ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

গ্যাস বিস্ফোরণ: বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল দগ্ধ শিশু মিমও

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের কেউই আর বেঁচে রইলেন না। বাবা, মা ও ভাইয়ের পর এবার মারা গেল ১৩ বছরের শিশু মিমও।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইসিইউ’র ১৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন মিমের শরীরের ৫১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং তার শ্বাসনালী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

এর আগে একই ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে মারা যান মা সুলতানা বেগম (৩৫), যার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এরপর গত সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আইসিইউ’র ১৫ নম্বর বেডে মারা যান ৩৫ শতাংশ দগ্ধ বাবা আব্দুল মান্নান (৫০)। এর কয়েক ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ৩ নম্বর বেডে মারা যান ৭৭ শতাংশ দগ্ধ ছেলে সিয়াম (১৯)। মিমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুরো পরিবারটিই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

বর্তমানে এ ঘটনায় কেবল প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (৮) জীবিত রয়েছে। সে ৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে এ ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে তিতাসের গ্যাস লাইনের পাশাপাশি সিলিন্ডারের সংযোগও ছিল। রান্নাঘরে রাতে জমে থাকা গ্যাসে সকালে রান্নার জন্য আগুন জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্তের পর গ্যাস লিকেজের মূল উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

গ্যাস বিস্ফোরণ: বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল দগ্ধ শিশু মিমও

আপডেট সময় ০১:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের কেউই আর বেঁচে রইলেন না। বাবা, মা ও ভাইয়ের পর এবার মারা গেল ১৩ বছরের শিশু মিমও।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইসিইউ’র ১৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন মিমের শরীরের ৫১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং তার শ্বাসনালী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

এর আগে একই ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে মারা যান মা সুলতানা বেগম (৩৫), যার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এরপর গত সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আইসিইউ’র ১৫ নম্বর বেডে মারা যান ৩৫ শতাংশ দগ্ধ বাবা আব্দুল মান্নান (৫০)। এর কয়েক ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ৩ নম্বর বেডে মারা যান ৭৭ শতাংশ দগ্ধ ছেলে সিয়াম (১৯)। মিমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুরো পরিবারটিই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

বর্তমানে এ ঘটনায় কেবল প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (৮) জীবিত রয়েছে। সে ৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে এ ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে তিতাসের গ্যাস লাইনের পাশাপাশি সিলিন্ডারের সংযোগও ছিল। রান্নাঘরে রাতে জমে থাকা গ্যাসে সকালে রান্নার জন্য আগুন জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্তের পর গ্যাস লিকেজের মূল উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে।