ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ: এইচএসসিতে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ Logo শহরে বেপরোয়া উৎসব বাসের চাপায় রিকশাচালক নিহত, আহত ৩ Logo গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতি কি আবার পুরোনো পথে? Logo নারায়ণগঞ্জ সংবাদকর্মী কল্যাণ সমিতি’র আলোচনা সভা, অভিষেক ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo নারায়ণগঞ্জে হেভেন কম্পিউটারের বিরুদ্ধে ক্রেতা হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ Logo রূপগঞ্জে মোবারক হোসেন মোল্লা’র উপর সন্ত্রাসী হামলা ; সবুজ মিয়া গংদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ Logo সোনারগাঁয়ে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৪৫০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo ‘আবেদন ছাড়াই’ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, সাবেক ইউএনও নাহিদা বারিক ওএসডি Logo পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী-কারবারিসহ গ্রেপ্তার ১৪০ Logo ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা

বিএসএফের গুলিতে নিহত আনোয়ার, অনিশ্চিত সন্তানের ভবিষ্যৎ

‘বৃহস্পতিবার রাতে একসঙ্গে বসে ভাত খাইলাম। ওই সময় কার যেন একটা ফোন আসলো। ফোন ধরে ও শুধু বললো, তোমরা থাকো, কিছুক্ষণ পর আসতেছি, বলেই সে চলে গেল। সারারাত আর আসলো না। মেয়েটারে স্কুলে ভর্তি করাতে চাইছিলাম, এখন মানুষটাই নাই। এখন কী হবে?’

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বামী হারানোর শোকে ছয় বছর বয়সী মেয়েকে জড়িয়ে ধরে এভাবেই কাঁদতে কাঁদতে সাংবাদিকদের বলছিলেন বিএসএফের গুলিতে নিহত আনোয়ারের স্ত্রী লিপি আক্তার।

শনিবার বিকেলে নিহত আনোয়ার হোসেনের (৩৬) তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের আমজুয়ানী এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন ওই এলাকায় রফিকুল ইসলাম ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। মাত্র ৭ শতক ভিটেবাড়ি ছাড়া আর কোনো জয়গা জমি নেই। বাবা রফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে ছোট্ট মাংসের দোকান করেন। আনোয়ার হোসেন দর্জি কাজের পাশাপাশি দিনমজুরের কাজও করতেন।

আনোয়ারের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, খুবই কষ্ট করে মানুষ করলাম। কখনো কল্পনাও করি নাই, এভাবে আমার এক ছেলে মারা যাবে। এখন নাতনিটার কী হবে। এতিম হয়ে গেল।

 

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জ: এইচএসসিতে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

বিএসএফের গুলিতে নিহত আনোয়ার, অনিশ্চিত সন্তানের ভবিষ্যৎ

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

‘বৃহস্পতিবার রাতে একসঙ্গে বসে ভাত খাইলাম। ওই সময় কার যেন একটা ফোন আসলো। ফোন ধরে ও শুধু বললো, তোমরা থাকো, কিছুক্ষণ পর আসতেছি, বলেই সে চলে গেল। সারারাত আর আসলো না। মেয়েটারে স্কুলে ভর্তি করাতে চাইছিলাম, এখন মানুষটাই নাই। এখন কী হবে?’

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বামী হারানোর শোকে ছয় বছর বয়সী মেয়েকে জড়িয়ে ধরে এভাবেই কাঁদতে কাঁদতে সাংবাদিকদের বলছিলেন বিএসএফের গুলিতে নিহত আনোয়ারের স্ত্রী লিপি আক্তার।

শনিবার বিকেলে নিহত আনোয়ার হোসেনের (৩৬) তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের আমজুয়ানী এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন ওই এলাকায় রফিকুল ইসলাম ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। মাত্র ৭ শতক ভিটেবাড়ি ছাড়া আর কোনো জয়গা জমি নেই। বাবা রফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে ছোট্ট মাংসের দোকান করেন। আনোয়ার হোসেন দর্জি কাজের পাশাপাশি দিনমজুরের কাজও করতেন।

আনোয়ারের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, খুবই কষ্ট করে মানুষ করলাম। কখনো কল্পনাও করি নাই, এভাবে আমার এক ছেলে মারা যাবে। এখন নাতনিটার কী হবে। এতিম হয়ে গেল।