ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের Logo নাসিকে যুক্ত হচ্ছে ফতুল্লা-কুতুবপুর-এনায়েতনগর, বাদ কাশীপুর Logo নাসিকের টেন্ডার বাণিজ্যেরও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে Logo শহরে অটোরিকশার সংখ্যা ও গ্যারেজের তালিকা চাইলেন এমপি আবুল কালাম Logo লিংক রোড সকালে পরিষ্কার, রাতে ফের ময়লা Logo হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত, যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান Logo চেলসিকে রুখে দিয়ে তৃতীয় স্থানে হাল সিটি, হতাশ লিভারপুল Logo ডিসেম্বরেই মিমির সুখবর! Logo চট্টগ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ Logo আলিগঞ্জে অভিষেক অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন, উঠেছে নানা প্রশ্ন

বাংলাদেশি ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী থেকে পাঁচজন বড়শি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জেলেদের ফেরত নিয়ে আসতে বিজিবির পক্ষ থেকে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

এর আগে, গতকাল সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেল তিনটার দিকে নাফ নদীর টেকনাফ পৌরসভার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদেরকে নৌকাসহ ধরে নিয়ে যায়।

অপহরণের স্বীকার ৫ বাংলাদেশি হলেন- টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের জালিযাপাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মো. আলম (২২), আব্দুল মজিদের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৩) ও মো. সাইফুল মিয়া (১৭), মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. বোরহান উদ্দিন (১৯) ও চকরিয়া মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. রাশেদ (২৪)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সালাম পরিবারের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরের পাঁচজন জেলে বড়শি নিয়ে নাফ নদীতে মাছ শিকার করতে নামেন। সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে টেকনাফ পৌরসভা সংলগ্ন নাফ নদী থেকে মিয়ানমারের আরকান আর্মির সদস্যরা ধরে নিয়ে যান। রাতে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পরিবারকে অবহিত করেন। তারা বর্তমানে টেকনাফের বিপরীতে মিয়ানমারের প্রাংপুরু আরকান আর্মির হেফাজতে রয়েছেন।

বোরহানের বড় ভাই মো. ইয়াহিয়া বলেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে টেকনাফ বিজিবির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া ক্ষুদ্র মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল গনি বলেন, নাফ নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবারের চাহিদা মেটাতে কিছু লোক স্থানীয় প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। গতকাল (সোমবার) পাঁচজন বড়শি জেলেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা ধরে নিয়ে গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগের পর অভিযোগ, বদলি কর্মকর্তার পরও বহাল সালমা! ভাঙ্গার ভূমি অফিসে রহস্য আরও ঘনীভূত—“অলৌকিক ক্ষমতার” উৎস কোথায়, প্রশ্ন জনগণ ও সাংবাদিকদের

বাংলাদেশি ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

আপডেট সময় ১১:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী থেকে পাঁচজন বড়শি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জেলেদের ফেরত নিয়ে আসতে বিজিবির পক্ষ থেকে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

এর আগে, গতকাল সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেল তিনটার দিকে নাফ নদীর টেকনাফ পৌরসভার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদেরকে নৌকাসহ ধরে নিয়ে যায়।

অপহরণের স্বীকার ৫ বাংলাদেশি হলেন- টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের জালিযাপাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মো. আলম (২২), আব্দুল মজিদের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৩) ও মো. সাইফুল মিয়া (১৭), মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. বোরহান উদ্দিন (১৯) ও চকরিয়া মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. রাশেদ (২৪)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সালাম পরিবারের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরের পাঁচজন জেলে বড়শি নিয়ে নাফ নদীতে মাছ শিকার করতে নামেন। সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে টেকনাফ পৌরসভা সংলগ্ন নাফ নদী থেকে মিয়ানমারের আরকান আর্মির সদস্যরা ধরে নিয়ে যান। রাতে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পরিবারকে অবহিত করেন। তারা বর্তমানে টেকনাফের বিপরীতে মিয়ানমারের প্রাংপুরু আরকান আর্মির হেফাজতে রয়েছেন।

বোরহানের বড় ভাই মো. ইয়াহিয়া বলেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে টেকনাফ বিজিবির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া ক্ষুদ্র মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল গনি বলেন, নাফ নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবারের চাহিদা মেটাতে কিছু লোক স্থানীয় প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। গতকাল (সোমবার) পাঁচজন বড়শি জেলেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা ধরে নিয়ে গেছে।