ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

নগরীতে যানজট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ এসপির

নারায়ণগঞ্জ শহরের যানজট নিরসনে শুধু পুলিশের পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান। এ জন্য সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআরটিএ, জেলা পরিষদ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চাষাঢ়ায় যানজট নিরসনে পুলিশের অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্পনগরী। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে বসবাস ও চলাচল করেন। ফলে শহরে মানুষ ও যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। এ কারণে যানজট নিরসনে পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, “যানজট নিরসনে আমাদের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সংগঠনগুলোকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।”

হাবিবুর রহমান জানান, যানজট নিরসনে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ চলছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় দিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবারের অভিযানের বিষয়ে তিনি বলেন, সপ্তাহের এই দিনে শহর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে মানুষের যাতায়াত বাড়ে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা থেকে শহরে যানবাহন প্রবেশ করায় চাপও তুলনামূলক বেশি থাকে। এ কারণে যানজট পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে পুলিশ মাঠে নেমেছে।

তিনি জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপারসহ কর্মকর্তাদের শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান আইন ও নিয়ম মেনে যানজট পরিস্থিতি কতটা সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়, তা তারা পর্যবেক্ষণ করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ কর্মকর্তারা আবার বৈঠকে বসবেন। এরপর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে যানজট নিরসনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি)মো. হাছিনুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. শামীম হোসাইন প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

নগরীতে যানজট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ এসপির

আপডেট সময় ১০:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহরের যানজট নিরসনে শুধু পুলিশের পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান। এ জন্য সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআরটিএ, জেলা পরিষদ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চাষাঢ়ায় যানজট নিরসনে পুলিশের অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্পনগরী। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে বসবাস ও চলাচল করেন। ফলে শহরে মানুষ ও যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। এ কারণে যানজট নিরসনে পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, “যানজট নিরসনে আমাদের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সংগঠনগুলোকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।”

হাবিবুর রহমান জানান, যানজট নিরসনে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ চলছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় দিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবারের অভিযানের বিষয়ে তিনি বলেন, সপ্তাহের এই দিনে শহর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে মানুষের যাতায়াত বাড়ে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা থেকে শহরে যানবাহন প্রবেশ করায় চাপও তুলনামূলক বেশি থাকে। এ কারণে যানজট পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে পুলিশ মাঠে নেমেছে।

তিনি জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপারসহ কর্মকর্তাদের শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান আইন ও নিয়ম মেনে যানজট পরিস্থিতি কতটা সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়, তা তারা পর্যবেক্ষণ করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ কর্মকর্তারা আবার বৈঠকে বসবেন। এরপর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে যানজট নিরসনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি)মো. হাছিনুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. শামীম হোসাইন প্রমুখ।