ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের Logo নাসিকে যুক্ত হচ্ছে ফতুল্লা-কুতুবপুর-এনায়েতনগর, বাদ কাশীপুর Logo নাসিকের টেন্ডার বাণিজ্যেরও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে Logo শহরে অটোরিকশার সংখ্যা ও গ্যারেজের তালিকা চাইলেন এমপি আবুল কালাম Logo লিংক রোড সকালে পরিষ্কার, রাতে ফের ময়লা Logo হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত, যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান Logo চেলসিকে রুখে দিয়ে তৃতীয় স্থানে হাল সিটি, হতাশ লিভারপুল Logo ডিসেম্বরেই মিমির সুখবর! Logo চট্টগ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ Logo আলিগঞ্জে অভিষেক অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন, উঠেছে নানা প্রশ্ন

ফতুল্লা’র আলোচিত জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় আলোচিত জাহাঙ্গীর আলম জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় নিহত জনি’র আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নৃশংস ভাবে এবং পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে একজন আসামি ছাড়া এখনো পলাতক রয়েছে জাহাঙ্গীর আলম জনি’র খুনিরা। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হলে খুনের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হতো। তাছাড়া খুনি ফারজানা আক্তার মুন্নি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজের অপরাধ ইতিমধ্যে স্বীকার করেছে। তাঁকে রিমান্ডে এনে এই নৃশংস হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা প্রশাসনের করা উচিত। এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত হাফসা আক্তার শৈলী, মো. সৈকত, লিংকন, আমিনা বেগম সহ অজ্ঞাত পলাতক খুনিরা এখনো অধরাই রয়েছে। পুলিশ সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনী অদৃশ্য কারণে কেন অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করছে না যা এখন জনমনে নেতিবাচক প্রশ্নবিদ।

বক্তারা আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানাই। অন্যথায় জনি হত্যার বিচারের দাবীতে ফতুল্লা মডেল থানা ঘেরাও করার আল্টিমেট দিয়া হয় মানববন্ধন থেকে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি’র পিতা মো. আবদুল শুক্কুর মিয়া, বোন জামাই মো. আল আমিন, ভাই এম তানভীর, চাচা মিলন মিয়া, প্রতিবেশী আবু বক্কর সিদ্দিক সহ বৃহত্তর দেলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা এবং পরিবারের সদস্যবৃন্দরা।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের

ফতুল্লা’র আলোচিত জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১২:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় আলোচিত জাহাঙ্গীর আলম জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় নিহত জনি’র আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নৃশংস ভাবে এবং পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে একজন আসামি ছাড়া এখনো পলাতক রয়েছে জাহাঙ্গীর আলম জনি’র খুনিরা। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হলে খুনের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হতো। তাছাড়া খুনি ফারজানা আক্তার মুন্নি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজের অপরাধ ইতিমধ্যে স্বীকার করেছে। তাঁকে রিমান্ডে এনে এই নৃশংস হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা প্রশাসনের করা উচিত। এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত হাফসা আক্তার শৈলী, মো. সৈকত, লিংকন, আমিনা বেগম সহ অজ্ঞাত পলাতক খুনিরা এখনো অধরাই রয়েছে। পুলিশ সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনী অদৃশ্য কারণে কেন অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করছে না যা এখন জনমনে নেতিবাচক প্রশ্নবিদ।

বক্তারা আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানাই। অন্যথায় জনি হত্যার বিচারের দাবীতে ফতুল্লা মডেল থানা ঘেরাও করার আল্টিমেট দিয়া হয় মানববন্ধন থেকে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি’র পিতা মো. আবদুল শুক্কুর মিয়া, বোন জামাই মো. আল আমিন, ভাই এম তানভীর, চাচা মিলন মিয়া, প্রতিবেশী আবু বক্কর সিদ্দিক সহ বৃহত্তর দেলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা এবং পরিবারের সদস্যবৃন্দরা।