ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হিফজুল কুরআন অডিশন Logo নওগাঁয় পাঠকের হাতে ‘দৈনিক রুদ্র বার্তা’ পত্রিকা তুলে দিলেন জেলা প্রতিনিধি মোঃ মমিন আলী Logo ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নির্বাচন সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ টাইলস্ দোকান মালিক সমিতির Logo ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব দিবসে নাঃগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংলড়ী ও কভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের র‍্যালী Logo সিদ্ধিরগঞ্জে বিহারী পট্টি ৩নং বালুর মাঠে বাবলা ও হীরার রমরমা মাদক ব্যবসা; এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি Logo ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি Logo তানজিন তিশার সদস্যপদ স্থগিত করলো অভিনয়শিল্পী সংঘ Logo আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস Logo মাত্র দুই বছরে ১০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে কোটি টাকার মালিক! ‘দিশারি ট্রাস্ট’ ঘিরে নানা প্রশ্ন Logo আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য আ.লীগের দোসর মানিকের ভবন নির্মাণ

জিলানী-মাসুমের শেষ বিদায়ে পাশে ছিলেন না বিএনপি নেতারা

নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদের জিলানী ও যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহর জানাজায় বিএনপির অধিকাংশ নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১০ জুন) মধ্যরাতে শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় যুবদল নেতা মশিউর রহমান রনি ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান দোলন উপস্থিত থাকলেও বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে সেখানে দেখা যায়নি।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আব্দুল কাদের জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের মৃত্যুর পর প্রাপ্য সম্মান দেখানো হয়নি।

জেলা ছাত্রদলের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আজ জামায়াত বা এনসিপির কেউ এভাবে মারা গেলে সবাই এক হয়ে যেত। কিন্তু আমরা পারলাম না। কষ্ট লাগলেও কিছু বলার নেই। মারা যাওয়ার পর রনি ভাই, সাখাওয়াত ভাই, টিটু ভাই এসেছিলেন। কিন্তু জানাজায় কাউকে পেলাম না। আমাদের কোনো এমপিও আসেনি। অন্তত একজন আসতে পারতেন। কেউ ফোনও দেননি।”

ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা বলেন, দল যখন ক্ষমতায় ছিল না, তখন পরিবারের বাধা উপেক্ষা করেও মাসুম ও জিলানী দলের জন্য কাজ করেছেন। তাই তাদের শেষ বিদায় আরও মর্যাদাপূর্ণ হতে পারত। কিন্তু দুই তরুণ নেতার জানাজায় প্রত্যাশিত উপস্থিতি না থাকায় তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

তবে জেলা ও মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতার দাবি, গভীর রাতে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেকের পক্ষেই সেখানে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার সকালে বরিশালের দশমিনায় মাসুম বিল্লাহ এবং চাঁদপুরের মতলবে আব্দুল কাদের জিলানীর দাফন সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন আব্দুল কাদের জিলানী। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। একই সময়ে মাসুম বিল্লাহও বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হিফজুল কুরআন অডিশন

জিলানী-মাসুমের শেষ বিদায়ে পাশে ছিলেন না বিএনপি নেতারা

আপডেট সময় ১১:৪৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদের জিলানী ও যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহর জানাজায় বিএনপির অধিকাংশ নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১০ জুন) মধ্যরাতে শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় যুবদল নেতা মশিউর রহমান রনি ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান দোলন উপস্থিত থাকলেও বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে সেখানে দেখা যায়নি।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আব্দুল কাদের জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের মৃত্যুর পর প্রাপ্য সম্মান দেখানো হয়নি।

জেলা ছাত্রদলের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আজ জামায়াত বা এনসিপির কেউ এভাবে মারা গেলে সবাই এক হয়ে যেত। কিন্তু আমরা পারলাম না। কষ্ট লাগলেও কিছু বলার নেই। মারা যাওয়ার পর রনি ভাই, সাখাওয়াত ভাই, টিটু ভাই এসেছিলেন। কিন্তু জানাজায় কাউকে পেলাম না। আমাদের কোনো এমপিও আসেনি। অন্তত একজন আসতে পারতেন। কেউ ফোনও দেননি।”

ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা বলেন, দল যখন ক্ষমতায় ছিল না, তখন পরিবারের বাধা উপেক্ষা করেও মাসুম ও জিলানী দলের জন্য কাজ করেছেন। তাই তাদের শেষ বিদায় আরও মর্যাদাপূর্ণ হতে পারত। কিন্তু দুই তরুণ নেতার জানাজায় প্রত্যাশিত উপস্থিতি না থাকায় তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

তবে জেলা ও মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতার দাবি, গভীর রাতে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেকের পক্ষেই সেখানে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার সকালে বরিশালের দশমিনায় মাসুম বিল্লাহ এবং চাঁদপুরের মতলবে আব্দুল কাদের জিলানীর দাফন সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন আব্দুল কাদের জিলানী। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। একই সময়ে মাসুম বিল্লাহও বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।