ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo একটি নিখোঁজ সংবাদ : মোসাঃ স্বর্ণা খাতুন এবং তার ছেলে আবু তালহা নিখোঁজ হয়েছেন। Logo ঐক্য ও সহঅবস্থানে এগিয়ে যাবে নারায়ণগঞ্জ: ডিসি রায়হান কবির Logo উৎসবের আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ বরণ Logo পারিবারিক সাহিত্য আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন Logo গুমের পর হত্যা মামলায় রানা, হত্যাচেষ্টায় রনি Logo শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-রাষ্ট্রের সমন্বয় জরুরি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের নামে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি Logo “জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বিএমএসএফ বন্দর উপজেলা শাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান Logo নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র(NJU) কার্যকরী কমিটি(২০২৬-২০২৮)ঘোষণা : সভাপতি আরজু-সাঃ সম্পাদক বিদ্যুৎ Logo দূর্নীতিবাজ আমলাদের কাছে রাজনীতিবীদরা জিম্মি

বাদ গেলো মঙ্গল-আনন্দ দুটোই, এবার নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

এর আগে তিনি সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে সভায় বসেন। সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শোভাযাত্রার নাম ঘোষণা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ১৯৮৯ সালে প্রথম যে শোভাযাত্রার আয়োজন করে সেটির নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।

নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে এই শোভাযাত্রা নতুন অর্থ পায়। অশুভের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং শুভ শক্তির আহ্বান—এই বার্তা ধারণ করেই এর নাম হয় “মঙ্গল শোভাযাত্রা”।

এরপর ধীরে ধীরে এটি শুধু উৎসব নয়, বরং প্রতীকী সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়।

২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করলে এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়।

তবে গতবছর বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উপলক্ষে আয়োজকরা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র পরিবর্তে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নাম ব্যবহার করেন। তাদের ভাষ্য—এটি কোনও নতুন নাম নয়, বরং ১৯৮৯ সালের মূল নামের পুনরুদ্ধার।

গতবছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শোভাযাত্রা নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে মতভেদ তৈরি হয়। এক পক্ষ মনে করে, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইতোমধ্যেই ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ—এটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই।

অন্যপক্ষের মতে, নামের ভিন্নতা দিয়ে আয়োজনের সার্বজনীনতাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একটি নিখোঁজ সংবাদ : মোসাঃ স্বর্ণা খাতুন এবং তার ছেলে আবু তালহা নিখোঁজ হয়েছেন।

বাদ গেলো মঙ্গল-আনন্দ দুটোই, এবার নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

আপডেট সময় ০১:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

এর আগে তিনি সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে সভায় বসেন। সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শোভাযাত্রার নাম ঘোষণা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ১৯৮৯ সালে প্রথম যে শোভাযাত্রার আয়োজন করে সেটির নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।

নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে এই শোভাযাত্রা নতুন অর্থ পায়। অশুভের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং শুভ শক্তির আহ্বান—এই বার্তা ধারণ করেই এর নাম হয় “মঙ্গল শোভাযাত্রা”।

এরপর ধীরে ধীরে এটি শুধু উৎসব নয়, বরং প্রতীকী সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়।

২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করলে এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়।

তবে গতবছর বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উপলক্ষে আয়োজকরা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র পরিবর্তে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নাম ব্যবহার করেন। তাদের ভাষ্য—এটি কোনও নতুন নাম নয়, বরং ১৯৮৯ সালের মূল নামের পুনরুদ্ধার।

গতবছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শোভাযাত্রা নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে মতভেদ তৈরি হয়। এক পক্ষ মনে করে, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইতোমধ্যেই ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ—এটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই।

অন্যপক্ষের মতে, নামের ভিন্নতা দিয়ে আয়োজনের সার্বজনীনতাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব।