ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নির্বাচন সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ টাইলস্ দোকান মালিক সমিতির Logo ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব দিবসে নাঃগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংলড়ী ও কভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের র‍্যালী Logo সিদ্ধিরগঞ্জে বিহারী পট্টি ৩নং বালুর মাঠে বাবলা ও হীরার রমরমা মাদক ব্যবসা; এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি Logo ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি Logo তানজিন তিশার সদস্যপদ স্থগিত করলো অভিনয়শিল্পী সংঘ Logo আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস Logo মাত্র দুই বছরে ১০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে কোটি টাকার মালিক! ‘দিশারি ট্রাস্ট’ ঘিরে নানা প্রশ্ন Logo আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য আ.লীগের দোসর মানিকের ভবন নির্মাণ Logo বন্দরে আদালত অবমাননা করে জমি মাপার নির্দেশ, ওসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন? Logo ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মিয়াপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ মেগা ফাইনাল

পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

মিজানুর রহমান মাহিম : সম্প্রতি এক আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা, যেখানে মোড়ক উন্মোচন করা হয় বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সংগঠক মোঃ মামুন হোসেন-এর একক প্রবন্ধ গ্রন্থ “জীবনের বর্ণিল ক্যানভাস”। এ বইটি তিনি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে উৎসর্গ করেছেন তাঁর মাতৃতুল্য বড় বোন মায়া আক্তারের নামে, যা অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করে।অনুষ্ঠানটি ছিল একেবারেই ঘরোয়া, তবে ভাবগম্ভীর ও প্রাণবন্ত। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সাহিত্যচর্চার এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর লেখক তাঁর গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং লেখালেখির পেছনের অনুপ্রেরণার গল্প শোনান। উপস্থিত সকলে মনোযোগ সহকারে তাঁর বক্তব্য শোনেন এবং বইটির বিভিন্ন প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের জীবনের এক অনন্য আনন্দের অংশ। ব্যস্ততার ভিড়ে যখন আমরা কিছু সময় বের করে একসাথে বসি—গল্প, কবিতা কিংবা প্রবন্ধ পাঠ করি—তখন সম্পর্কগুলো আরও গভীর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ভালোবাসা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন।
বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি এক চমৎকার শিক্ষার ক্ষেত্র। তারা বড়দের কাছ থেকে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ পায় এবং নিজের ভাব প্রকাশের সাহস অর্জন করে। অন্যদিকে বড়দের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও চিন্তার বিকাশের এক সুন্দর প্ল্যাটফর্ম।
এ ধরনের ছোট ছোট আয়োজনেই তৈরি হয় অসংখ্য মনভরা মুহূর্ত। একসাথে হাসি, গল্প আর চিন্তার আদান-প্রদান আমাদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের চিন্তাশক্তি প্রসারিত হয়, ভাষার প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় এবং মননশীলতা বৃদ্ধি পায়।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আধুনিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিকতার মাঝে এমন আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবারই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সাহিত্য সেই শক্তিকে করে আরও সমৃদ্ধ।পরিবারের মাঝে সাহিত্যচর্চার এই ধারা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশাই

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নির্বাচন সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ টাইলস্ দোকান মালিক সমিতির

পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট সময় ১২:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মিজানুর রহমান মাহিম : সম্প্রতি এক আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা, যেখানে মোড়ক উন্মোচন করা হয় বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সংগঠক মোঃ মামুন হোসেন-এর একক প্রবন্ধ গ্রন্থ “জীবনের বর্ণিল ক্যানভাস”। এ বইটি তিনি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে উৎসর্গ করেছেন তাঁর মাতৃতুল্য বড় বোন মায়া আক্তারের নামে, যা অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করে।অনুষ্ঠানটি ছিল একেবারেই ঘরোয়া, তবে ভাবগম্ভীর ও প্রাণবন্ত। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সাহিত্যচর্চার এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর লেখক তাঁর গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং লেখালেখির পেছনের অনুপ্রেরণার গল্প শোনান। উপস্থিত সকলে মনোযোগ সহকারে তাঁর বক্তব্য শোনেন এবং বইটির বিভিন্ন প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের জীবনের এক অনন্য আনন্দের অংশ। ব্যস্ততার ভিড়ে যখন আমরা কিছু সময় বের করে একসাথে বসি—গল্প, কবিতা কিংবা প্রবন্ধ পাঠ করি—তখন সম্পর্কগুলো আরও গভীর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ভালোবাসা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন।
বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি এক চমৎকার শিক্ষার ক্ষেত্র। তারা বড়দের কাছ থেকে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ পায় এবং নিজের ভাব প্রকাশের সাহস অর্জন করে। অন্যদিকে বড়দের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও চিন্তার বিকাশের এক সুন্দর প্ল্যাটফর্ম।
এ ধরনের ছোট ছোট আয়োজনেই তৈরি হয় অসংখ্য মনভরা মুহূর্ত। একসাথে হাসি, গল্প আর চিন্তার আদান-প্রদান আমাদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের চিন্তাশক্তি প্রসারিত হয়, ভাষার প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় এবং মননশীলতা বৃদ্ধি পায়।পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা আমাদের পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আধুনিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিকতার মাঝে এমন আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবারই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সাহিত্য সেই শক্তিকে করে আরও সমৃদ্ধ।পরিবারের মাঝে সাহিত্যচর্চার এই ধারা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশাই