ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শুভ হত্যাকাণ্ডে অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যুবক শুভকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি মো. আল আমিন ইসলাম ওরফে লাল শুভ (২৪), কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

সে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার মো. খলিল হোসেনের ছেলে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর রাত ৩টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি এবং র‍্যাব-১৩, রংপুরের একটি যৌথ দল নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার গাড়াগ্রাম জুম্মার পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব এজাহার সূত্রে জানায়, নিহত শুভ (২১) এসি মেকার ছিলেন। প্রায় ৭-৮ মাস ধরে এলাকার কিছু বখাটেদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫-২০ দিন আগে প্রধান আসামি রানা’র সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয়। এরপর থেকেই রানা ও তার সহযোগীরা শুভকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল।

গত ২৯ মার্চ বিকেলে শুভ সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেফতারকৃত লাল শুভ তাকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইনে আসতে বলে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেখানে পৌঁছালে লাল শুভসহ অন্যান্য আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে।

একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা তার কোনো খোঁজ পাননি।

পরে ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে নিখোঁজের সাতদিন পর পরিবারের সদস্যরা সেটিকে শুভর মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতারে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে লাল শুভকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ে টেস্টে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

শুভ হত্যাকাণ্ডে অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যুবক শুভকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি মো. আল আমিন ইসলাম ওরফে লাল শুভ (২৪), কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

সে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার মো. খলিল হোসেনের ছেলে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর রাত ৩টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি এবং র‍্যাব-১৩, রংপুরের একটি যৌথ দল নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার গাড়াগ্রাম জুম্মার পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব এজাহার সূত্রে জানায়, নিহত শুভ (২১) এসি মেকার ছিলেন। প্রায় ৭-৮ মাস ধরে এলাকার কিছু বখাটেদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫-২০ দিন আগে প্রধান আসামি রানা’র সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয়। এরপর থেকেই রানা ও তার সহযোগীরা শুভকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল।

গত ২৯ মার্চ বিকেলে শুভ সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেফতারকৃত লাল শুভ তাকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইনে আসতে বলে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেখানে পৌঁছালে লাল শুভসহ অন্যান্য আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে।

একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা তার কোনো খোঁজ পাননি।

পরে ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে নিখোঁজের সাতদিন পর পরিবারের সদস্যরা সেটিকে শুভর মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতারে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে লাল শুভকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।