ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের Logo নাসিকে যুক্ত হচ্ছে ফতুল্লা-কুতুবপুর-এনায়েতনগর, বাদ কাশীপুর Logo নাসিকের টেন্ডার বাণিজ্যেরও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে Logo শহরে অটোরিকশার সংখ্যা ও গ্যারেজের তালিকা চাইলেন এমপি আবুল কালাম Logo লিংক রোড সকালে পরিষ্কার, রাতে ফের ময়লা Logo হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত, যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান Logo চেলসিকে রুখে দিয়ে তৃতীয় স্থানে হাল সিটি, হতাশ লিভারপুল Logo ডিসেম্বরেই মিমির সুখবর! Logo চট্টগ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ Logo আলিগঞ্জে অভিষেক অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন, উঠেছে নানা প্রশ্ন

১% প্রকল্পের বরাদ্দ না পেয়ে ইউএনও-কে ‘তালেবর’ বলে হুমকি, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ

আল আমিন : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১% বরাদ্দের উন্নয়ন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ‘অপরাধ বিচিত্রা’র শাহীন নামের এক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) মোবাইল ফোনে হুমকি ও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না পেয়ে অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মনগড়া দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে বিব্রত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
​জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১% তহবিলের সব প্রকল্প স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু এবং উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখা হয়, যাতে সর্বসাধারণ কাজের স্বচ্ছতা যাচাই করতে পারে। নীতিমালা অনুযায়ি ১% বরাদ্দের টাকা ব্যয় করার ক্ষমতা ইউএনওর নেই। এই বরাদ্দ ব্যয় করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের সুযোগ ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদের নেই।

সম্প্রতি ঢাকা থেকে আসা শাহীন নামের ওই ব্যক্তি ইউএনও অফিসে গিয়ে প্রথমে সপরিবারে কক্সবাজার ভ্রমণের বিমানের টিকিট ও হোটেলের ব্যবস্থা করতে বলেন। এতে প্রশাসন অপারগতা জানালে সরাসরি ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
​টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ইউএনও-কে হুমকি দিয়ে বলেন, “আপনি কোথাকার কোন তালেবান, আপনাকে আমরা দেখে নিব এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কথা না শোনার ফলাফল বুঝতে পারবেন।” এর পরপরই কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়াই প্রকল্প নিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর নিউজ প্রকাশ করা হয়।
​সংশ্লিষ্টরা জানান, অনলাইন পোর্টালের দায়বদ্ধতাহীন কিছু ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে গিয়ে এভাবে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করছে, যা দেশের জন্য একটি অশনি সংকেত। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রশাসন কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের

১% প্রকল্পের বরাদ্দ না পেয়ে ইউএনও-কে ‘তালেবর’ বলে হুমকি, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আল আমিন : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১% বরাদ্দের উন্নয়ন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ‘অপরাধ বিচিত্রা’র শাহীন নামের এক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) মোবাইল ফোনে হুমকি ও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না পেয়ে অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মনগড়া দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে বিব্রত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
​জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১% তহবিলের সব প্রকল্প স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু এবং উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখা হয়, যাতে সর্বসাধারণ কাজের স্বচ্ছতা যাচাই করতে পারে। নীতিমালা অনুযায়ি ১% বরাদ্দের টাকা ব্যয় করার ক্ষমতা ইউএনওর নেই। এই বরাদ্দ ব্যয় করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের সুযোগ ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদের নেই।

সম্প্রতি ঢাকা থেকে আসা শাহীন নামের ওই ব্যক্তি ইউএনও অফিসে গিয়ে প্রথমে সপরিবারে কক্সবাজার ভ্রমণের বিমানের টিকিট ও হোটেলের ব্যবস্থা করতে বলেন। এতে প্রশাসন অপারগতা জানালে সরাসরি ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
​টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ইউএনও-কে হুমকি দিয়ে বলেন, “আপনি কোথাকার কোন তালেবান, আপনাকে আমরা দেখে নিব এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কথা না শোনার ফলাফল বুঝতে পারবেন।” এর পরপরই কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়াই প্রকল্প নিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর নিউজ প্রকাশ করা হয়।
​সংশ্লিষ্টরা জানান, অনলাইন পোর্টালের দায়বদ্ধতাহীন কিছু ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে গিয়ে এভাবে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করছে, যা দেশের জন্য একটি অশনি সংকেত। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রশাসন কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।