ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ Logo নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ Logo চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী Logo বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা Logo ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল Logo নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত Logo আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন Logo র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম Logo বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

রাজনীতি হতে হবে মানুষের মুক্তির উপায়, শোষণ বা ক্ষমতার হাতিয়ার নয়

মোঃ মামুন হোসেন: রাজনীতি শব্দটির মূল অর্থ হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার কলা বা পদ্ধতি। কিন্তু বাস্তবে রাজনীতি শুধু ক্ষমতার খেলা বা শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়; এটি সমাজ, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। প্রকৃত রাজনীতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের মুক্তি, সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান সময়ে রাজনীতি প্রায়ই ক্ষমতা দখল, শোষণ ও ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তাই প্রয়োজন এমন রাজনীতি, যা মানুষের মুক্তির পথ তৈরি করবে—না যে রাজনীতি মানুষকে বিভক্ত, নিপীড়িত ও পরাধীন করে তুলবে।রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ। ইতিহাসে আমরা দেখি, প্রাচীন গ্রিসে অ্যারিস্টটল বলেছিলেন—“মানুষ রাজনৈতিক প্রাণী,” অর্থাৎ রাজনীতি মানুষের সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এর অর্থ, রাজনীতি সমাজকে সংগঠিত করে, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। রাজনীতি তখনই সার্থক হয়, যখন তা মানুষের অধিকার রক্ষা করে, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ দেয়।
মুক্তির রাজনীতি’ বলতে বোঝায় এমন এক রাজনৈতিক দর্শন, যা মানুষকে দারিদ্র্য, অশিক্ষা, বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও নিপীড়নের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দেয়। এর লক্ষ্য ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। অন্যদিকে ‘ক্ষমতার রাজনীতি’ হলো এমন রাজনীতি, যেখানে মূল লক্ষ্য থাকে ক্ষমতা অর্জন ও তা ধরে রাখার কৌশল। সেখানে জনগণের কল্যাণ নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থই মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে রাজনীতি তখন শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয়।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও আমরা এই দুই ধারার অস্তিত্ব লক্ষ্য করি। মুক্তিযুদ্ধ ছিল মুক্তির রাজনীতির সর্বোত্তম উদাহরণ—যেখানে রাজনীতি ছিল মানুষকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করার এক মহাযজ্ঞ। কিন্তু স্বাধীনতার পর বহু সময় রাজনীতি ক্ষমতার প্রতিযোগিতা ও দলীয় স্বার্থের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে, ফলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনেকাংশে অপূর্ণ থেকে গেছে।রাজনীতি যদি জনগণের মুক্তির মাধ্যম না হয়, তবে সেটি সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্য বাড়ায়। আজকের বিশ্বে দেখা যায়, রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতাধর শ্রেণি প্রায়ই সাধারণ মানুষের শ্রম ও অধিকার শোষণ করছে। ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক দুর্নীতি, ভোটের নামে প্রহসন—সবই ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির লক্ষণ। ফলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়, জনগণের আস্থা নষ্ট হয়, এবং সমাজে হতাশা বাড়ে।এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য দরকার শোষণমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক রাজনীতি। এমন রাজনীতি, যা প্রতিটি নাগরিককে মর্যাদার চোখে দেখে, যেখানে নেতা ও কর্মী উভয়ের লক্ষ্য থাকবে জনগণের কল্যাণ সাধন।১. মানবিকতা ও ন্যায়বিচার: মুক্তির রাজনীতি মানবিক মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। এটি কোনো ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ বা শ্রেণিভেদ মানে না।২. জনগণের অংশগ্রহণ: এখানে জনগণ শুধু ভোটার নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার সক্রিয় অংশীদার।৩. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: মুক্তির রাজনীতি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে। জনগণের কাছে শাসকগোষ্ঠীকে জবাবদিহি করতে হয়।৪. শিক্ষা ও সচেতনতা: মানুষ যত সচেতন হবে, ততই মুক্তির রাজনীতি শক্তিশালী হবে। কারণ অশিক্ষিত সমাজ সহজেই প্রতারণার শিকার হয়।৫. অর্থনৈতিক সমতা: মুক্তির রাজনীতি দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
বাংলাদেশের সংবিধানে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় সেই ক্ষমতা কেবল রাজনৈতিক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। জনগণের কল্যাণে রাজনীতি কার্যকর করতে হলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে হবে। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। রাজনীতিবিদদের নৈতিকতা, সততা ও জনসেবার মানসিকতা থাকা অপরিহার্য।শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ প্রজন্মকেও রাজনীতিতে যুক্ত হতে হবে, যেন রাজনীতি কেবল ক্ষমতাবানদের খেলার মাঠ না হয়ে ওঠে। নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মুক্তচিন্তার রাজনীতি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে হবে।
রাজনীতি যদি মানুষের মুক্তির উপায় হয়, তবে সমাজে আসবে শান্তি, সাম্য ও ন্যায়বিচার। কিন্তু যদি রাজনীতি ক্ষমতা ও শোষণের হাতিয়ার হয়, তবে সমাজে বেড়ে উঠবে বিভেদ, দুর্নীতি ও অমানবিকতা। তাই আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো—রাজনীতিকে মানবমুক্তির পথ হিসেবে গড়ে তোলা। প্রকৃত রাজনীতি হবে জনকল্যাণের রাজনীতি, যেখানে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা পাবে।সত্যিকারের রাজনীতি সেই, যা মানুষকে মানুষ হিসেবে মুক্ত ও মর্যাদাশীল করে তোলে—ক্ষমতার দাসে পরিণত নয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ

