ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

অর্থ পাচারের মামলায় গাজী-নীলা-আলমাছসহ আসামি ৮

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (৭৭) এবং তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী এমদাদুল হকসহ (৫২) মোট আটজনের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংসহ প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রূপগঞ্জ থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট;মামলার নম্বর—৪৩।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুয়া দলিল তৈরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জমি জবরদখল, হস্তান্তর ও তা রূপান্তর করা হয়েছে।

সিআইডি বরাতে জানা যায়, অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জন সহযোগীকে নিয়ে একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রগড়ে তুলেছিলো , যারা ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ১৬ জন ভিকটিমের ২৪০১.৪৬ শতাংশ জমি প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে দখলে নেয়।

মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, প্রতি শতাংশ জমির সরকারি মূল্য ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা হিসেবে এই দখল করা জমির সরকারি বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৪ টাকা।

এজাহারনামায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন—গোলাম দস্তগীর গাজী (৭৭), এমদাদুল হক (৫২), সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা (৫৭), তোফায়েল আহমেদ আলমাছ (৫৫), মো. মাহাবুবুর রহমান জাকারিয়া মোল্লা (৪৮), মো. আনছার আলী (৫৫), আলফাজ উদ্দিন (৬৩) ও দিমন ভূঁইয়া (৫৫)।

এদিকে, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ক্রোকের জন্য গত ৮ জুলাই বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর আদালত, ঢাকা একটি আদেশ (পারমিশন পিটি. নং ৬৮৪/২০২৫) জারি করেন। ক্রোককৃত সম্পত্তির বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। ওই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সিআইডি প্রধান (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কে।

বর্তমানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মামলাটির তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

অর্থ পাচারের মামলায় গাজী-নীলা-আলমাছসহ আসামি ৮

আপডেট সময় ১১:৪৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (৭৭) এবং তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী এমদাদুল হকসহ (৫২) মোট আটজনের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংসহ প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রূপগঞ্জ থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট;মামলার নম্বর—৪৩।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুয়া দলিল তৈরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জমি জবরদখল, হস্তান্তর ও তা রূপান্তর করা হয়েছে।

সিআইডি বরাতে জানা যায়, অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জন সহযোগীকে নিয়ে একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রগড়ে তুলেছিলো , যারা ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ১৬ জন ভিকটিমের ২৪০১.৪৬ শতাংশ জমি প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে দখলে নেয়।

মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, প্রতি শতাংশ জমির সরকারি মূল্য ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা হিসেবে এই দখল করা জমির সরকারি বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৪ টাকা।

এজাহারনামায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন—গোলাম দস্তগীর গাজী (৭৭), এমদাদুল হক (৫২), সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা (৫৭), তোফায়েল আহমেদ আলমাছ (৫৫), মো. মাহাবুবুর রহমান জাকারিয়া মোল্লা (৪৮), মো. আনছার আলী (৫৫), আলফাজ উদ্দিন (৬৩) ও দিমন ভূঁইয়া (৫৫)।

এদিকে, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ক্রোকের জন্য গত ৮ জুলাই বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর আদালত, ঢাকা একটি আদেশ (পারমিশন পিটি. নং ৬৮৪/২০২৫) জারি করেন। ক্রোককৃত সম্পত্তির বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। ওই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সিআইডি প্রধান (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কে।

বর্তমানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মামলাটির তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।