ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ: এইচএসসিতে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ Logo শহরে বেপরোয়া উৎসব বাসের চাপায় রিকশাচালক নিহত, আহত ৩ Logo গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতি কি আবার পুরোনো পথে? Logo নারায়ণগঞ্জ সংবাদকর্মী কল্যাণ সমিতি’র আলোচনা সভা, অভিষেক ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo নারায়ণগঞ্জে হেভেন কম্পিউটারের বিরুদ্ধে ক্রেতা হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ Logo রূপগঞ্জে মোবারক হোসেন মোল্লা’র উপর সন্ত্রাসী হামলা ; সবুজ মিয়া গংদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ Logo সোনারগাঁয়ে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৪৫০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo ‘আবেদন ছাড়াই’ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, সাবেক ইউএনও নাহিদা বারিক ওএসডি Logo পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী-কারবারিসহ গ্রেপ্তার ১৪০ Logo ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা

সয়াবিন তেলের বাজারে নৈরাজ্য

বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজার থেকে উধাও বললেই চলে। পাঁচ-ছয়টি দোকান ঘুরে মিলছে একটিতে, তাও দাম গুনতে হচ্ছে বেশি। খোলা সয়াবিন ও পাম তেলেও একই অবস্থা। বোতলজাত তেল না থাকায় গত কয়েকদিনে খোলা তেলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ৩৫ টাকা পর্যন্ত। কেউ কেউ আবার তেল কেনায় জুড়ে দিচ্ছেন শর্ত।

হঠাৎ কেন এমন সংকট- জানতে চাইলে মুখ খুলছে না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা কথা বলছেন না কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে। সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাও স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছে না। তবে বিভিন্ন সূত্র জানায়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এখন তেল বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে কোম্পানিগুলোকে। যে কারণে তেলের দাম বাড়াতে প্রস্তাব করেছে সরবরাহকারীরা। তবে সরকার দাম বাড়াতে চায় না।

 

পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারকে চাপে ফেলতে কোম্পানিগুলো কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি করেছে বলে মনে করেন খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তারা।

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমান সরকার দুই দফায় আমদানি শুল্ককর কমালেও এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বাজারে। প্রতি কেজি ভোজ্যতেল আমদানিতে শুল্ক-কর ১০ থেকে ১১ টাকা কমেছে। কিন্তু সরকার শুল্ক-কর কমালেও আমদানি বাড়েনি, বরং বাজারে বোতলজাত তেলের সংকট তৈরি হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জ: এইচএসসিতে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

সয়াবিন তেলের বাজারে নৈরাজ্য

আপডেট সময় ১০:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজার থেকে উধাও বললেই চলে। পাঁচ-ছয়টি দোকান ঘুরে মিলছে একটিতে, তাও দাম গুনতে হচ্ছে বেশি। খোলা সয়াবিন ও পাম তেলেও একই অবস্থা। বোতলজাত তেল না থাকায় গত কয়েকদিনে খোলা তেলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ৩৫ টাকা পর্যন্ত। কেউ কেউ আবার তেল কেনায় জুড়ে দিচ্ছেন শর্ত।

হঠাৎ কেন এমন সংকট- জানতে চাইলে মুখ খুলছে না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা কথা বলছেন না কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে। সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাও স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছে না। তবে বিভিন্ন সূত্র জানায়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এখন তেল বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে কোম্পানিগুলোকে। যে কারণে তেলের দাম বাড়াতে প্রস্তাব করেছে সরবরাহকারীরা। তবে সরকার দাম বাড়াতে চায় না।

 

পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারকে চাপে ফেলতে কোম্পানিগুলো কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি করেছে বলে মনে করেন খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তারা।

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমান সরকার দুই দফায় আমদানি শুল্ককর কমালেও এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বাজারে। প্রতি কেজি ভোজ্যতেল আমদানিতে শুল্ক-কর ১০ থেকে ১১ টাকা কমেছে। কিন্তু সরকার শুল্ক-কর কমালেও আমদানি বাড়েনি, বরং বাজারে বোতলজাত তেলের সংকট তৈরি হয়েছে।