রাজনীতি হতে হবে মানুষের মুক্তির উপায়, শোষণ বা ক্ষমতার হাতিয়ার নয়

আপডেট সময় ১০:৩০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ মামুন হোসেন: রাজনীতি শব্দটির মূল অর্থ হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার কলা বা পদ্ধতি। কিন্তু বাস্তবে রাজনীতি শুধু ক্ষমতার খেলা বা শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়; এটি সমাজ, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। প্রকৃত রাজনীতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের মুক্তি, সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান সময়ে রাজনীতি প্রায়ই ক্ষমতা দখল, শোষণ ও ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তাই প্রয়োজন এমন রাজনীতি, যা মানুষের মুক্তির পথ তৈরি করবে—না যে রাজনীতি মানুষকে বিভক্ত, নিপীড়িত ও পরাধীন করে তুলবে।রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ। ইতিহাসে আমরা দেখি, প্রাচীন গ্রিসে অ্যারিস্টটল বলেছিলেন—“মানুষ রাজনৈতিক প্রাণী,” অর্থাৎ রাজনীতি মানুষের সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এর অর্থ, রাজনীতি সমাজকে সংগঠিত করে, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। রাজনীতি তখনই সার্থক হয়, যখন তা মানুষের অধিকার রক্ষা করে, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ দেয়।
মুক্তির রাজনীতি’ বলতে বোঝায় এমন এক রাজনৈতিক দর্শন, যা মানুষকে দারিদ্র্য, অশিক্ষা, বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও নিপীড়নের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দেয়। এর লক্ষ্য ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। অন্যদিকে ‘ক্ষমতার রাজনীতি’ হলো এমন রাজনীতি, যেখানে মূল লক্ষ্য থাকে ক্ষমতা অর্জন ও তা ধরে রাখার কৌশল। সেখানে জনগণের কল্যাণ নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থই মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে রাজনীতি তখন শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয়।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও আমরা এই দুই ধারার অস্তিত্ব লক্ষ্য করি। মুক্তিযুদ্ধ ছিল মুক্তির রাজনীতির সর্বোত্তম উদাহরণ—যেখানে রাজনীতি ছিল মানুষকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করার এক মহাযজ্ঞ। কিন্তু স্বাধীনতার পর বহু সময় রাজনীতি ক্ষমতার প্রতিযোগিতা ও দলীয় স্বার্থের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে, ফলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনেকাংশে অপূর্ণ থেকে গেছে।রাজনীতি যদি জনগণের মুক্তির মাধ্যম না হয়, তবে সেটি সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্য বাড়ায়। আজকের বিশ্বে দেখা যায়, রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতাধর শ্রেণি প্রায়ই সাধারণ মানুষের শ্রম ও অধিকার শোষণ করছে। ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক দুর্নীতি, ভোটের নামে প্রহসন—সবই ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির লক্ষণ। ফলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়, জনগণের আস্থা নষ্ট হয়, এবং সমাজে হতাশা বাড়ে।এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য দরকার শোষণমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক রাজনীতি। এমন রাজনীতি, যা প্রতিটি নাগরিককে মর্যাদার চোখে দেখে, যেখানে নেতা ও কর্মী উভয়ের লক্ষ্য থাকবে জনগণের কল্যাণ সাধন।১. মানবিকতা ও ন্যায়বিচার: মুক্তির রাজনীতি মানবিক মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। এটি কোনো ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ বা শ্রেণিভেদ মানে না।২. জনগণের অংশগ্রহণ: এখানে জনগণ শুধু ভোটার নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার সক্রিয় অংশীদার।৩. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: মুক্তির রাজনীতি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে। জনগণের কাছে শাসকগোষ্ঠীকে জবাবদিহি করতে হয়।৪. শিক্ষা ও সচেতনতা: মানুষ যত সচেতন হবে, ততই মুক্তির রাজনীতি শক্তিশালী হবে। কারণ অশিক্ষিত সমাজ সহজেই প্রতারণার শিকার হয়।৫. অর্থনৈতিক সমতা: মুক্তির রাজনীতি দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
বাংলাদেশের সংবিধানে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় সেই ক্ষমতা কেবল রাজনৈতিক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। জনগণের কল্যাণে রাজনীতি কার্যকর করতে হলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে হবে। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। রাজনীতিবিদদের নৈতিকতা, সততা ও জনসেবার মানসিকতা থাকা অপরিহার্য।শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ প্রজন্মকেও রাজনীতিতে যুক্ত হতে হবে, যেন রাজনীতি কেবল ক্ষমতাবানদের খেলার মাঠ না হয়ে ওঠে। নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মুক্তচিন্তার রাজনীতি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে হবে।
রাজনীতি যদি মানুষের মুক্তির উপায় হয়, তবে সমাজে আসবে শান্তি, সাম্য ও ন্যায়বিচার। কিন্তু যদি রাজনীতি ক্ষমতা ও শোষণের হাতিয়ার হয়, তবে সমাজে বেড়ে উঠবে বিভেদ, দুর্নীতি ও অমানবিকতা। তাই আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো—রাজনীতিকে মানবমুক্তির পথ হিসেবে গড়ে তোলা। প্রকৃত রাজনীতি হবে জনকল্যাণের রাজনীতি, যেখানে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা পাবে।সত্যিকারের রাজনীতি সেই, যা মানুষকে মানুষ হিসেবে মুক্ত ও মর্যাদাশীল করে তোলে—ক্ষমতার দাসে পরিণত নয়।