ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের Logo নাসিকে যুক্ত হচ্ছে ফতুল্লা-কুতুবপুর-এনায়েতনগর, বাদ কাশীপুর Logo নাসিকের টেন্ডার বাণিজ্যেরও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে Logo শহরে অটোরিকশার সংখ্যা ও গ্যারেজের তালিকা চাইলেন এমপি আবুল কালাম Logo লিংক রোড সকালে পরিষ্কার, রাতে ফের ময়লা Logo হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত, যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান Logo চেলসিকে রুখে দিয়ে তৃতীয় স্থানে হাল সিটি, হতাশ লিভারপুল Logo ডিসেম্বরেই মিমির সুখবর! Logo চট্টগ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ Logo আলিগঞ্জে অভিষেক অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন, উঠেছে নানা প্রশ্ন

খেলা ক্ষমা চাইলেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ

বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর নিউইয়র্কের মাঠে ছড়ায় চরম উত্তেজনা। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের হাতাহাতিতে লিপ্ত হতে দেখা যায়। সেখানে স্পেনের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দানি ওলমোকে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রোবের্তো আয়ালার বিরুদ্ধে।
বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে এবার ওই ঘটনার আসল কারণ প্রকাশ করে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন তিনি।

বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজার পরেই নিউইয়র্কের মাঠে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেসসহ একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার ও স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার কোচিং স্টাফের সদস্য রোবের্তো আয়ালার বিরুদ্ধে দানি ওলমোকে ঘুঁষি মারার অভিযোগ ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রে এই ঘটনার পর দেশে ফিরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সাবেক এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার।

ইস্পোর্টস মিগদিয়া-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আয়ালা স্বীকার করেন যে, আবেগের বশে এমন আচরণ করা তার একদমই উচিত হয়নি। তবে তিনি জানান, ওলমোর একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আয়ালা বলেন, ‘অবশ্যই আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার দায়িত্বে থেকে কোনো আবেগ বা প্রতিপক্ষের কোনো প্ররোচনায় নিজের মেজাজ ও আচরণ হারিয়ে ফেলা উচিত হয়নি। তবে আমার মতে, মাঠের বিষয় মাঠেই ফেলে আসা উচিত।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংবাদমাধ্যমে যা বলা হচ্ছে ওটা কোনো ঘুঁষি ছিল না, মূলত একটি ধাক্কা ছিল। ও (ওলমো) যা বলেছিল, এটি তারই প্রতিক্রিয়া মাত্র। তবে তা সত্ত্বেও আমি বলব যা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। পরবর্তীতে তার সঙ্গে দেখা হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে নেব।’

ফাইনাল ম্যাচ শেষে মাঠে হাতাহাতি শুরু হলে তা থামাতে মাঠে ছুটে যান সাপোর্ট স্টাফদের অনেকেই। আয়ালা দাবি করেন, তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করা এবং পরিস্থিতি শান্ত করা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও সেই উত্তেজনার ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন।

আয়ালা বলেন, ‘আমি যা করেছি তার পুরো দায় নিচ্ছি। আমার ইচ্ছা ছিল কেবল তাদের মধ্যে গিয়ে ঝামেলা থামানো। কিন্তু মাঝে মধ্যে মাঠের আবেগ এত উঁচুতে পৌঁছে যায় যে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে—যদিও সেটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। আমার যে পদবী, তাতে প্রতিপক্ষ যাই বলুক না কেন আমার আচরণ আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের

খেলা ক্ষমা চাইলেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর নিউইয়র্কের মাঠে ছড়ায় চরম উত্তেজনা। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের হাতাহাতিতে লিপ্ত হতে দেখা যায়। সেখানে স্পেনের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দানি ওলমোকে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রোবের্তো আয়ালার বিরুদ্ধে।
বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে এবার ওই ঘটনার আসল কারণ প্রকাশ করে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন তিনি।

বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজার পরেই নিউইয়র্কের মাঠে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেসসহ একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার ও স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার কোচিং স্টাফের সদস্য রোবের্তো আয়ালার বিরুদ্ধে দানি ওলমোকে ঘুঁষি মারার অভিযোগ ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রে এই ঘটনার পর দেশে ফিরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সাবেক এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার।

ইস্পোর্টস মিগদিয়া-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আয়ালা স্বীকার করেন যে, আবেগের বশে এমন আচরণ করা তার একদমই উচিত হয়নি। তবে তিনি জানান, ওলমোর একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আয়ালা বলেন, ‘অবশ্যই আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার দায়িত্বে থেকে কোনো আবেগ বা প্রতিপক্ষের কোনো প্ররোচনায় নিজের মেজাজ ও আচরণ হারিয়ে ফেলা উচিত হয়নি। তবে আমার মতে, মাঠের বিষয় মাঠেই ফেলে আসা উচিত।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংবাদমাধ্যমে যা বলা হচ্ছে ওটা কোনো ঘুঁষি ছিল না, মূলত একটি ধাক্কা ছিল। ও (ওলমো) যা বলেছিল, এটি তারই প্রতিক্রিয়া মাত্র। তবে তা সত্ত্বেও আমি বলব যা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। পরবর্তীতে তার সঙ্গে দেখা হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে নেব।’

ফাইনাল ম্যাচ শেষে মাঠে হাতাহাতি শুরু হলে তা থামাতে মাঠে ছুটে যান সাপোর্ট স্টাফদের অনেকেই। আয়ালা দাবি করেন, তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করা এবং পরিস্থিতি শান্ত করা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও সেই উত্তেজনার ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন।

আয়ালা বলেন, ‘আমি যা করেছি তার পুরো দায় নিচ্ছি। আমার ইচ্ছা ছিল কেবল তাদের মধ্যে গিয়ে ঝামেলা থামানো। কিন্তু মাঝে মধ্যে মাঠের আবেগ এত উঁচুতে পৌঁছে যায় যে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে—যদিও সেটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। আমার যে পদবী, তাতে প্রতিপক্ষ যাই বলুক না কেন আমার আচরণ আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল।’