ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পূজার সময় যুবকের মন্দিরে হামলা, পরিবারের দাবি মানসিক ভারসাম্যহীন

নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শ্রী শ্রী দরিদ্র ভান্ডার কালী মন্দিরে কাঠাম পূজার সময় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইয়ামিন নাবিল নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন মন্দিরে আসা লোকজন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মন্দিরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ইয়ামিন নাবিল বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম নূর মোহাম্মদ।

মন্দিরের পুরোহিত কমল চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দুপুরে কাঠাম পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় ওই যুবক মন্দিরে ঢুকে ‘আল্লাহ পূজা নিষেধ করেছেন’ বলে পূজার সামগ্রীতে লাথি মেরে ফেলে দেন। এ সময় মন্দিরের লোকজনকেও লাথি মারেন তিনি। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

কমল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করছি। কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

ইয়ামিন নাবিলের বড় ভাই অমিত হাসান দাবি করেন, তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক আল মেহেদী বলেন, “দুপুরে এক যুবক মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। সে বন্দর এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবার দাবি করেছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে তারা যদি এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারে, তাহলে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

পূজার সময় যুবকের মন্দিরে হামলা, পরিবারের দাবি মানসিক ভারসাম্যহীন

আপডেট সময় ১২:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শ্রী শ্রী দরিদ্র ভান্ডার কালী মন্দিরে কাঠাম পূজার সময় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইয়ামিন নাবিল নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন মন্দিরে আসা লোকজন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মন্দিরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ইয়ামিন নাবিল বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম নূর মোহাম্মদ।

মন্দিরের পুরোহিত কমল চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দুপুরে কাঠাম পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় ওই যুবক মন্দিরে ঢুকে ‘আল্লাহ পূজা নিষেধ করেছেন’ বলে পূজার সামগ্রীতে লাথি মেরে ফেলে দেন। এ সময় মন্দিরের লোকজনকেও লাথি মারেন তিনি। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

কমল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করছি। কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

ইয়ামিন নাবিলের বড় ভাই অমিত হাসান দাবি করেন, তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক আল মেহেদী বলেন, “দুপুরে এক যুবক মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। সে বন্দর এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবার দাবি করেছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে তারা যদি এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারে, তাহলে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”