ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

এক মঞ্চে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলন

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা এক মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে তার অবদানের কথা তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে শহরের বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের কমিউনিটি সেন্টারে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেননি, ব্যবসায়ীদেরও মূলধারায় নিয়ে এসেছিলেন। গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আজ দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে হোসিয়ারি শিল্পও সংযুক্ত রয়েছে। এসব খাতের ভিত্তি শহীদ জিয়াউর রহমান সুদূরপ্রসারী চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রধান বক্তা বিএনপি নেতা, ক্রীড়া সংগঠক ও বিসিবির পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি শুধু কোনো দলীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, সাধারণ মানুষের কাছে সর্বদলীয় প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠেছিলেন।

মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের মধ্যে জিয়াউর রহমান অন্যতম। তিনি নিঃস্বার্থভাবে রাজনীতি করেছেন এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করেছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতি ও ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি নিজেদের প্রয়োজনের পাশাপাশি দেশের স্বার্থে ও মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেন, তাহলে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদু বলেন, “জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি না হলে আমরা আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের ধারাবাহিকতায় আমরা আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি।”

সংগঠনের পরিচালক ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

এক মঞ্চে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলন

আপডেট সময় ১২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা এক মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে তার অবদানের কথা তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে শহরের বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের কমিউনিটি সেন্টারে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেননি, ব্যবসায়ীদেরও মূলধারায় নিয়ে এসেছিলেন। গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আজ দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে হোসিয়ারি শিল্পও সংযুক্ত রয়েছে। এসব খাতের ভিত্তি শহীদ জিয়াউর রহমান সুদূরপ্রসারী চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রধান বক্তা বিএনপি নেতা, ক্রীড়া সংগঠক ও বিসিবির পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি শুধু কোনো দলীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, সাধারণ মানুষের কাছে সর্বদলীয় প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠেছিলেন।

মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের মধ্যে জিয়াউর রহমান অন্যতম। তিনি নিঃস্বার্থভাবে রাজনীতি করেছেন এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করেছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতি ও ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি নিজেদের প্রয়োজনের পাশাপাশি দেশের স্বার্থে ও মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেন, তাহলে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদু বলেন, “জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি না হলে আমরা আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের ধারাবাহিকতায় আমরা আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি।”

সংগঠনের পরিচালক ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।