ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই Logo নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন নন্দলালপুর, কুতুবপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিলের টাকা আত্মসাৎ Logo তিন মাসের ভিসার ফাঁদে সৌদি প্রবাস—দালাল চক্রের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো বাংলাদেশি। দালাল চক্র বছরের হাতিয়ে নিচ্ছে প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। Logo ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ Logo ইরানের সঙ্গে খুব বেশি ‘গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য’ নেই: ট্রাম্প Logo আগামীতে হজের খরচ আরও কমানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo ডিজেলের অভাবে বন্দর ঘাটে ট্রলার বন্ধের আশঙ্কা ইজারাদারের Logo শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে পরিবর্তন সম্ভব নয়: সাখাওয়াত Logo স্ত্রীকে নিয়ে ঈদে গ্রামে যাবার কথা রানার, বাড়ি ফিরলো লাশ Logo অন্যায়কারী আমার দলের হলেও প্রশ্রয় দেবেন না: এমপি আল আমিন

ত্বকী হত্যা মামলায় অন্যতম আসামি জামাই মামুন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ত্বকী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে জামাই মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১)।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

র‍্যাবের সহকারী পরিচালক (এএসপি) সনদ বড়ুয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। ১ অক্টোবর রাতে তাবলীগ জামায়াতের ছদ্মবেশে ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির রামগড় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন মামুন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাগড়াছড়িগামী বাস হতে আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এদিকে গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ড আবেদন করে র‍্যাব। এসময় আগামী রোববার (৬ অক্টোবর) মামলার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে আদালত।

ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে জেলার সদর থানাধীন চাষাড়া এলাকা থেকে ইয়ার মোহাম্মদ পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া থেকে সাফায়েত হোসেন শিপন ও কালীরবাজার এলাকা থেকে মামুন মিয়া এবং ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি থেকে কাজল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মামলার আরেক আসামি আজমেরী ওসমানের সাবেক গাড়িচালক জামশেদ শেখকে।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জের শায়েস্তা খান রোডের বাসা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় সুধীজন পাঠাগারে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। পরদিন তার ‘এ’ লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়, যেখানে দেখা যায় মেধাবী ত্বকী পদার্থবিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ৩শ নম্বরের মধ্যে ২৯৭ পেয়েছেন। ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই

ত্বকী হত্যা মামলায় অন্যতম আসামি জামাই মামুন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ত্বকী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে জামাই মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১)।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

র‍্যাবের সহকারী পরিচালক (এএসপি) সনদ বড়ুয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। ১ অক্টোবর রাতে তাবলীগ জামায়াতের ছদ্মবেশে ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির রামগড় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন মামুন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাগড়াছড়িগামী বাস হতে আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এদিকে গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ড আবেদন করে র‍্যাব। এসময় আগামী রোববার (৬ অক্টোবর) মামলার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে আদালত।

ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে জেলার সদর থানাধীন চাষাড়া এলাকা থেকে ইয়ার মোহাম্মদ পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া থেকে সাফায়েত হোসেন শিপন ও কালীরবাজার এলাকা থেকে মামুন মিয়া এবং ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি থেকে কাজল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মামলার আরেক আসামি আজমেরী ওসমানের সাবেক গাড়িচালক জামশেদ শেখকে।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জের শায়েস্তা খান রোডের বাসা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় সুধীজন পাঠাগারে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। পরদিন তার ‘এ’ লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়, যেখানে দেখা যায় মেধাবী ত্বকী পদার্থবিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ৩শ নম্বরের মধ্যে ২৯৭ পেয়েছেন। ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।