ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই Logo নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন নন্দলালপুর, কুতুবপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিলের টাকা আত্মসাৎ Logo তিন মাসের ভিসার ফাঁদে সৌদি প্রবাস—দালাল চক্রের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো বাংলাদেশি। দালাল চক্র বছরের হাতিয়ে নিচ্ছে প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। Logo ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ Logo ইরানের সঙ্গে খুব বেশি ‘গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য’ নেই: ট্রাম্প Logo আগামীতে হজের খরচ আরও কমানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo ডিজেলের অভাবে বন্দর ঘাটে ট্রলার বন্ধের আশঙ্কা ইজারাদারের Logo শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে পরিবর্তন সম্ভব নয়: সাখাওয়াত Logo স্ত্রীকে নিয়ে ঈদে গ্রামে যাবার কথা রানার, বাড়ি ফিরলো লাশ Logo অন্যায়কারী আমার দলের হলেও প্রশ্রয় দেবেন না: এমপি আল আমিন

গজারিয়ায় ভূমি অফিসের কানুনগো মাসউদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

গজারিয়া ( মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে কর্মরত কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদারের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিস কেইস পরিচালনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার ২৭ আগস্ট দুপুরে মিস কেইস ৪৬৮/২৪-২৫ এর বাদী মিনারা বেগম ঘুষ দেয়ার বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন।
অনুসন্ধানে পাওয়া যায় বাউশিয়া ইউনিয়ন মধ্যবাউশিয়া মৌজায় আর এস খতিয়ান ৩০৫,আর এস দাগ ৪২০,৪২১ মোট ভূমি ৯৩ শতাংশ এর মধ্যে এক আনা রেকর্ডিও মালিক বাদী মিনারা বেগম।
অভিযোগকারী মিনারা বেগম জানান ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়। বর্তমানে আমার স্বামীর একাধিক অপারেশনে অর্থ রিক্ত অসহায় । ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা বর্তমান আর এস রেকর্ডে তার নাম রয়েছে। মিস কেইস করতে গিয়ে ভূমি অফিসের একজন লোক আমাকে কানুনগো সাথে কথা বলতে বলেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করে আমার পরিবারের অসহায়ের কথা তাকে অবগত করি।
প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দেখে কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদার বলেন আপনাকে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। অর্থ হীন পরিবারের অসহায় মিনারা বেগম একপর্যায়ে ঋণ করে ১০ হাজার টাকা কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদারকে দেন এবং প্রতি হাজিরায় উপস্থিত থাকি। রায় প্রদানের দিন কানুনগো আমাকে ভূমি সংলগ্ন গোল ঘড় অফিসে বসিয়ে রাখে সারাদিন। পরবর্তীতে সে আমাকে গড়হাজিরা দেখিয়ে শুনানি শেষ করে কোম্পানির পক্ষে রায় দিতে সহায়তা করেন ।

অভিযুক্ত কানুনগো ভূমি অফিসার মাসউদ আলম হাওলাদার সংবাদ কর্মীদের জানান আমি ওনার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করেছি। রিপোর্টে উল্লেখ করেছি উনার প্রাপ্য ভূমি বিক্রি করেন নাই। মিনারা বেগম থেকে কখনো টাকা চাই নাই এবং টাকা নেয়ার কথাটি সত্য না। মিস কেইসের রায় প্রাপ্ত জেএমআই কোম্পানিতে কর্মরত ভূমি সংক্রান্ত প্রকৌশলী হাসান জানান বিষয়টি আদালতের, আদালতেই আমরা জবাব দিয়ে থাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি আমরা হতে চাই না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান ঘুষ নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াা হবে ।।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই

গজারিয়ায় ভূমি অফিসের কানুনগো মাসউদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

গজারিয়া ( মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে কর্মরত কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদারের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিস কেইস পরিচালনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার ২৭ আগস্ট দুপুরে মিস কেইস ৪৬৮/২৪-২৫ এর বাদী মিনারা বেগম ঘুষ দেয়ার বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন।
অনুসন্ধানে পাওয়া যায় বাউশিয়া ইউনিয়ন মধ্যবাউশিয়া মৌজায় আর এস খতিয়ান ৩০৫,আর এস দাগ ৪২০,৪২১ মোট ভূমি ৯৩ শতাংশ এর মধ্যে এক আনা রেকর্ডিও মালিক বাদী মিনারা বেগম।
অভিযোগকারী মিনারা বেগম জানান ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়। বর্তমানে আমার স্বামীর একাধিক অপারেশনে অর্থ রিক্ত অসহায় । ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা বর্তমান আর এস রেকর্ডে তার নাম রয়েছে। মিস কেইস করতে গিয়ে ভূমি অফিসের একজন লোক আমাকে কানুনগো সাথে কথা বলতে বলেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করে আমার পরিবারের অসহায়ের কথা তাকে অবগত করি।
প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দেখে কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদার বলেন আপনাকে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। অর্থ হীন পরিবারের অসহায় মিনারা বেগম একপর্যায়ে ঋণ করে ১০ হাজার টাকা কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদারকে দেন এবং প্রতি হাজিরায় উপস্থিত থাকি। রায় প্রদানের দিন কানুনগো আমাকে ভূমি সংলগ্ন গোল ঘড় অফিসে বসিয়ে রাখে সারাদিন। পরবর্তীতে সে আমাকে গড়হাজিরা দেখিয়ে শুনানি শেষ করে কোম্পানির পক্ষে রায় দিতে সহায়তা করেন ।

অভিযুক্ত কানুনগো ভূমি অফিসার মাসউদ আলম হাওলাদার সংবাদ কর্মীদের জানান আমি ওনার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করেছি। রিপোর্টে উল্লেখ করেছি উনার প্রাপ্য ভূমি বিক্রি করেন নাই। মিনারা বেগম থেকে কখনো টাকা চাই নাই এবং টাকা নেয়ার কথাটি সত্য না। মিস কেইসের রায় প্রাপ্ত জেএমআই কোম্পানিতে কর্মরত ভূমি সংক্রান্ত প্রকৌশলী হাসান জানান বিষয়টি আদালতের, আদালতেই আমরা জবাব দিয়ে থাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি আমরা হতে চাই না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান ঘুষ নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াা হবে ।।