ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo একটি নিখোঁজ সংবাদ : মোসাঃ স্বর্ণা খাতুন এবং তার ছেলে আবু তালহা নিখোঁজ হয়েছেন। Logo ঐক্য ও সহঅবস্থানে এগিয়ে যাবে নারায়ণগঞ্জ: ডিসি রায়হান কবির Logo উৎসবের আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ বরণ Logo পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন Logo গুমের পর হত্যা মামলায় রানা, হত্যাচেষ্টায় রনি Logo শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-রাষ্ট্রের সমন্বয় জরুরি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের নামে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি Logo “জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বিএমএসএফ বন্দর উপজেলা শাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান Logo নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র(NJU) কার্যকরী কমিটি(২০২৬-২০২৮)ঘোষণা : সভাপতি আরজু-সাঃ সম্পাদক বিদ্যুৎ Logo দূর্নীতিবাজ আমলাদের কাছে রাজনীতিবীদরা জিম্মি

পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

মিজানুর রহমান মাহিম : সম্প্রতি এক আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা, যেখানে মোড়ক উন্মোচন করা হয় বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সংগঠক মোঃ মামুন হোসেন-এর একক প্রবন্ধ গ্রন্থ “জীবনের বর্ণিল ক্যানভাস”। এ বইটি তিনি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে উৎসর্গ করেছেন তাঁর মাতৃতুল্য বড় বোন মায়া আক্তারের নামে, যা অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করে।অনুষ্ঠানটি ছিল একেবারেই ঘরোয়া, তবে ভাবগম্ভীর ও প্রাণবন্ত। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সাহিত্যচর্চার এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর লেখক তাঁর গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং লেখালেখির পেছনের অনুপ্রেরণার গল্প শোনান। উপস্থিত সকলে মনোযোগ সহকারে তাঁর বক্তব্য শোনেন এবং বইটির বিভিন্ন প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের জীবনের এক অনন্য আনন্দের অংশ। ব্যস্ততার ভিড়ে যখন আমরা কিছু সময় বের করে একসাথে বসি—গল্প, কবিতা কিংবা প্রবন্ধ পাঠ করি—তখন সম্পর্কগুলো আরও গভীর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ভালোবাসা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন।
বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি এক চমৎকার শিক্ষার ক্ষেত্র। তারা বড়দের কাছ থেকে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ পায় এবং নিজের ভাব প্রকাশের সাহস অর্জন করে। অন্যদিকে বড়দের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও চিন্তার বিকাশের এক সুন্দর প্ল্যাটফর্ম।
এ ধরনের ছোট ছোট আয়োজনেই তৈরি হয় অসংখ্য মনভরা মুহূর্ত। একসাথে হাসি, গল্প আর চিন্তার আদান-প্রদান আমাদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের চিন্তাশক্তি প্রসারিত হয়, ভাষার প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় এবং মননশীলতা বৃদ্ধি পায়।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আধুনিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিকতার মাঝে এমন আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবারই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সাহিত্য সেই শক্তিকে করে আরও সমৃদ্ধ।পরিবারের মাঝে সাহিত্যচর্চার এই ধারা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশাই

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একটি নিখোঁজ সংবাদ : মোসাঃ স্বর্ণা খাতুন এবং তার ছেলে আবু তালহা নিখোঁজ হয়েছেন।

পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট সময় ১২:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মিজানুর রহমান মাহিম : সম্প্রতি এক আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা, যেখানে মোড়ক উন্মোচন করা হয় বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সংগঠক মোঃ মামুন হোসেন-এর একক প্রবন্ধ গ্রন্থ “জীবনের বর্ণিল ক্যানভাস”। এ বইটি তিনি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে উৎসর্গ করেছেন তাঁর মাতৃতুল্য বড় বোন মায়া আক্তারের নামে, যা অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করে।অনুষ্ঠানটি ছিল একেবারেই ঘরোয়া, তবে ভাবগম্ভীর ও প্রাণবন্ত। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সাহিত্যচর্চার এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর লেখক তাঁর গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং লেখালেখির পেছনের অনুপ্রেরণার গল্প শোনান। উপস্থিত সকলে মনোযোগ সহকারে তাঁর বক্তব্য শোনেন এবং বইটির বিভিন্ন প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের জীবনের এক অনন্য আনন্দের অংশ। ব্যস্ততার ভিড়ে যখন আমরা কিছু সময় বের করে একসাথে বসি—গল্প, কবিতা কিংবা প্রবন্ধ পাঠ করি—তখন সম্পর্কগুলো আরও গভীর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ভালোবাসা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন।
বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি এক চমৎকার শিক্ষার ক্ষেত্র। তারা বড়দের কাছ থেকে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ পায় এবং নিজের ভাব প্রকাশের সাহস অর্জন করে। অন্যদিকে বড়দের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও চিন্তার বিকাশের এক সুন্দর প্ল্যাটফর্ম।
এ ধরনের ছোট ছোট আয়োজনেই তৈরি হয় অসংখ্য মনভরা মুহূর্ত। একসাথে হাসি, গল্প আর চিন্তার আদান-প্রদান আমাদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের চিন্তাশক্তি প্রসারিত হয়, ভাষার প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় এবং মননশীলতা বৃদ্ধি পায়।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আধুনিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিকতার মাঝে এমন আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবারই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সাহিত্য সেই শক্তিকে করে আরও সমৃদ্ধ।পরিবারের মাঝে সাহিত্যচর্চার এই ধারা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশাই