ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

ককটেল বিস্ফোরণের মামলা: মির্জা ফখরুল, আব্বাসসহ ৬৫ জনের অব্যাহতি

ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় করা মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রফিকুল ইসলাম খান এতথ্য নিশ্চিত করেন।

অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্যরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিনসহ প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলটির নেতাকর্মীরা আসেন। এ সময় তারা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে রমনা থানার এসআই আউয়াল এই মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে পৃথক দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে বিস্ফোরণ আইনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

ককটেল বিস্ফোরণের মামলা: মির্জা ফখরুল, আব্বাসসহ ৬৫ জনের অব্যাহতি

আপডেট সময় ০২:২২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় করা মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রফিকুল ইসলাম খান এতথ্য নিশ্চিত করেন।

অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্যরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিনসহ প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলটির নেতাকর্মীরা আসেন। এ সময় তারা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে রমনা থানার এসআই আউয়াল এই মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে পৃথক দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে বিস্ফোরণ আইনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।