ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চার্জিং গ্যারেজে অটোরিকশার ভিড়, চাপে শহীদনগর–সুকুমপট্টি–পাঠাননগর Logo টঙ্গিবাড়ীতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা Logo সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর Logo মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিবানী সরকার Logo মদনপুর ইউপিতে ইউএনও শিবানী সরকার: ডেঙ্গু ঠেকাতে পরিচ্ছন্নতায় জোর, জনভোগান্তি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ Logo গোগনগর থেকে নারায়ণগঞ্জের সাহিত্যাঙ্গন—এক স্বপ্নবান মানুষের যাত্রা Logo সিদ্ধিরগঞ্জে সজীব হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন Logo প‌দের লো‌ভে জে‌গে‌ উঠেছে লাপাত্তা মামা-ভা‌গ্নে ! Logo খানপুর হাসপাতালে ১৯ বছর ধরে একই পদে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আক্তারুজ্জামানকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার অভিযোগ Logo ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিলেই উপর থেকে নেমে আসে মাদক

বন্দরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের হামলায় কৃষক দলের সভাপতিসহ আহত ৩

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের ফেস্টুনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ফেস্টুন টানানোকে কেন্দ্র করে বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি কামাল হোসেনের (৪৮) ওপর সন্ত্রাসী হামলা, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় তিনি ১১ জনকে বিবাদী করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দ প্রেমতলা এলাকায় প্রায় এক মাস আগে বিএনপি মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের একটি নির্বাচনী ফেস্টুন স্থাপন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ নভেম্বর রাতে ঐ ফেস্টুনের ওপর বিবাদীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ব্যানার জোরপূর্বক সেঁটে দেন।

অভিযুক্তরা হলেন মাকসুদ হোসেন (৫৮), তাঁর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ (৩৫), মাইনউদ্দিন (৩৮), বিল্লাল (৩২), পানাউল্লাহ (৩৬), মাসুদ (৩৪), নাদিম (২৮), বিল্লাল (৩৫), নুর আলম (৩৪), রুবেল (৩৪) ও রিয়াজুল (৩২)।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে গণসংযোগকালে ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে মাইনউদ্দিন ও বিল্লালের সঙ্গে কামাল হোসেনের কথা কাটাকাটি হয়।

এরপর একই দিন রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরে গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার সময় বন্দর থানার বাজুরবাগ এলাকার রুমান মিয়ার ফার্মেসির সামনে পৌঁছালে মাকসুদ হোসেন ও তাঁর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভর নির্দেশে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র- রামদা, চাইনিজ কুড়াল, ছুরি, রড ও লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

হামলায় কৃষক দলের সভাপতি কামাল হোসেনসহ তাঁর সঙ্গে থাকা মহিউদ্দিন (৩৫) এবং শাকিল (৩২) গুরুতর জখম হন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাদের রক্তাক্ত জখম করে।

হামলার সময় কামাল হোসেনের ৩২ হাজার টাকা, মহিউদ্দিনের ৭ হাজার ৮২০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন এবং শাকিলের ৪ হাজার ২৭০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

স্থানীয় লোকজন চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং পালানোর সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগকারী কামাল হোসেন বলেন, “ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। আমাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়।”

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত হোসেন জানান, “অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

চার্জিং গ্যারেজে অটোরিকশার ভিড়, চাপে শহীদনগর–সুকুমপট্টি–পাঠাননগর

বন্দরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের হামলায় কৃষক দলের সভাপতিসহ আহত ৩

আপডেট সময় ১০:৩৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের ফেস্টুনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ফেস্টুন টানানোকে কেন্দ্র করে বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি কামাল হোসেনের (৪৮) ওপর সন্ত্রাসী হামলা, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় তিনি ১১ জনকে বিবাদী করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দ প্রেমতলা এলাকায় প্রায় এক মাস আগে বিএনপি মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের একটি নির্বাচনী ফেস্টুন স্থাপন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ নভেম্বর রাতে ঐ ফেস্টুনের ওপর বিবাদীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ব্যানার জোরপূর্বক সেঁটে দেন।

অভিযুক্তরা হলেন মাকসুদ হোসেন (৫৮), তাঁর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ (৩৫), মাইনউদ্দিন (৩৮), বিল্লাল (৩২), পানাউল্লাহ (৩৬), মাসুদ (৩৪), নাদিম (২৮), বিল্লাল (৩৫), নুর আলম (৩৪), রুবেল (৩৪) ও রিয়াজুল (৩২)।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে গণসংযোগকালে ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে মাইনউদ্দিন ও বিল্লালের সঙ্গে কামাল হোসেনের কথা কাটাকাটি হয়।

এরপর একই দিন রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরে গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার সময় বন্দর থানার বাজুরবাগ এলাকার রুমান মিয়ার ফার্মেসির সামনে পৌঁছালে মাকসুদ হোসেন ও তাঁর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভর নির্দেশে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র- রামদা, চাইনিজ কুড়াল, ছুরি, রড ও লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

হামলায় কৃষক দলের সভাপতি কামাল হোসেনসহ তাঁর সঙ্গে থাকা মহিউদ্দিন (৩৫) এবং শাকিল (৩২) গুরুতর জখম হন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাদের রক্তাক্ত জখম করে।

হামলার সময় কামাল হোসেনের ৩২ হাজার টাকা, মহিউদ্দিনের ৭ হাজার ৮২০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন এবং শাকিলের ৪ হাজার ২৭০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

স্থানীয় লোকজন চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং পালানোর সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগকারী কামাল হোসেন বলেন, “ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। আমাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়।”

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত হোসেন জানান, “অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”