ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

যুদ্ধবিরতির খুব কাছাকাছি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ

যুদ্ধবিরতির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। মধ্যপ্রাচ্যের একটি সূত্র ২৪ নভেম্বর মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে এই বিষয়টি জানিয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতির আশা থাকলেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ইসরায়েলি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে লেবাননে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সিএনএন—এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বেড়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। যা মূলত এই অঞ্চলে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জরুরি প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি বলেছে, ‘‘যদিও চুক্তি আগের চেয়ে অনেক কাছাকাছি পৌঁছেছে, তবে এটি এখনো সম্পূর্ণ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের এখনো কোনো চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হয়নি।’’

এদিকে, এই বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক মুখপাত্র সিএনএনকে বলেছেন, ‘‘আমরা এই পথে এগিয়ে যাচ্ছি, তবে এখনো কিছু বিষয় সমাধান করতে হবে।’’

কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। হিজবুল্লাহ সেই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। কেউ কেউ আশা করছেন, এটি স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।

গত সেপ্টেম্বরে হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকে ইসরায়েল লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশটি হিজবুল্লাহর একাধিক নেতাকে হত্যা করেছে। যাদের মধ্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাসান নাসরুল্লাহও রয়েছেন। এ ছাড়া, আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত আমোস হখস্টেইন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, যাতে একটি চুক্তি করা যায়। রবিবার সিএনএনের বিশ্লেষক এবং অ্যাক্সিওস প্রতিবেদক বারাক রাভিদ এক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছেন, ‘‘হখস্টেইন শনিবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েল যদি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তাহলে তিনি মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে সরে আসবেন।’’
এর আগে, রবিরার এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ‘‘নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’’

এদিকে, শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত এবং ২১৩ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ একটি এলাকায় একটি বহুতল ভবনে হামলায় প্রায় ৩০ জন নিহত হন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ইসরায়েলের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে মোট ৩ হাজার ৭২ জন নিহত এবং ১৩ হাজার ৪২৬ জন আহত হয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

যুদ্ধবিরতির খুব কাছাকাছি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ

আপডেট সময় ০৬:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

যুদ্ধবিরতির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। মধ্যপ্রাচ্যের একটি সূত্র ২৪ নভেম্বর মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে এই বিষয়টি জানিয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতির আশা থাকলেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ইসরায়েলি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে লেবাননে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সিএনএন—এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বেড়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। যা মূলত এই অঞ্চলে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জরুরি প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি বলেছে, ‘‘যদিও চুক্তি আগের চেয়ে অনেক কাছাকাছি পৌঁছেছে, তবে এটি এখনো সম্পূর্ণ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের এখনো কোনো চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হয়নি।’’

এদিকে, এই বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক মুখপাত্র সিএনএনকে বলেছেন, ‘‘আমরা এই পথে এগিয়ে যাচ্ছি, তবে এখনো কিছু বিষয় সমাধান করতে হবে।’’

কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। হিজবুল্লাহ সেই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। কেউ কেউ আশা করছেন, এটি স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।

গত সেপ্টেম্বরে হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকে ইসরায়েল লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশটি হিজবুল্লাহর একাধিক নেতাকে হত্যা করেছে। যাদের মধ্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাসান নাসরুল্লাহও রয়েছেন। এ ছাড়া, আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত আমোস হখস্টেইন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, যাতে একটি চুক্তি করা যায়। রবিবার সিএনএনের বিশ্লেষক এবং অ্যাক্সিওস প্রতিবেদক বারাক রাভিদ এক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছেন, ‘‘হখস্টেইন শনিবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েল যদি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তাহলে তিনি মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে সরে আসবেন।’’
এর আগে, রবিরার এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ‘‘নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’’

এদিকে, শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত এবং ২১৩ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ একটি এলাকায় একটি বহুতল ভবনে হামলায় প্রায় ৩০ জন নিহত হন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ইসরায়েলের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে মোট ৩ হাজার ৭২ জন নিহত এবং ১৩ হাজার ৪২৬ জন আহত হয়েছেন।