ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া

নারায়ণগঞ্জের চলমান শ্রমিক অসন্তোষকে ‘পরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তাঁর দাবি, পোশাকশিল্পকে ধ্বংস এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর চাঁদমারির চেম্বার ভবনে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, “তিন বছর পরপর মজুরি বোর্ড হয়। এবারও সময়মতো মজুরি বোর্ড হয়েছে। মজুরি বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেয়, আমাদের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা তা মেনে নেন। তাহলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আসলে গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “এটা কোনো শ্রমিকের আন্দোলন নয়। ৩০ হাজার টাকা বেতন কোনো দাবি নয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করতে এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সবাই মিলে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। গত ১৭ বছর অনেকেই গার্মেন্টস শিল্প ও শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ সচেতন হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৯০ শতাংশ পোশাক কারখানার শ্রমিক নন বলেও দাবি করেন তিনি।

সংসদ সদস্য বলেন, “নারায়ণগঞ্জে পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৩টি গার্মেন্টসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তারপরও আন্দোলনে যারা আসছেন, তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ কোনো গার্মেন্টসের শ্রমিক নন। তারা বিভিন্নভাবে এসে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গার্মেন্টসে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। নারায়ণগঞ্জে কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। শুধু একটি জায়গায় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সড়ক অবরোধের জন্য এই অসন্তোষ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নারায়ণগঞ্জবাসী একত্র থাকার কারণে তারা কোনো সমস্যা করতে পারেননি।”

বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিরোধী দলে যারা আছেন, তাদের বলব, আমরা সবাই মিলে আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ক্ষতি করা যাবে না। দেশকে আর অন্ধকারে নিয়ে যাবেন না। আমাদের সময় দেন।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ও মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বিকেএমইএর সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, চেম্বারের সহসভাপতি আবু জাফর, পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, সোহেল আক্তার, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, আহমেদুর রহমান তনু ও মজিবুর রহমানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া

আপডেট সময় ১২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের চলমান শ্রমিক অসন্তোষকে ‘পরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তাঁর দাবি, পোশাকশিল্পকে ধ্বংস এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর চাঁদমারির চেম্বার ভবনে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, “তিন বছর পরপর মজুরি বোর্ড হয়। এবারও সময়মতো মজুরি বোর্ড হয়েছে। মজুরি বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেয়, আমাদের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা তা মেনে নেন। তাহলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আসলে গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “এটা কোনো শ্রমিকের আন্দোলন নয়। ৩০ হাজার টাকা বেতন কোনো দাবি নয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করতে এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সবাই মিলে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। গত ১৭ বছর অনেকেই গার্মেন্টস শিল্প ও শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ সচেতন হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৯০ শতাংশ পোশাক কারখানার শ্রমিক নন বলেও দাবি করেন তিনি।

সংসদ সদস্য বলেন, “নারায়ণগঞ্জে পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৩টি গার্মেন্টসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তারপরও আন্দোলনে যারা আসছেন, তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ কোনো গার্মেন্টসের শ্রমিক নন। তারা বিভিন্নভাবে এসে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গার্মেন্টসে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। নারায়ণগঞ্জে কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। শুধু একটি জায়গায় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সড়ক অবরোধের জন্য এই অসন্তোষ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নারায়ণগঞ্জবাসী একত্র থাকার কারণে তারা কোনো সমস্যা করতে পারেননি।”

বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিরোধী দলে যারা আছেন, তাদের বলব, আমরা সবাই মিলে আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ক্ষতি করা যাবে না। দেশকে আর অন্ধকারে নিয়ে যাবেন না। আমাদের সময় দেন।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ও মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বিকেএমইএর সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, চেম্বারের সহসভাপতি আবু জাফর, পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, সোহেল আক্তার, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, আহমেদুর রহমান তনু ও মজিবুর রহমানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।