ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

একটি শিশুও যেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে: সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এলাকায় একটি শিশুও যেন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় নগর ভবনের টিকাদান কেন্দ্রে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “এই রাষ্ট্র আজ জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, আর এই জনকল্যাণের মূল চালিকাশক্তি হলো শিশু। শিশুরা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষায় নানাবিধ সুবিধা প্রদান করা হয়। প্রতিটি শিশুকে সচেতনভাবে বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারই অংশ হিসেবে আজ সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাই তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বাবা-মাকে সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যেসব স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়, তার মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অন্যতম। এটি শিশুদের রাতকানা রোগ, ডায়রিয়া ও রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে এবং শারীরিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এছাড়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি হামসহ অন্যান্য জটিল রোগ ছড়াতে বাধা দেয়।”

ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তুলে ধরে প্রশাসক জানান, “নাসিকের ৩৪০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে, যেখানে মোট ৮০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জনগণের সচেতনতাই এই ক্যাম্পেইনের মূল চালিকাশক্তি। যারা আজ কোনো কারণে শিশুকে নিয়ে কেন্দ্রে আসতে পারেননি, তাদের জন্য আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে। একটি শিশুও যেন এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করা হবে।”

নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ মোস্তফা আলী, ডা. নাফিয়া ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হিরণসহ নাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আপলোডকারীর তথ্য

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

একটি শিশুও যেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে: সাখাওয়াত

আপডেট সময় ০১:৫৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এলাকায় একটি শিশুও যেন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় নগর ভবনের টিকাদান কেন্দ্রে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “এই রাষ্ট্র আজ জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, আর এই জনকল্যাণের মূল চালিকাশক্তি হলো শিশু। শিশুরা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষায় নানাবিধ সুবিধা প্রদান করা হয়। প্রতিটি শিশুকে সচেতনভাবে বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারই অংশ হিসেবে আজ সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাই তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বাবা-মাকে সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যেসব স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়, তার মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অন্যতম। এটি শিশুদের রাতকানা রোগ, ডায়রিয়া ও রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে এবং শারীরিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এছাড়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি হামসহ অন্যান্য জটিল রোগ ছড়াতে বাধা দেয়।”

ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তুলে ধরে প্রশাসক জানান, “নাসিকের ৩৪০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে, যেখানে মোট ৮০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জনগণের সচেতনতাই এই ক্যাম্পেইনের মূল চালিকাশক্তি। যারা আজ কোনো কারণে শিশুকে নিয়ে কেন্দ্রে আসতে পারেননি, তাদের জন্য আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে। একটি শিশুও যেন এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করা হবে।”

নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ মোস্তফা আলী, ডা. নাফিয়া ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হিরণসহ নাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।