ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo খানপুর হাসপাতালে ১৯ বছর ধরে একই পদে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আক্তারুজ্জামানকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার অভিযোগ Logo ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিলেই উপর থেকে নেমে আসে মাদক Logo যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহেনশাহর মা জাহানারা আর নেই Logo সরকারি সময়সূচি উপেক্ষার অভিযোগ: কাউলীবেড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার সাধারণ মানুষ Logo নাসিকে যুক্ত হচ্ছে ফতুল্লা-কুতুবপুর-এনায়েতনগর, বাদ কাশীপুর Logo নাসিকের টেন্ডার বাণিজ্যেরও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে Logo শহরে অটোরিকশার সংখ্যা ও গ্যারেজের তালিকা চাইলেন এমপি আবুল কালাম Logo লিংক রোড সকালে পরিষ্কার, রাতে ফের ময়লা Logo হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত, যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান Logo চেলসিকে রুখে দিয়ে তৃতীয় স্থানে হাল সিটি, হতাশ লিভারপুল

ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিলেই উপর থেকে নেমে আসে মাদক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে ১২ দিন ধরে। এর মধ্যে পুলিশের হাতে একাধিক কৌশলধারী মাদককারবারি ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে ফতুল্লার কেতাবনগর এলাকার দুর্ধর্ষ মাদককারবারি উৎসর মাদক বিক্রির কৌশল দেখে পুলিশ আশ্চর্য হয়েছে।

একটি নির্মাণাধীন ভবনের একপাশ দিয়ে ক্রেতারা সিরিয়াল ধরে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন। আর অপর পাশ থেকে কে টাকা গ্রহণ করছে তা ক্রেতারা দেখেন না। তবে চাহিদামতো মাদক প্লাস্টিকের বোতলের ভিতর ভরে সুতলি দিয়ে উপর থেকে নিচে ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ক্রেতা তার মাদক নিয়ে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানায়, মাদককারবারি উৎস তার স্পটের চারপাশে লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন। পুলিশ বা সাংবাদিক দেখলেই সংকেত দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়। এতে মাদক স্পটের সবাই মুহূর্তের মধ্যে আত্মগোপন করেন। সোর্সদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম মাদককারবারি উৎসর স্পটে সোমবার বিকালে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উৎস ও তার লোকজন আত্মগোপন করেন। পুলিশ ওই স্পটে কাউকে পায়নি। তবে তাদের মাদক বিক্রির কৌশল পেয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ফতুল্লায় গত ১২ দিনে অন্তত ২শ মাদককারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণের মাদক উদ্ধার করা হয়। তবে কিছু কৌশলধারী মাদককারবারি আমাদের আশ্চর্য করেছে। এর মধ্যে উৎস নামে একজন মাদককারবারির স্পটে গিয়ে দেখি ক্রেতারা বিশ্বাস করে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন আর উপর থেকে প্লাস্টিকের বোতলে সুতলি বেঁধে মাদক হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কে টাকা নিচ্ছে কে মাদক নিচে ফেলছে কাউকেই দেখা যায় না। এটা আসলেই আশ্চর্য হওয়ার মতো। এসব কৌশলধারী মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশও কৌশল নিয়েছে। খুব শিগগিরই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খানপুর হাসপাতালে ১৯ বছর ধরে একই পদে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আক্তারুজ্জামানকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার অভিযোগ

ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিলেই উপর থেকে নেমে আসে মাদক

আপডেট সময় ০৪:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে ১২ দিন ধরে। এর মধ্যে পুলিশের হাতে একাধিক কৌশলধারী মাদককারবারি ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে ফতুল্লার কেতাবনগর এলাকার দুর্ধর্ষ মাদককারবারি উৎসর মাদক বিক্রির কৌশল দেখে পুলিশ আশ্চর্য হয়েছে।

একটি নির্মাণাধীন ভবনের একপাশ দিয়ে ক্রেতারা সিরিয়াল ধরে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন। আর অপর পাশ থেকে কে টাকা গ্রহণ করছে তা ক্রেতারা দেখেন না। তবে চাহিদামতো মাদক প্লাস্টিকের বোতলের ভিতর ভরে সুতলি দিয়ে উপর থেকে নিচে ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ক্রেতা তার মাদক নিয়ে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানায়, মাদককারবারি উৎস তার স্পটের চারপাশে লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন। পুলিশ বা সাংবাদিক দেখলেই সংকেত দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়। এতে মাদক স্পটের সবাই মুহূর্তের মধ্যে আত্মগোপন করেন। সোর্সদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম মাদককারবারি উৎসর স্পটে সোমবার বিকালে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উৎস ও তার লোকজন আত্মগোপন করেন। পুলিশ ওই স্পটে কাউকে পায়নি। তবে তাদের মাদক বিক্রির কৌশল পেয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ফতুল্লায় গত ১২ দিনে অন্তত ২শ মাদককারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণের মাদক উদ্ধার করা হয়। তবে কিছু কৌশলধারী মাদককারবারি আমাদের আশ্চর্য করেছে। এর মধ্যে উৎস নামে একজন মাদককারবারির স্পটে গিয়ে দেখি ক্রেতারা বিশ্বাস করে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন আর উপর থেকে প্লাস্টিকের বোতলে সুতলি বেঁধে মাদক হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কে টাকা নিচ্ছে কে মাদক নিচে ফেলছে কাউকেই দেখা যায় না। এটা আসলেই আশ্চর্য হওয়ার মতো। এসব কৌশলধারী মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশও কৌশল নিয়েছে। খুব শিগগিরই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করা হবে।