ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জনগণের পাশে থাকাই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়

জান্নাত জাহা : সোনারগাঁও পৌরসভায় বিএনপির অনেক বড় বড় পদ-পদবিধারী নেতা রয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—জনগণের সুখ-দুঃখে, বিপদ-আপদে এবং প্রয়োজনের মুহূর্তে কয়জন নেতাকে সাধারণ মানুষের পাশে দেখা যায়?

নেতৃত্ব শুধু পদ-পদবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় মেলে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে। আজ যখন অনেকেই রাজনীতিকে ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন একজন মানুষ নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে এবং কোনো প্রাপ্তির আশা না করে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বললেন- সাধারণ মানুষ । তিনি হলেন হযরত আলি রানা।

গরিব, দুঃখী, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন। নিজের অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে তিনি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন। কারও চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, কারও শিক্ষার সহায়তা দরকার হলে কিংবা কোনো পরিবার বিপদে পড়লে—সাধ্যমতো সাহায্যের হাত

বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। সাধারণ জনগন আরো সাংবাদিকদের আরো জানান, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা। আর সেই সেবার বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন হযরত আলি রানা। তিনি প্রমাণ করেছেন, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে বড় কোনো পদ-পদবির প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন একটি মানবিক হৃদয় এবং মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিক মানসিকতা।

আজ সোনারগাঁও পৌরসভার সাধারণ মানুষের কাছে হযরত আলি রানা শুধু একটি নাম নয়, বরং মানবতা, সেবা এবং জনকল্যাণের এক উজ্জ্বল প্রতীক। জনগণ আশা করে, ভবিষ্যতেও তিনি এভাবেই মানুষের পাশে থেকে সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
“পদ নয়, মানুষের ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সেই ভালোবাসা অর্জন করেছেন হযরত আলি রানা তাঁর নিঃস্বার্থ জনসেবার মাধ্যমে।”

 

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

জনগণের পাশে থাকাই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়

আপডেট সময় ১২:০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

জান্নাত জাহা : সোনারগাঁও পৌরসভায় বিএনপির অনেক বড় বড় পদ-পদবিধারী নেতা রয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—জনগণের সুখ-দুঃখে, বিপদ-আপদে এবং প্রয়োজনের মুহূর্তে কয়জন নেতাকে সাধারণ মানুষের পাশে দেখা যায়?

নেতৃত্ব শুধু পদ-পদবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় মেলে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে। আজ যখন অনেকেই রাজনীতিকে ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন একজন মানুষ নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে এবং কোনো প্রাপ্তির আশা না করে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বললেন- সাধারণ মানুষ । তিনি হলেন হযরত আলি রানা।

গরিব, দুঃখী, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন। নিজের অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে তিনি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন। কারও চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, কারও শিক্ষার সহায়তা দরকার হলে কিংবা কোনো পরিবার বিপদে পড়লে—সাধ্যমতো সাহায্যের হাত

বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। সাধারণ জনগন আরো সাংবাদিকদের আরো জানান, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা। আর সেই সেবার বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন হযরত আলি রানা। তিনি প্রমাণ করেছেন, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে বড় কোনো পদ-পদবির প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন একটি মানবিক হৃদয় এবং মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিক মানসিকতা।

আজ সোনারগাঁও পৌরসভার সাধারণ মানুষের কাছে হযরত আলি রানা শুধু একটি নাম নয়, বরং মানবতা, সেবা এবং জনকল্যাণের এক উজ্জ্বল প্রতীক। জনগণ আশা করে, ভবিষ্যতেও তিনি এভাবেই মানুষের পাশে থেকে সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
“পদ নয়, মানুষের ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সেই ভালোবাসা অর্জন করেছেন হযরত আলি রানা তাঁর নিঃস্বার্থ জনসেবার মাধ্যমে।”