ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা কেন আন্দোলনে

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করা ছাড়া আর কাউকেই ‘প্রকৌশলী’ হিসেবে পরিচয় ব্যবহার করতে দিতে চান না বিএসসি প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। আবার ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ‘উপ-সহকারী প্রকৌশলী’র সংরক্ষিত পদে নিয়োগও চান তারা।

এছাড়াও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ‘ইঞ্জিনিয়ার’ মানতে চান না যারা, তারাই আবার নিম্ন পদে নিয়োগ চাইছেন। এটিকে ‘স্ববিরোধিতা’ উল্লেখ করে নিজেদের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছেন ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা।

তাদের এই আন্দোলন নিয়ে বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকৌশল পেশাজীবীদের সমস্যা নিরসনে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমস্যাগুলো নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। সব পক্ষের প্রতিনিধি ছিলেন। আলোচনার পর ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমস্যা সমাধানে কমিটি এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত দেবে।’

তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার কাকে বলা হবে বা কাকে বলা হবে না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

কবীর হোসেন বলেন, ‘দশম গ্রেডে প্রবেশ পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ছাড়া কেউ আবেদন করতে পারবেন না, বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় থাকবেন। তিন জায়গা অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট ও মেট্রোরেলে যে নিয়োগ হয়েছে—তা বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে। নবম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। তবে আপাতত ৩৩ শতাংশই থাকছে।’

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওরা গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার। মানুষ ওপরের দিকে যাওয়ার প্রত্যাশা করে কিন্তু তারা নিম্ন পদে আবেদন করার সুযোগ চান। অথচ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ইঞ্জিনিয়ার পদ ব্যবহার করতে দিতে চান না তারা। এটা হচ্ছে ভিন্ন চোখে দেখা। প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়ন করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। গ্র্যাজুয়েট প্রকৌশলীরা পরিকল্পনা করবেন, ডিজাইন করবেন, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করবেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। ডিপ্লোমা প্রকৌশল পাস না করলে উপ-সহকারী পদে আবেদনই করতে পারবে না। সেই পদ তারা (বিসিএস প্রকৌশলী) গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়ে চাকরি করতে চান। তারা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বলছে টেকনিশিয়ান, তাহলে সেই পদে তারা চাকরি চাইবেন কেন? তাদের তিনটি দাবিই সাংঘর্ষিক।’

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা কেন আন্দোলনে

আপডেট সময় ১১:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করা ছাড়া আর কাউকেই ‘প্রকৌশলী’ হিসেবে পরিচয় ব্যবহার করতে দিতে চান না বিএসসি প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। আবার ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ‘উপ-সহকারী প্রকৌশলী’র সংরক্ষিত পদে নিয়োগও চান তারা।

এছাড়াও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ‘ইঞ্জিনিয়ার’ মানতে চান না যারা, তারাই আবার নিম্ন পদে নিয়োগ চাইছেন। এটিকে ‘স্ববিরোধিতা’ উল্লেখ করে নিজেদের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছেন ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা।

তাদের এই আন্দোলন নিয়ে বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকৌশল পেশাজীবীদের সমস্যা নিরসনে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমস্যাগুলো নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। সব পক্ষের প্রতিনিধি ছিলেন। আলোচনার পর ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমস্যা সমাধানে কমিটি এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত দেবে।’

তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার কাকে বলা হবে বা কাকে বলা হবে না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

কবীর হোসেন বলেন, ‘দশম গ্রেডে প্রবেশ পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ছাড়া কেউ আবেদন করতে পারবেন না, বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় থাকবেন। তিন জায়গা অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট ও মেট্রোরেলে যে নিয়োগ হয়েছে—তা বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে। নবম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। তবে আপাতত ৩৩ শতাংশই থাকছে।’

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওরা গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার। মানুষ ওপরের দিকে যাওয়ার প্রত্যাশা করে কিন্তু তারা নিম্ন পদে আবেদন করার সুযোগ চান। অথচ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ইঞ্জিনিয়ার পদ ব্যবহার করতে দিতে চান না তারা। এটা হচ্ছে ভিন্ন চোখে দেখা। প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়ন করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। গ্র্যাজুয়েট প্রকৌশলীরা পরিকল্পনা করবেন, ডিজাইন করবেন, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করবেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। ডিপ্লোমা প্রকৌশল পাস না করলে উপ-সহকারী পদে আবেদনই করতে পারবে না। সেই পদ তারা (বিসিএস প্রকৌশলী) গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়ে চাকরি করতে চান। তারা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বলছে টেকনিশিয়ান, তাহলে সেই পদে তারা চাকরি চাইবেন কেন? তাদের তিনটি দাবিই সাংঘর্ষিক।’