ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

রঙ করে ঢেকে দেওয়া হলো শেখ মুজিবুরের ‘সবচেয়ে বড়’ ম্যুরাল

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় ম্যুরালটি সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন রঙমিস্ত্রিকে কাজ করতে দেখা গেছে।

নগরের সিঅ্যান্ডবি মোড়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গায় ম্যুরালটি নির্মাণ করে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। ম্যুরালের উচ্চতা ৫৮ ফুট। তবে মূল অংশের উচ্চতা ৫০ ফুট। আর চওড়া ৪০ ফুট। এটি নির্মাণে পাঁচ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয় করে রাসিক। নির্মাণের পর রাসিকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এটিই দেশের সবচেয়ে বড় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল।

ম্যুরালটির সীমানা প্রাচীরের দুপাশে ৭০০ বর্গফুট টেরাকাটার কাজ করা হয়। এক ধারে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের লোকজ সংস্কৃতির নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যও তুলে ধরা হয়েছিল। ল্যান্ডস্কেপিংয়ে গ্রানাইট দিয়ে সজ্জিত করা হয়।

২০১৯ সালের ১ অক্টোবর ম্যুরালের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন- রাসিকের তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারও সঙ্গে ছিলেন। ২০২২ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। একই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত পঞ্চম সাংস্কৃতিক মিলন মেলায় অংশ নিতে রাজশাহী আসা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল এবং তৎকালীন সিটি মেয়র লিটন ম্যুরালটির উদ্বোধন করেন।

গেল ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর এই ম্যুরাল ও টেরাকাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা যায়নি। রোববার সকাল থেকে সাদা রঙের প্রলেপে ম্যুরাল থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এর আগে গত ৫ আগস্টই রাজশাহীতে থাকা বঙ্গবন্ধুর বেশিরভাগ ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি বুলডোজার দিয়ে রাজশাহী কলেজে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি গুঁড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

রঙ করে ঢেকে দেওয়া হলো শেখ মুজিবুরের ‘সবচেয়ে বড়’ ম্যুরাল

আপডেট সময় ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় ম্যুরালটি সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন রঙমিস্ত্রিকে কাজ করতে দেখা গেছে।

নগরের সিঅ্যান্ডবি মোড়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গায় ম্যুরালটি নির্মাণ করে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। ম্যুরালের উচ্চতা ৫৮ ফুট। তবে মূল অংশের উচ্চতা ৫০ ফুট। আর চওড়া ৪০ ফুট। এটি নির্মাণে পাঁচ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয় করে রাসিক। নির্মাণের পর রাসিকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এটিই দেশের সবচেয়ে বড় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল।

ম্যুরালটির সীমানা প্রাচীরের দুপাশে ৭০০ বর্গফুট টেরাকাটার কাজ করা হয়। এক ধারে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের লোকজ সংস্কৃতির নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যও তুলে ধরা হয়েছিল। ল্যান্ডস্কেপিংয়ে গ্রানাইট দিয়ে সজ্জিত করা হয়।

২০১৯ সালের ১ অক্টোবর ম্যুরালের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন- রাসিকের তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারও সঙ্গে ছিলেন। ২০২২ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। একই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত পঞ্চম সাংস্কৃতিক মিলন মেলায় অংশ নিতে রাজশাহী আসা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল এবং তৎকালীন সিটি মেয়র লিটন ম্যুরালটির উদ্বোধন করেন।

গেল ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর এই ম্যুরাল ও টেরাকাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা যায়নি। রোববার সকাল থেকে সাদা রঙের প্রলেপে ম্যুরাল থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এর আগে গত ৫ আগস্টই রাজশাহীতে থাকা বঙ্গবন্ধুর বেশিরভাগ ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি বুলডোজার দিয়ে রাজশাহী কলেজে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি গুঁড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।