ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০.৭২ শতাংশ

খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে চাপে রয়েছেন। টানা ১০ মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপর রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। বিবিএস তার প্রতিবেদনে বলছে, গত বছরের মার্চের পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি আর এক অঙ্কের ঘরে নামেনি। সর্বশেষ গত মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিলো সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় ধরে দুই অঙ্কের ওপর থাকার তথ্য উঠে আসে।

এদিকে তিন মাস পর সার্বিক মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কের ঘরে নেমেছে। বিবিএসের সর্বশেষ হিসাবে, গত জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে। ডিসেম্বরে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে ছিল।

মূল্যস্ফীতি একধরনের করের মতো। ধরুন, আপনার প্রতি মাসে আয়ের পুরোটাই সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়ে এবং সেই অনুযায়ী আয় না বাড়ে, তবে আপনাকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হবে। তা না হলে খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে খরচ কাটছাঁট করতে হবে। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়।

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশের মানে হলো- ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা কিনতে যদি ১০০ টাকা খরচ হয়, গত জানুয়ারিতে সেই খরচ বেড়ে ১০৯ টাকা ৯৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রতি ১০০ টাকায় খরচ বেড়েছে ৯ টাকায় ৯৪ পয়সা।

গত ছয় মাসে চাল, আলু, পেঁয়াজ, মাছ-মাংস, ডিম ইত্যাদির দাম বেড়েছে। ২০২৪ সালে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুগেছে। গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানোই তাতে কঠিন হয়ে পড়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০.৭২ শতাংশ

আপডেট সময় ১১:২২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে চাপে রয়েছেন। টানা ১০ মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপর রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। বিবিএস তার প্রতিবেদনে বলছে, গত বছরের মার্চের পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি আর এক অঙ্কের ঘরে নামেনি। সর্বশেষ গত মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিলো সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় ধরে দুই অঙ্কের ওপর থাকার তথ্য উঠে আসে।

এদিকে তিন মাস পর সার্বিক মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কের ঘরে নেমেছে। বিবিএসের সর্বশেষ হিসাবে, গত জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে। ডিসেম্বরে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে ছিল।

মূল্যস্ফীতি একধরনের করের মতো। ধরুন, আপনার প্রতি মাসে আয়ের পুরোটাই সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়ে এবং সেই অনুযায়ী আয় না বাড়ে, তবে আপনাকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হবে। তা না হলে খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে খরচ কাটছাঁট করতে হবে। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়।

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশের মানে হলো- ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা কিনতে যদি ১০০ টাকা খরচ হয়, গত জানুয়ারিতে সেই খরচ বেড়ে ১০৯ টাকা ৯৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রতি ১০০ টাকায় খরচ বেড়েছে ৯ টাকায় ৯৪ পয়সা।

গত ছয় মাসে চাল, আলু, পেঁয়াজ, মাছ-মাংস, ডিম ইত্যাদির দাম বেড়েছে। ২০২৪ সালে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুগেছে। গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানোই তাতে কঠিন হয়ে পড়েছে।