির

যৌতুক মামলার আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ, অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

‎‎নিজস্ব প্রতিবেদক:  ‎যৌতুক নিরোধ আইনে দায়ের করা মামলার আসামি সজিব প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাকে গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ—এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবার।
‎
‎ভুক্তভোগী তানিয়া এবং পরিবারের দাবি, নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলা দায়েরের পর মহামান্য আদালত মামলার প্রধান আসামি সজিবের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। তথ্য সূত্রে জানা যায় আসামি সজিব নিউ হাজীগঞ্জ ফতুল্লা তার মায়ের বাসায় এবং আশ-পাশের এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। পাশাপাশি জানা যায় আসামী সজিবের মায়ের সঙ্গে তার সরাসরি এবং মোবাইল ফোনে ও যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু তার মা কৌশলে যোগাযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে।
‎
‎ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, আসামি সজিব এলাকায় অবস্থান করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিচ্ছে না। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং মামলার সুষ্ঠু বিচার নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
‎
‎ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবারের আরো দাবী করে বলেন আসামি সজিব বিয়ের প্রায় ৯ থেকে সাড়ে নয় বছরে একাধিক বার যৌতুকের জন‍্য আমার গায়ে গুরুত্বর ভাবে আঘাত করছে এবং তার চিহ্নি শরীরের রয়েছে। ভুক্তভোগী তানিয়া বলেন আসামি সজিব একজন অসল প্রকৃতির মানুষ এবং মাদকাসক্ত। এই নয় থেকে সাড়ে নয় বছরের সংসসারে সজিব বিভিন্ন জায়গা ঘর ভাড়া নিয়ে থাকলেও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে মিষ্টি কথার মাধ‍্যমে ঋন করে চলা ফেরা করেছে। আর আমার গার্মেন্টস এর কাজ করা বেতন দিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাতাম। এবং আসামি সজিব যেই টাকা ঋন করতো সেই ঋনের টাকার জন‍্য তার ভুক্তভোগী স্ত্রী তানিয়া ও তার পরিবারকে পাওনাদারের চাপ দিত এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছে। তানিয়া বলেন আমি গামেন্টের্স চাকুরী করে খাই অথচ অফিস থেকে পাওয়া আমার সন্তান জন্মের পূর্বে খরচের যে টাকা পেয়েছিলাম সেটা ও সজিব ও তার মা ফিরোজা বেগম জোর করে নিয়ে গেছিলো। পরে আমার ডেলিভারীর সময় সজিব ও তার মা হাসপাতালে সেই টাকা দেয় নি। আমার মা বাবা পুরো ডেলিভারির খরচ বহন করে। আমি একজন নির্যাতিত নারী। আমার স্বামী সজিব কে অনেক সুযোগ দিছি কিন্তু সে ভালো হয় নাই। উল্টো সর্বশেষ সজিব যৌতুকের টাকার জন‍্য আমাকে মেরে না জানিয়ে একমাএ সন্তান তানজিদ ও ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে সজিব প্রায়ই আমাকে ফোনে হুমকি দিচ্ছি তাকে যৌতুকের টাকা দিলে সে আমার সঙ্গে সংসার করবে। এ দিকে আমার সন্তান তানজিদ কে আজ অনেক মাস হয় কাছে পাচ্ছি না। আমি মনে করি সজিব স্বামী নামের কলংক্ক। দীর্ঘ ৯ থেকে সাড়ে নয় বছর আমাকে সজিব কি পরিমাণ অত‍্যাচার করেছে সেইটা আপনাগো কইয়া বা বলে বুঝানো সম্ভব না।

‎এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও অভিযোগ করেছেন যে, আসামি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং প্রায় তার মায়ের বাসায় আসামি সজীব কে দেখা যায়। তথ্য সূত্রে জানা যায় তার মা ফিরোজা বেগম এই সত্য অস্বীকার করে তার ছেলে কে অপরাধ করার জন‍্য এবং যৌতুকের টাকা ভুক্তভোগী তানিয়া ও তার পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে আসার জন‍্য মা ফিরোজ বেগম এবং ছেলে আসামি সজিব এক সাথে কাজ করছেন।
‎
‎
‎তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা বলছেন, মামলা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
‎
‎ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সাংবাদিক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।