ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাত্র দুই বছরে ১০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে কোটি টাকার মালিক! ‘দিশারি ট্রাস্ট’ ঘিরে নানা প্রশ্ন Logo আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য আ.লীগের দোসর মানিকের ভবন নির্মাণ Logo বন্দরে আদালত অবমাননা করে জমি মাপার নির্দেশ, ওসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন? Logo ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মিয়াপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ মেগা ফাইনাল Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ

২ ঘন্টা পর অবরুদ্ধ এমপি আল আমিন উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের বিসিক শিল্পাঞ্চলে এক অনুষ্ঠানে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলায় অবরুদ্ধের দুই ঘণ্টা পর এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিসিকের এক নম্বর গেইটে একটি পোশাক কারখানার ভেতর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান।
এদিন বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠানে গিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে অবরুদ্ধ হন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন। এ সময় বাইরে মোহাম্মদ হাতেমের অনুসারী ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা অবস্থান নেন। সেখানে অনুসারীদের নিয়ে ছিলেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদও।

পোশাক কারখানাটির নিচে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন যুবকের হাতে হকিস্টিক ও বাঁশ দেখা যায়। তবে, এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাসেল মাহমুদ সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কিন্তু তাদের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বললে রাসেল মাহমুদ পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন ‘প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া’ পর্যন্ত তারা এই জায়গা ছেড়ে যাবেন না।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিসিক শিল্পঞ্চলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা দিলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য সেখানে যায়। রাত আটটার পর তাকে উদ্ধার করে চাষাঢ়ার দিকে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় চাষাঢ়ায় এনসিপির কার্যালয়ে ওঠেন এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন।

সেখানে এ প্রতিবেদককে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকে তান্ডব বলেছিল মোহাম্মদ হাতেম। আমরা তাকে ফ্যাসিস্টের দোসরই মনে করি। ফ্যাসিস্টের সহযোগী সেলিম ওসমান যখন বিকেএমইএ’র সভাপতি ছিলেন তখন তিনি ছিলেন নির্বাহী সভাপতি। হাতেম এই প্রোগ্রামে থাকবেন জানলে আমি যেতামই না। আমি বক্তব্যে বলেছি, ফ্যাসিস্টের দোসরের সঙ্গে আমি স্টেজ শেয়ার করতে পারিনি। এরপর উনি ওনার গুন্ডা-পান্ডাদের নিয়ে এসে আমাদের উপর হামলার চেষ্টা করেছেন। আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধরও করেছেন।”

এ সময় পাশে থাকা ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, “একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র দুই বছরে ১০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে কোটি টাকার মালিক! ‘দিশারি ট্রাস্ট’ ঘিরে নানা প্রশ্ন

২ ঘন্টা পর অবরুদ্ধ এমপি আল আমিন উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:১৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বিসিক শিল্পাঞ্চলে এক অনুষ্ঠানে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলায় অবরুদ্ধের দুই ঘণ্টা পর এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিসিকের এক নম্বর গেইটে একটি পোশাক কারখানার ভেতর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান।
এদিন বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠানে গিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে অবরুদ্ধ হন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন। এ সময় বাইরে মোহাম্মদ হাতেমের অনুসারী ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা অবস্থান নেন। সেখানে অনুসারীদের নিয়ে ছিলেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদও।

পোশাক কারখানাটির নিচে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন যুবকের হাতে হকিস্টিক ও বাঁশ দেখা যায়। তবে, এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাসেল মাহমুদ সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কিন্তু তাদের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বললে রাসেল মাহমুদ পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন ‘প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া’ পর্যন্ত তারা এই জায়গা ছেড়ে যাবেন না।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিসিক শিল্পঞ্চলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা দিলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য সেখানে যায়। রাত আটটার পর তাকে উদ্ধার করে চাষাঢ়ার দিকে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় চাষাঢ়ায় এনসিপির কার্যালয়ে ওঠেন এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন।

সেখানে এ প্রতিবেদককে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকে তান্ডব বলেছিল মোহাম্মদ হাতেম। আমরা তাকে ফ্যাসিস্টের দোসরই মনে করি। ফ্যাসিস্টের সহযোগী সেলিম ওসমান যখন বিকেএমইএ’র সভাপতি ছিলেন তখন তিনি ছিলেন নির্বাহী সভাপতি। হাতেম এই প্রোগ্রামে থাকবেন জানলে আমি যেতামই না। আমি বক্তব্যে বলেছি, ফ্যাসিস্টের দোসরের সঙ্গে আমি স্টেজ শেয়ার করতে পারিনি। এরপর উনি ওনার গুন্ডা-পান্ডাদের নিয়ে এসে আমাদের উপর হামলার চেষ্টা করেছেন। আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধরও করেছেন।”

এ সময় পাশে থাকা ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, “একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”